এজন্য হল তৈরি করার আগে এমন যায়গা নির্বাচন করা উচিৎ, যেখানে সবার জন্য পরিবেশ নিশ্চিত করা যায়। কারন, দর্শক একধরনের হয় না। নানান ধরনের দর্শকের আগমন ঘটে।
সিনেমা আধুনিক সভ্যতার একটি উন্নত আবিষ্কার। এটি পুরোপুরিভাবে শহর কেন্দ্রিক প্রযুক্তিময়-শিল্প। একারনে হলগুলো সাধারনত শহরে গড়ে ওঠে। আর শহরের এমন যায়গায় এগুলো গড়ে তুলতে হয় যেখানে মানুষের সমাগম ঘটে বেশি।
প্রযুক্তির কল্যানে সবকিছুতে খুব দ্রুত পরিবর্তন ঘটছে। আর সিনেমার ক্ষেত্রে এটি আরো বেশি সত্য। কেননা, সিনেমা পুরোপুরিই প্রযুক্তি নির্ভর শিল্প। মানুষের স্বাভাবিক প্রবনতা হল নিত্য-নতুন জিনিসের প্রতি আকর্ষন। আর এজন্যই সিনেমায় যত নতুন বিষয়, নতুন ফিচার ঢোকানো যাবে ততই মানুষ এটাকে সাদরে গ্রহন করবে।
আর ব্যবস্থাপনার সাথে ব্যবসায়ের যোগসুত্র। কাজেই, ব্যবস্থাপনা সঠিক হালাতে করার জন্য এর ব্যবসায়িক দিকগুলো খুজে বাহির করে তাতে পেশাদারিত্বের ছাপ লাগিয়ে দিতে হবে। যাতে এর সাথে জড়িত ব্যক্তিরা নিজেদের সর্বোচ্চটা দিতে পারে।
যারা সিনেমার সাথে জড়িত তারা যদি তার নিজস্ব এলাকায় বা আশ পাশের এলাকায় একটি করে সিনেপ্লেক্স, সিনেম্যাক্স, থ্রিডি হল স্থাপন করে। তাহলে আমার মনে হয়, নিজেদের একটা ব্যবসায়ের প্লাটফর্ম তৈরি হবে। পাশাপাশি বাংলাদেশে ব্যবসায়িক চলচ্চিত্রের যে দৈন্যদশা তা আর থাকত না।
ধন্যবাদ!