সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

কবিতা লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

মিল অমিলে গরমিল

আমাদের তো কত শত মিল। তার মধ্যেও হাজারো অমিল। মিল অমিলেই ঘটে গরমিল। কূল অদৃষ্টে নাই মোদের রতি। প্রবল ছিল মনের সে আরতি। তবু আমাদের হলো না গতি। ভালোবাসা ঐ আকাশ তুল্য। পেলাম তার কোনো সে মূল্য? কিছু না পেলেও আছে স্মৃতি। পাগল করে মনের মতিগতি। মন বলতে তোমার সনে কথা। পারি না বলতে সব কষ্টগাঁথা। মিলমিশ ছিল জীবনের তরে। কল্পনাই ছিলো না হারাই পরে। কেনো হারালে মোর প্রেয়সী। কতই স্বাদ-স্বপ্ন গাঁথা শ্রেয়সী। জীবন গড়বো ভাবি এক সনে। বাস্তবতা বড় দূর, কল্পনা মনে। ভিন্ন মতের মানুষ, অন্য সে পথ। তাই চড়ি মোরা সেথা ভিন্ন রথ। দোয়ার রণন সর্বদা, যেথা রবে। কল্যাণময় হোক পরমায়ু ভবে।

মহাজাগতিক মনন

পৃথিবী পুড়ছে—মানব রক্ত—হাড্ডিসার গলে। মহাজাগতিক মহা-মানবদের—উত্তরীয় তলে। সাক্ষী গোপাল হয়ে দেখি—গুলিয়ে মাথা। যন্ত্রনায় কাতর কেউ, আর কেউ—যন্ত্রনাদাতা। কাতরতা আর বিধুরতায়—কেউ নিঃশেষ। যন্ত্রনাদাতা হয়ে—কেউ বা আবার বিশেষ। মহা-মানবদের জয়গানে কেউ—আবেশ। মারছে-মরছে একে-অপরে—নির্বিশেষ। মহা জাগতিক জীবন বয়ে চলে—নিরবধি। মোদের—জীবন দিয়েছেন যে মহান বিধি। তারই ইশারায়—চলবে জীবন আয়ু অবধি। পার্থক্য শুধু—মননে আর মানসিকতায়। জীবন যেখানে শূণ্য—মনন গড়ো পূর্ণতায়।  

প্রিয়দর্শিনী

 

মোহিনী

 

মন মানেই মানচিত্র

শখের নারী

অদ্ভূত, বড়ই অদ্ভূত আমি। নিজের কথা বাদ দিয়ে, সারাদিন তোমায় ভাবি। ওহে মোর মায়াবিনী। কি যাতনা মোর মনে, বুঝবে তুমি তা কেমনে। প্রশ্ন মোর একটাই, একটুও কি মায়া নাই। তোমার ঐ হৃদয়ে, বিদায় দিলে খু্ব সহজে। তাই, মোর মনে প্রশ্ন জাগে। বুঝবা, একদিন ঠিকই বুঝবা; সেদিন আমায় তুমি খুজবা, কিন্তু কোনো ভাবেই পাবে না, গরম তেলে, লুচির মত ফুলবা।

মায়াবিনী

রুচির বিকিকিনিতে তুমি ছিলে আমার দুর্ভিক্ষ। দুর্ভিক্ষ কেটে গেলো তুমি এখন করুণ ইতিহাস। অপূর্ণতা-অপ্রাপ্তি বলে কিছু নেই জীবনে। প্রত্যাশা-প্রাপ্তির মাঝে সবই তো পরিহাস। জীবন তো বাই-সাইকেল, ভারসাম্য রক্ষার্থে চলমান। চোখ বুজলে হয়ে যাও তুমি কল্পনায় অধ্যাস।

মায়াবিনী

রুচির বিকিকিনিতে তুমি ছিলে আমার দুর্ভিক্ষ। দুর্ভিক্ষ কেটে গেলো তুমি এখন করুণ ইতিহাস। অপূর্ণতা-অপ্রাপ্তি বলে কিছু নেই জীবনে। প্রত্যাশা-প্রাপ্তির মাঝে সবই তো পরিহাস। জীবন তো বাই-সাইকেল, ভারসাম্য রক্ষার্থে চলমান। চোখ বুজলে হয়ে যাও তুমি কল্পনায় অধ্যাস।

