বাংলাদেশে বিগত জরিপ অনুযায়ী—৪ কোঁটি ৫৪ লাখ ৫৮ হাজার ৬১৬ টি খনা (পরিবার) রয়েছে। প্রত্যেক খনায় ২/৩/৪ টা করে—স্মার্টফোন রয়েছে। প্রত্যেক স্মার্টফোন ব্যবহারকারীই—এখন চাক্ষুস ঘটনাবলী দেখতেছে—কিছু হলেই স্মার্টফোনের ক্যামেরা হাজির—উন্মুক্ত বিশ্ব-ব্যবস্থায় এখন আর কোনো কিছুই গোপন নয়। কাজেই বিগত বছরগুলোতে—যে বস্তাপচা চেতনা, ট্যাগিং, বুলিং, চাঁদাবাজি, ধান্দাবাজি, ইণ্ডিয়ান ন্যারেটিভ আর দেশি-বিদেশী প্রোপাগান্ডার রাজনীতি চলেছে; তা থেকে মানুষ বেরিয়ে এসেছে। যদি এটা কেউ অনুধাবন না করে—তাহলে তার রাজনৈতিক ক্যারিয়ার মুখ থুবড়ে পড়বে। খুবই সিম্পল! বড় বড় দলগুলোর জন্য এটা অশনি সংকেত। ছোট দলগুলো ধীরে ধীরে ফ্রন্ট লাইনে চলে আসতেছে। বিশেষ করে ইসলামপন্থীদলগুলো। যাদেরকে মানুষ একটা সময় ভোটের রাজনীতিতে গোনায় ধরতো না। অদ্ভূতই বঁটে! বড় দলগুলোর ব্যর্থতার পয়েন্ট ধরেই তারা অগ্রসর হচ্ছে। আর বড় দলগুলো পূর্বতন কড়চা নিয়েই রাজনৈতিক আবর্তনে চলার চেষ্টায় রত। এখন শিক্ষিত-সচেতন নাগরিকের সংখ্যা বেড়ে অনেক হয়ে গেছে। কেউ আপনাকে কিছুই বলবে না। তারা শুধু পর্যবেক্ষণ করবে। সুষ্ঠু নির্বাচন হলেই, ঠিকই তারা আপনার কর্মের প্রতিদান হাড়ে হাড়ে বুঝি...
দ্বিমত থাকতেই পারে—অবশ্যই দ্বিমতকে শ্রদ্ধা করি। আমি শুধু—আমার মতটুকুই প্রকাশ করি মাত্র। দ্বিমত হলে—সহনশীলতা ও সহিষ্ণুতার পরিচয় দিন।