সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

বিবিধ লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

আমার স্বপ্ন

আমি একজন স্বপ্নবাজ মানুষ। তাই স্বপ্ন দেখি, একদিন ১০০ খানা কবিতা ও গানের বই লিখবো! ১০০ খানা গল্প, নাটক, উপন্যাস, গবেষণা, প্রবন্ধের বই লিখবো। ১০০ খানা বাস্তব সিনেমা বানাবো। ১০০ খানা বিশ্ব সেরা স্থাপত্য নিদর্শন ঘুরে দেখবো। ১০০ মানব সন্তানকে উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত হতে টাকা দিয়ে সহযোগিতা করবো। পৃথিবী আমাকে স্বরণ করবে আপন মহিমায়। কারো দয়ায় নয়!

গরুর হাট ও একটি পর্যবেক্ষণ

গরুর সাথে সখ্যতা শৈশব থেকেই। গরুর হাটে ঘোরাঘুরি করি অনেক ছোট বয়স থেকে। আগেকার দিনে গরুর হাটে দুষ্টুচক্রের আনাগোনা অনেক কম ছিল। প্রতারকচক্রগুলো কম সক্রিয় ছিল। তারা কম সংগঠিত হতে পারতো। কারণ, দশজনের চাপে পড়ে তারা হাপিত্যেশ করতো। সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে, মধ্যস্বত্বভোগী কম ছিল। এখন তারা চক্রাকারে সংগঠিত। আমার বিচরণকৃত ৬ টি হাটের মধ্যে এখন মোটামুটিভাবে দুটো হাট পূর্ণাঙ্গরূপে চলছে। বাকিগুলো পাশ খরচ, দালালের দৌরাত্ব্য আর প্রতারকচক্রের খপ্পরে পড়ে বন্ধ হওয়ার পথে। আমাদের এলাকার মধ্যে আমি যে ক'টি গরুর হাটে  গরু কিনতে যায়; তন্মধ্যে, বুধহাটার হাট, আবাদের হাট, পারুলিয়ার হাট, সাতমাইল হাট, পাটকেলঘাটাসহ সর্বশেষ গত বছর যুক্ত হয় খুলনার পাইকগাছার অন্তর্ভুক্ত চাঁদখালীর গরুর হাট। গত ৭ জুন, ২০২০ তারিখে ঐ বাজারে আবারও গরু কিনতে যায়। কিন্তু, বাজার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে মনে হয়েছে যে এ বাজারও ধ্বংসোন্মুখ। দুটো কারণ। এক. পাশ খরচ বাড়ানো। দুই. মধ্যস্বত্বভোগী ও দালাল-প্রতারকচক্রের আনাগোনা বেড়ে যাওয়া। বুধহাটার গরুর হাটও প্রায় একই কারণে দ্রুত ধ্বংসোন্মুখ। কিছু হাটে পাশ ঘরের লোক মনিটরিং বসিয়ে, পাশ খরচ কমিয়ে এসব কমিয়...

একটি ঘোষনা

আগামী কয়েকদিনের মধ্যে ফেসবুক থেকে নিজেকে প্রত্যাহার করে নেবো। প্রথমত, ফেসবুক এখন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যেমের কাতার থেকে উঠে প্রচার মাধ্যমে পরিনত হয়েছে। নিউজ ফিড স্ক্রল করার সময় প্রচুর পরিমানে অনাকাঙ্খিত বিজ্ঞাপন চলে আসে। যা আমাদের কর্মঘন্টা থেকে শুরু করে বিনোদন ও অবসর কাটানোর যৌক্তক মূহুর্তগুলোকে নষ্ট করে একঘেয়েমিতে পরিনত করছে। যেটা নানান ধরনের মানসিক সমস্যার সৃষ্টি করছে বলে প্রমান পাওয়া যাচ্ছে। সামাজিক-পারিবারিক মেলবন্ধনে ফাঁটল ধরাচ্ছে। দ্বিতীয়ত, এটা অপ-প্রচার ও মিথ্যাচারের অন্যতম কুরুক্ষেত্রে পরিনত হয়েছে। যা মানব সভ্যতায় নানা অমানবিক ঘটনার জন্ম দিচ্ছে। ভুয়া একাউন্টের যন্ত্রনা তো আছেই। এছাড়া আরো একটি কারন রয়েছে। সেটা হচ্ছে, ফেসবুকে এখন ত্যাঁনা প্যাঁচানো, ল্যাঁদানো, কুরুচিসম্পন্ন লোকজনে ভরে গেছে। তারা প্রতিনিয়ত অসভ্য ও অজ্ঞতাপূর্ণ (জাত-চেনানো) আচরণ করে চলেছে ফেসবুকের ন্যায় ভার্চুয়ালি একটি খোলা যায়গায়। কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যের কথা আর নাই বলি। সবাই নিজের মতকে অকাট্য মনে করে। অন্যের মতকে সম্মান করা দূরে থাক, হিংস্রতায় ভরা গালিগালাজ করতেও কসূর করে না। কুরান-হাদিস পড়া দূরে থাক, এক ওয়াক্ত নামজও প...