মানুষ

  মানুষ খারাপ, মানুষ ভালো! মানুষের মাঝে অন্ধকার, মানুষই ছড়ায় আলো। একরূপ মানুষ, কতরূপ দেখি। মানুষ উড়ে, হয়ে পাখি। তা শুধু দেখি মেলে আখি।

বিধুরতা

হারিয়ে ফেলার বেদনা যে কত কষ্টের, তা হয়তোবা অনেকে বোঝেন না। আবার, হয়তোবা কেউ কেউ একটু-আধটু বুঝলেও, গুরত্ব দেন না। আবার, অনেকে হারিয়ে ফেলার বেদনায় স্বাভাবিকতার চেয়ে বেশি মুষড়ে পড়েন। আমি বারবার হারিয়ে ফেলেছি, বহুরূপে বহুকিছু। ভালোবাসতে চেয়ে হারিয়েছি। ভালোবেসে হারিয়েছি। ভালোবাসা হারিয়েছি। মানুষ থেকে বস্তু, উপলব্ধি, বাদ যায়নি কিছুই। রক্ত হারিয়েছি, ভক্ত হারিয়েছি, হারিয়েছি বন্ধু। শক্ত করে ধরেও, রাখতে পারিনি ধরে। হারানোটাই যেন নিয়ম। কষ্ট পেতে পেতে পাষাণ্ড হৃদয়ে হাহাকারের প্রতিধ্বনির অনুরণন বাজ-খাঁইনাদের মত বিঁধে। হারিয়ে ফেলেছি তোমার আলতো স্পর্শের কোমল অনুভব। এই তো সেদিনের কথা; যখন মায়াময় দুনিয়ার আহ্বানে ছুটে যেতাম তোমার কাছে বারবার। তোমার চলে যাওয়া মনের পারদে উচ্চ-তাপমাত্রায় শক দেয়। কষ্টদায়ক!

অধ্যাস

ঘুমের মাঝে স্বপ্ন। ঘুম ভাঙলে বন্য। অজানা সে ধন্য। জানায় সে অন্য। চমৎকার দুনিয়া। নে সবই মানিয়া। সময় যা চলিয়া। ঘুমঘোর বলিয়া। অজুহাত পাঁকা। মস্তিষ্কে কুপোকা। খা নিজে ধোঁকা।

আহারে জীবন

দিন নাই, রাত নাই; রিলিজন, বিভাজন। এর দোষ, ওর দোষ; দোষে দোষ, প্রদোষ। তার দোষেই সংঘাত; দোষে দোষে বিঘাত। নেই তাদের ব্যক্তিত্ব; হারিয়েছে স্ব-অস্তিত্ব। চক্ষুলজ্জাহীন লোভ; কর্মহীন, বাড়ে ক্ষোভ। অকাজে হয় অপমান; মানসিকতা ম্রিয়মাণ। কারোটা বাম্পার হিট; বিষয়বস্তু তা শক্ত ইট। কারোটা পুরোই ফ্লপ; বিষয়বস্তু সু-সংলাপ। ইগোতে ভুল বোঝাই! বোধহীনকে সমঝাই। সমস্যা তার অপক্বত্ব। পরে বরে অসহায়ত্ব। কত কিছুরই মিশেল; পর বুকে বিঁধে শেল। সময়ের যত চাহিদা। বাঁধায় সব অসুবিধা। সমস্যা সব ভিন্ন ভিন্ন। সমাধানে হও অনন্য। হাজারে কেউ প্রচ্ছন্ন। কেউবা একেই বিষন্ন। কারো জন্ম বারবার। কেউ জন্মে একবার। জীবন পূর্ণাঙ্গ বিচিত্র। নকলনবিশ প্রতিচিত্র। মাটিতল হীম-শীতল। চলে যাব সবে বিতল। ভুলে যাই মৃতের কথা। আস্ফালন যাবে বৃথা। অপেক্ষা অপেক্ষমাণ। জীবন হচ্ছে ক্ষীয়মাণ। লোভ কেন ত যায় না! সুশিক্ষিত কেন হই না! ভিন্নতা মানতে পারিনা! মৃত্যু কতই না কঠিন। আবার তা কত অচিন। মৃত্যুই একমাত্র একিন। রুখতে পারে না গুনিন।