আজকের স্বাধীনতা, অজস্র পরিমান রক্তের বিনিময়ে অর্জিত

আজকের স্বাধীনতা অজস্র রক্তের বিনিময়ে অর্জিত। তাই এ রক্তকে আমরা বৃথা যেতে দিতে পারি না। একটা বিষয় আমার খুব অবাক লাগে, লক্ষ্য লক্ষ্য মানুষ অকাতরে প্রাণ বিলিয়ে দিয়েছিলো আজকে এই আমি-আপনি আপনার-আমার মত পরবর্তী প্রজন্মের জন্য। আবার এই দেশেরই কতিপয় লোক, তথাকথিত পাকিস্তান প্রেমী কুলাঙ্গার (রাজাকার, আল-বদর, আল-শামস) স্বাধীনতার ও মহান মুক্তিযুদ্ধের বিরোধীতা করেছিলো। দীর্ঘ মুক্তি-সংগ্রামের ইতিহাসে উভয় প্রকারের লোক দেখা যায়। এখন সময় এসেছে, রাজাকার, আল-বদর, আল-শামস বংশধরদের যারা এখনো বাংলাদেশের বিরোধীতা করে বা বাংলাদেশকে, মুক্তিযুদ্ধকে, স্বাধীনতাকে অস্বীকার করে অন্যকোন চিন্তা-চেতনাকে অর্থাৎ পাকিস্তানি প্রেতাত্মাকে পূনরায় প্রতিষ্ঠা করতে উৎসূক বা তৎপর সে সকল নব্য রাজাকার, আল-বদর, আল-শামসদের সমাজ, দেশ থেকে উৎখাত করার, সমাজচ্যূত করার। আসুন দল-মত নির্বিশেষে দেশকে ভালোবাসি, দেশের উন্নয়নের জন্য কাজ করি। দেশের মানুষের জন্য কাজ করি। হেনরি কিসিঞ্জারকে বলি, আমরা তলাবিহীন বাংলাদেশ নয়। ""আমরা নতুন বাংলাদেশ""।

মস্তিস্কের প্রজেক্টর

আমরা যখন কোন কিছু পড়ি তখন যেটা পড়ি সেটার একটা কাল্পনিক ছবি আমাদের মস্তিস্কে ভাসে। এটা খুবই দারুন একটি ব্যাপার। আমরা যারা কমবেশি টিভি, কম্পিউটার, ল্যাপটপ, মোবাইল বা স্মার্টফোন ব্যবহার করি। তারা সবাই অডিও-ভিজুয়াল ব্যাপারটা কমবেশি বুঝি। ধরুন, আমি ইতিহাস পড়ছি। সম্রাট আকবরের ইতিহাস। পড়ার সময় মাথায় বা চোখের সামনে প্রজেক্টরের পর্দায় আমরা যেমন ঘটনার পরম্পরা দেখতে পায়। ঠিক তেমনি, আমাদের কল্পনার চোখে আকবরের কৃতকর্ম বা যুদ্ধের সময়কার নানান দৃশ্যপট ভাসতে থাকে। এই বিষয়টা আমি খুবই উপভোগ করি। অনেকে আছে পড়তে পড়তে মনে করে তাদের কানের কাছে কেউ একজন ঘটনার বিবরণ দিচ্ছে ঠিক ঠিক। যদিও এটা উপভোগ্য নয়। একধরণের মানসিক সমস্যা। তারপরও অন্য রকম লাগে আমার কাছে। এই যে কাল্পনিক ছবি দেখি আমরা, এটা আসলে পড়ার সময় যে চিন্তা কাজ করে আমাদের মস্তিস্কে তারই ফসল। চিন্তাশক্তির উপরে কোন শক্তি নেই। মানুষ চাইলেই এ শক্তির যথাযথ ব্যবহারের মাধ্যমে অনেক ভালো এবং সুন্দর নতুন কিছু করতে পারে।

বাংলাদেশের ৬৪ জেলার নাম

1. Brahmanbaria (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) 2. Bandarban (বান্দরবন) 3. Barguna (বরগুনা) 4. Barisal (বরিশাল) 5. Bagerhat (বাগেরহাট) 6. Bhola (ভোলা) 7. Bogra (বগুড়া) 8. Chandpur (চাঁদপুর) 9. Chittagong (চিটাগাং) 10. Chuadanga (চুয়াডাঙ্গা) 11. Comilla (কুমিল্লা) 12. Cox’s Bazar (কক্সবাজার) 13. Dhaka (ঢাকা) 14. Dinajpur (দিনাজপুর) 15. Faridpur (ফরিদপুর) 16. Feni (ফেনী) 17. Gaibandha (গাইবান্ধা) 18. Gazipur (গাজীপুর) 19. Gopalganj (গোপালগঞ্জ) 20. Habiganj (হবিগঞ্জ) 21. Jaipurhat (জয়পুরহাট) 22. Jamalpur (জামালপুর) 23. Jessore (যশোর) 24. Jhalakathi (ঝালকাঠী) 25. Jhinaidah (ঝিনাইদাহ) 26. Khagrachari (খাগড়াছড়ি) 27. Khulna (খুলনা) 28. Kishoreganj (কিশোরগঞ্জ) 29. Kurigram (কুড়িগ্রাম) 30. Kushtia (কুষ্টিয়া) 31. Lakshmipur (লক্ষ্মীপুর) 32. Lalmonirhat (লালমনিরহাট) 33. Madaripur (মাদারীপুর) 34. Magura (মাগুরা) 35. Manikganj (মানিকগঞ্জ) 36. Meherpur (মেহেরপুর) 37. Moulavibazar (মৌলভীবাজার) 38. Munshiganj (মুন্সীগঞ্জ) 39. Mymensingh ( ময়মনসিংহ) 40. Naogaon (নওগাঁ) 41. Narayanganj (নারায়ণগঞ্জ) 42. Nars...

নানান প্রশ্ন?

জীবনের মানে কি? এই প্রশ্নটা আমাকে বারবার ভাবিয়েছে! আসলে, আমি কে? আমার উদ্দেশ্য কি? আমার গন্তব্য কোথায়? কেন আমার এই অস্তিত্ব প্রমান? যে প্রশ্নগুলো আমাকে অবাক করে! মানুষ-মানুষে কেন হানাহানি? সবাই আমরা ভালো-মন্দ বুঝি। তারপরও কেন খারাপ কাজ করি? আমরা জানি সবই ক্ষনস্থায়ী। তারপরও কেন ছুটে যায়? সর্বশেষ বড় জিজ্ঞাসা হল, সবই তো সৃষ্টিকর্তারই সৃষ্টি। কিন্তু, তিনি কেন এমন একটা সিস্টেম চালু করলেন? তারই বা উদ্দেশ্য কি? এইসব জিজ্ঞাসা আমাকে তাড়িয়ে বেড়ায় দিনরাত! খুজে ফিরি এগুলোর উত্তর!