মাতামহী-২

হারিয়ে গেছে, সোনার মানুষ! হারিয়েছি মনের মানুষ! প্রথম প্রেম, প্রথম ভালোবাসা! শিখিয়েছে করতে আশা! ছিল মোর এগিয়ে চলার স্বপ্ন! চলে গেছে, হলাম উচ্ছন্ন! শৈশব-কৈশোরের মহা প্রেরণা! চলে যাওয়া দিচ্ছে যন্ত্রণা!

ভণ্ডের ভণ্ডামি রোখ্

হারামিরা ধর্মগাথা শোথায়, ওরা ধর্মের বারোটা বাজায়! ধর্ম-বিদ্বেষীরা তা দেখে হাসে, হারামি সুযোগে ফায়দা লুটে! প্রেম করা হারাম, সবে জানে; বড় প্রশ্ন, কয়জনে তা মানে! সুযোগে সবাই প্রেমিক পুরুষ! ভণ্ডামি ধরে, সে হয় কাপুরুষ! চমৎকার ভণ্ডামির জৌলুস! ধর্ম দিয়ে কুকর্ম ঢাকে ভণ্ড! ধর্ম বলে, কেটে দে তার অণ্ড!

জীবনের আরশি

জীবনের প্রতিচ্ছবি রসে ভাসে, আটকে যায় হেসে-ফাঁসে, কেউ বাঁচে, কেউ পড়ে ছাচে, তাতে পড়ে গড়ে নতুন ধাচে, বাস্তবতার আঁচে, স্বরূপে বাঁচে! নিরীক্ষায় যেচে নব জীবন রচে!

নীরবতার সৃষ্টি

পৃথিবীর সকল নীরবতা নেমে আসুক তোমার গৃহে! তব-মম মধ্যের ব্যবধান যা ছিল অজ বিচ্ছেদ-বিরহে! দূর হোক সকল কালো, জ্বলুক আলো মনের কোটরে! জন্মে প্রজন্ম গড়ে উঠুক, জীবন হোক সৃষ্ট তব জঠরে!

নারীর মর্যাদা ও অধিকার

হে নারী, তব ধর্ম দিয়েছে তোমায় অধিকার। আদায় করো সে, এটা তোমার অগ্রাধিকার। তোমার দেশ মাতা, দিয়েছে তব সর্বাধিকার। আপন করো সবে, তব সকল উত্তরাধিকার। দেশ ও ধর্ম দিয়েছে শিক্ষার মহান অধিকার। বঞ্চিত নহ ত হতে হে, লাভে খোদার দিদার। বাঁচার জন্য জানো, প্রজন্ম বাঁচাতে জানো। কর্তব্যে বন্ধনে আবদ্ধ আমরা মানব উনো। বদ্ধতা উপেক্ষা করো, হইয়ো না ঘর কুনো।

মাতামহী

জন্ম অনাদরে, নিঃশেষ হতাম ভরা ভাদরে। আকালে আসি মায়ের জঠরে। আপন করেছিলে, মনের কোঠরে। তব বিদায়ে, মন কাঁদে বিথারে।

বাটপার

স আছে যার ভুরি ভুরি, করে শুন্য অন্যের ঝুঁড়ি। হাড়ি ভরে করে আপন, অন্যের সব করে হরণ। গড়ে আলিশান তোরণ। ভাবখানা যে তার এমন, করেছে সে পবিত্র বরণ। হারামে সে বেশুচি ভাব। বাস্তবে সে ভণ্ড-খোয়াব। অসভ্যতা বিরাজ-রাজা। বাস্তবে সে মস্ত কর্মবাজা।