প্রযুক্তিময় বাংলাদেশ

এখান থেকে ১৫ বছর আগেও যোগাযোগের একমাত্র উপায় ছিল যানবাহন। যা ছাড়া মানুষ যোগাযোগের অন্যকোন উপায়ই ভাবতে পারত না। কিন্তু, সময়ের ব্যবধানে আজ মানুষের হাতে কত যোগাযোগ-প্রযুক্তি। মূহুর্তে সবকিছুই মেলে। মূলত, ২০০৫-৬ সালের পর থেকে এই প্রযুক্তি বিপ্লবের শুরু হয়। ২০০৮-৯ সালের পর থেকে বাংলাদেশে এর প্রসারমানতা খুব দ্রত ঘটতে থাকে। ৫-৭ বছরের মধ্যে কত উন্নতি হয়েছে এই বিষয়ের যা দেখলে এক বিস্ময় ছাড়া আর কিছু থাকে না

জ্ঞানমূলক কথণ

আমাদের প্রত্যেকের উচিৎ, প্রত্যেকটা জিনিসের ভালো-মন্দ দুটো দিক বাহির করে, ভালোটা গ্রহন করা এবং খারাপটা বর্জন করা। নিজের ব্যক্তিত্বকে আরো শক্তিশালী করা। উপনিবেশিক মন-মানসিকতার খোলস থকে বাহির হয়ে আত্ম-নির্ভরশিল হতে শেখা। সর্বোপরি দেশকে ভালোবাসতে শেখা। কারন, দেশই আপনার বড় পরিচয়।

যুগের সিনেমা-৪

সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে সব কিছু পরিবর্তিত হয়। কিন্তু, যারা এই নিয়মের ব্যতয় ঘটানোর চেষ্টা করে তারাই নিজেদের ক্ষতি করে বসে, নতুবা সমাজ বা অন্য কারো ক্ষতি করে বসে। যেটা নিজের অজান্তেই ঘটতে পারে। এ জন্য আমাদের বেশি বেশি করে সৎ চিন্তা করা দরকার। সৎ চিন্তায় মানুষকে যেকোন ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করতে পারে। প্রযুক্তি মানুষকে অনেকদূর এগিয়ে দিয়েছে। কিন্তু, এটির সৎব্যবহার মানুষ এখনও পর্যন্ত নিশ্চিত করতে পারেনি। আর এটির সৎব্যবহার নিশ্চিত করার জন্য মানুষকে সৎভাবে চিন্তা করতে হবে। তাহলে, সঠিক পথের দিশা মিলবে। আসলে, চিন্তা এমনই এক জিনিস যা মানুষকে সচেতন করে তোলে। সঠিক সিদ্ধান্তে পৌছতে মানুষকে সাহায্য করে। ভালো-মন্দ বুঝতে সহায়ক। সর্বপরি, মানুষকে সঠিক পথ খুজে নিতে, নিজেকে জানতে,বুঝতে,উপলব্ধি করতে সাহায্য করে। আজকে এ পর্যন্ত। ধন্যবাদ।

যুগের সিনেমা-৩

বিভিন্ সময়ে, বিভিন্ন মানুষের সাথে কথা বলেছি। আমার একটি আলাদা বিশেষত্ব হল, যখন কোন মানুষের পাশে যাই তখন তার সম্পর্কে এবং বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে তার জ্ঞান ও অভিমত জানার চেষ্টা করি (যেই হোক, যাই হোক)। নিজের জানা বিষয়গুলো তাদের সাথে শেয়ার করি। এটি নিজের সম্পর্কেও তাদের কাছ থেকে মোটামুটি একটি স্বচ্ছ ধারণা পেতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। যাইহোক, বেশিরভাগ ক্ষেত্রে আমি সিনেমা এবং পড়ালেখা নিয়েই আলাপ-আলোচনা করি। তো একদিন, এলাকার এক মুরুব্বির সঙ্গে কথা বলছি। শিক্ষিত এবং ধার্মিক। কথা বলার এক পর্যায়ে তিনি জানতে চাইলেন, আমার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কি? চিরাচরিত স্টাইলে বললাম। দেখুন, ছোটবেলা থেকেই যেকোন কারনে পড়ালেখা এবং সিনেমার প্রতি আমার একরকম ভালোবাসা তৈরি হয়ে যায়। সেখান থেকে যাই করি পড়ালেখার বাইরে নয়। আর সিনেমা কেন্দ্রিক চিন্তাভাবনার বন্যায় আমার মাথা প্লাবিত হয়। তখন তিনি বললেন, তার মানে তুমি সিনেমার নায়ক হতে চাও! আমি তাকে জিজ্ঞাসা করলাম, সিনেমা মানেই কি নায়ক-নায়িকাতে শেষ? বললেন, তাইলে কি? উল্টো প্রশ্ন শুনে, আমি থেমে গিয়ে তাকে সিনেমা সম্পর্কে একটু ধারনা দেয়ার চেষ্টা করলাম। একটু ধারনা পাওয...

যুগের সিনেমা-২

গ্রামাঞ্চলের মানুষের সাথে সিনেমা নিয়ে অনেক দিন যাবৎ কথা বলাবলি করি। বিভিন্ন উপায়ে, তাদের কাছ থেকে সিনেমা সম্পর্কে তাদের মতামত, চিন্তাভাবনা, এটা সম্পর্কে তাদের জানার পরিধি কেমন ইত্যাদিসহ সিনেমার ব্যাপারে অনেক কিছু জানার চেষ্টা করি। তো, বেশির ভাগ ক্ষেত্রে আমার যেটা মনে হয়েছে, সবার ক্ষেত্রে একটা কথায় বেশিই প্রযোজ্য। আর তা হচ্ছে, সবাই নিতান্তই সাধারন দর্শক লেভেলের লোক। আবার অনেকেই পাপবোধ থেকে সিনেমাকে বয়কট করে চলে নিজে থেকে।

যুগের সিনেমা-১

সময়ের পাল্লায় ভর করে সব কিছু পরিবর্তিত হয়। কোন কিছুই থেমে থাকে না, থাকবেও না। এ কারনে, সব ক্ষেত্রেই আপনাকে এক মহাপরিবর্তনের মধ্যে বাস করতে হবে। আর আপনি যদি এটাকে না মানতে পারেন। তাহলে, হয় আপনি এক মহা সমালোচনার সম্মুখিন হবেন। নতুবা, আপনাকে ঝেড়ে ফেলে দেওয়া হবে সব যায়গা থেকে। এটাই বাস্তবতা, বাস্তবতার রুপ যে কত নিষ্ঠুর হতে পারে তা আপনি তখনই বুঝতে পারবেন। যখন আপনি এর স্ম্মুখিন হবেন। এসব বুঝতে হলে, খোলা মস্তিষ্কের প্রয়োজন। বদ্ধ মস্তিষ্কের অধিকারীদের মাথায় এগুলো আসবেও না, ঢুকবেও না, বোঝাতো দূরে থাক! যাইহোক, আমার আজকের আলোচনার বিষয় “যুগের সিনেমা” নিয়ে। মূল আলোচনায় যাওয়া যাক, ধরুন, এখন যদি বলা হয়, মোবাইল ফোন ব্যবহার করা যাবে না, নিষিদ্ধ। সবাইকে টেলিফোন ব্যবহার করতে হবে, সবার জন্য বাধ্যতামূলক। এটা বাতুলতা বই কিছুই নয়। কারন, টেলিফোন ব্যবহার করাটা ঝামেলাপূর্ন কাজ। স্থানান্তর যোগ্য নয়। তাছাড়া, মোবাইল নতুন প্রযুক্তি। এবং এটার ব্যবহার উপযোগীতা অনেক বেশি। সুবিধা-অসুবিধার খাতা খুলে বসলে দেখা যাবে, মোবাইলে সুবিধার ভাগটাই বেশি হবে। এটা বলার কারন, মাঝে মধ্যে চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের...

মুক্তিযুদ্ধে সাতক্ষীরা

মুক্তিযুদ্ধে সাতক্ষীরা জেলাঃ মুক্তিযুদ্ধ ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ পাকসেনাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে। ১৪-১৭ এপ্রিল সাতক্ষীরা সংগ্রাম পরিষদের উদ্যোগে মুক্তিযোদ্ধারা ট্রেজারিতে মজুদ অস্ত্র ও গোলাবারুদ নিজেদের দখলে নেয়। ২০ এপ্রিল পাকসেনারা এ উপজেলায় প্রবেশের সময় ঝাউডাঙ্গাতে গণহত্যা চালায় এবং ২১ এপ্রিল সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে (পূর্ব নাম সাতক্ষীরা টাউন স্কুল) শরণার্থী শিবিরে ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় দুই শতাধিক লোককে হত্যা করে। ২৯ এপ্রিল ভোমরায় মুক্তিযোদ্ধা ও পাকসেনাদের মধ্যে সংগঠিত লড়াইয়ে ৪ জন মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন এবং বহুসংখ্যক পাকসেনা নিহত হয়। ৬ মে শ্যামনগরের গাবুরায় পাকসেনাদের সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের লড়াইয়ে ১১ জন মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন। ৭ জুন দেবহাটা উপজেলার টাউন শ্রীপুর গ্রামে পাকসেনাদের সঙ্গে লড়াইয়ে নাজমুল আরেফিন খোকন ও শামসুজ্জামান খান কাজলসহ ৮ জন মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন। ১৭ জুলাই মুক্তিযোদ্ধারা সাতক্ষীরা সদর উপজেলার বৈকারী ক্যাম্পে আক্রমণ চালিয়ে ৭ জন পাকসেনাকে হত্যা করে। ১৬ আগস্ট আশাশুনি উপজেলার খোলপেটুয়া নদীতে পাকবাহিনীর দু’টি গানবোটে আ...

সিনে ভাবনা

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে দেখা যায়, এখনও অনেক মানুষ সিনেমাকে অভিশাপ বা খারাপ জগত মনে করে। ঠিক আছে, ভালো-মন্দ তো সব জগতেই থাকে। এখন আপনি যে কোন বিষয়কে পুরোপুরি খারাপ ভাবতে পারবেন না। এ কারনে যে, পৃথিবীতে সৎ লোকের বাসও থাকবে, আবার অসৎ লোকেরও বিচরন দেখা যাবে। কিন্তু বিষয়টা হল যে, ভালো লোক যদি নিষ্ক্রিয় হয়ে যায়, তখন তো খারাপ লোক দাপাদাপি করে বেড়াবেই। ঠিক যেমনটা, যদি কোন ক্ষেতে দীর্ঘদিন যাবৎ চাষ-বাস না করা হয় তো সেখানে আগাছা জন্ম নেবেই। এ সত্য তো উপলব্ধির ব্যাপার। আর সিনেমার ক্ষেত্রে যতটুকু খারাপ বিষয় উঠে আসে তা আমার মনে হয়, ঐ জগতকে ভালোভাবে ব্যবহার করার মত লোকের অভাবেই। এখন আপনি বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরে বলতে পারেন, এটা ব্যান করে দেওয়া উচিত, এই সেই, আরো কত কি! কিন্তু, বাস্তবতা হল, প্রচলিত কোন বিষয়কে বন্ধ করা যায় না। সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রন করা যায়, তাও কঠিন হিসাব করে। সময় যা বলে, এটা বন্ধ করেও কি, আর না করেও কি। মানুষ সিনেমা দেখত এবং দেখবে। না জেনে না বুঝে অল্প কিছু লোক, নিজেদের এটা থেকে বঞ্চিত রাখে সবসময়। সময় তার আপন গতিতে চলবে। এখন সবার হাতে হাতে মোবাইল ফোন, স্মার্ট ফোন, ল্যাপটপ, ...

টিভি কথণ

​আসলে খিচুড়ী জিনিসটা মানুষ সব সময় খায় না। দঁশে-পাচে একদিন। আর গ্রামাঞ্চলের মানুষ দোয়ার অনুষ্ঠানগুলোতে খিচুড়ী খায়। সেটাও মাঝেমধ্যে। অনেকের আবার খিচুড়ী খেলে বদহজম হয়। ঠিক তেমনি, বাংলাদেশের টিভি চ্যানেলগুলোর অবস্থা। তারা সবসময় খিচুড়ী নিয়ে হাজির। আসলে ঠিক খিচুড়ী না জগাখিচুড়ী। ভোজনরসিক বাঙালির কি এটাতে হয়।

ইতিহাসের বাস্তবতা

ইতিহাসের বাস্তবতাকে অস্বীকার করা যায় না। ইতিহাসের বাস্তবতাকে অস্বীকার করা মানে নিজের অস্তিত্বকে অস্বীকার করা, নিজেকে বোকা বানানো।

ইতিহাসে ঋন স্বীকার

পৃথিবীতে জ্ঞান সম্রাজ্যের প্রত্যেকটি রাজ্যই ইতিহাসের নিকট কমবেশি ঋনি। ইতিহাসই বলে দেয় ঘটনার পরম্পরা। যেখান থেকে জানা যায় জ্ঞান শাখার বিস্তারে ইতিহাস ও তার বিষয়বস্তুগত তত্ত্ব-তথ্য।

ইতিহাস ও চলচ্চিত্র অধ্যয়ন

জীবনে কখনও ভাবিনি ইতিহাসই হবে আমার জ্ঞান চর্চার ক্ষেত্র ( সিনেমা নিয়েও মোটামুটি ভালোই চর্চা চলে)। এ দুটো বিষয় নিয়ে যতই পড়ছি ততই বাস্তবতা আমার কাছে ধরা দিচ্ছে প্রকটভাবে। আবার দুটো বিষয়ই মানুষ এবং তার কর্মকান্ড কেন্দ্রিক। এ কারনে মানুষের জীবন প্রনালী নিয়ে ভাবতে শিখছি প্রতিনিয়ত। যতই ভাবি ততই অবাক হই। আজব পৃথিবীর আজব মানুষ এবং তার আজব কর্মকান্ড নিয়ে।

হল ব্যবস্থাপনা

১ চলচ্চিত্র শুধু তৈরি করার জিনিস নয়। এটি প্রদর্শনেরও একটি বিষয়। আর প্রদর্শনের ক্ষেত্রে একটি নির্দিষ্ট যায়গার প্রয়োজন হয়। এজন্য হল তৈরি করার আগে এমন যায়গা নির্বাচন করা উচিৎ, যেখানে সবার জন্য পরিবেশ নিশ্চিত করা যায়। কারন, দর্শক একধরনের হয় না। নানান ধরনের দর্শকের আগমন ঘটে। শুধু সিনেমা তৈরি করে বললাম দর্শক বাংলাদেশের সিনেমা দেখে না। তাতো হয় না! আগে দেখার পরিবেশ তৈরি করে দিতে হবে। তারপরে না দেখবে। সিনেমা আধুনিক সভ্যতার একটি উন্নত আবিষ্কার। এটি পুরোপুরিভাবে শহর কেন্দ্রিক প্রযুক্তিময়-শিল্প। একারনে হলগুলো সাধারনত শহরে গড়ে ওঠে। আর শহরের এমন যায়গায় এগুলো গড়ে তুলতে হয় যেখানে মানুষের সমাগম ঘটে বেশি। প্রযুক্তির কল্যানে সবকিছুতে খুব দ্রুত পরিবর্তন ঘটছে। আর সিনেমার ক্ষেত্রে এটি আরো বেশি সত্য। কেননা, সিনেমা পুরোপুরিই প্রযুক্তি নির্ভর শিল্প। মানুষের স্বাভাবিক প্রবনতা হল নিত্য-নতুন জিনিসের প্রতি আকর্ষন। আর এজন্যই সিনেমায় যত নতুন বিষয়, নতুন ফিচার ঢোকানো যাবে ততই মানুষ এটাকে সাদরে গ্রহন করবে। ২ এটি যেহেতু একই সাথে ব্যবস্থাপনা ও সেবার সাথে জড়িত। কাজেই, ২য় দিকটার জন্য হলের অভ্যন্তরীন পরিবেশ নিশ্চিত করা, পরি...