সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

যুগের সিনেমা-১

সময়ের পাল্লায় ভর করে সব কিছু পরিবর্তিত হয়।
কোন কিছুই থেমে থাকে না, থাকবেও না।
এ কারনে, সব ক্ষেত্রেই আপনাকে এক মহাপরিবর্তনের মধ্যে বাস করতে হবে।
আর আপনি যদি এটাকে না মানতে পারেন।
তাহলে, হয় আপনি এক মহা সমালোচনার সম্মুখিন হবেন।
নতুবা, আপনাকে ঝেড়ে ফেলে দেওয়া হবে সব যায়গা থেকে।
এটাই বাস্তবতা, বাস্তবতার রুপ যে কত নিষ্ঠুর হতে পারে তা আপনি তখনই বুঝতে পারবেন।
যখন আপনি এর স্ম্মুখিন হবেন।

এসব বুঝতে হলে, খোলা মস্তিষ্কের প্রয়োজন।
বদ্ধ মস্তিষ্কের অধিকারীদের মাথায় এগুলো আসবেও না, ঢুকবেও না, বোঝাতো দূরে থাক!

যাইহোক, আমার আজকের আলোচনার বিষয় “যুগের সিনেমা” নিয়ে।
মূল আলোচনায় যাওয়া যাক,
ধরুন,
এখন যদি বলা হয়,
মোবাইল ফোন ব্যবহার করা যাবে না, নিষিদ্ধ।
সবাইকে টেলিফোন ব্যবহার করতে হবে,
সবার জন্য বাধ্যতামূলক।

এটা বাতুলতা বই কিছুই নয়।
কারন, টেলিফোন ব্যবহার করাটা ঝামেলাপূর্ন কাজ।
স্থানান্তর যোগ্য নয়।
তাছাড়া, মোবাইল নতুন প্রযুক্তি।
এবং এটার ব্যবহার উপযোগীতা অনেক বেশি।
সুবিধা-অসুবিধার খাতা খুলে বসলে দেখা যাবে, মোবাইলে সুবিধার ভাগটাই বেশি হবে।

এটা বলার কারন, মাঝে মধ্যে চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বলতে শোনা যায় বাংলাদেশে এখনও ডিজিটাল সিনেমা তৈরি করার সময় আসেনি।
৩৫ মি.মিই হবে বাংলাদেশের শেষ ঠিকানা।
এটা কি পিছুটান ছাড়া আর কিছু?

এখন বিষয়টা হচ্ছে, মানুষ সব সময় নতুনের পথে হাটতে ভালোবাসে।
তার প্রমান প্রযুক্তিময় বিশ্ব।
নতুন নতুন আবিষ্কার।
পৃথিবীতে সব কিছুই সামনের দিকে অগ্রসরমান।
এমনকি, আপনি যখন হাটবেন।
তখন আপনাকে সামনের দিকেই ফিরে হাটতে হবে।
তানাহলে, যা না হওয়ার সেটাই হবে।

আমার যতটুকু উপলব্ধি, তা থেকে বলতে পারি যে মানুষ কাপাকাপি ফিল্মি সিনেমা দেখবে না।
প্রযুক্তির কল্যানে নিত্য নতুন আবিষ্কার।
এ কারনে, মানুষ চোখ ধাঁধানো ডিজিটালে তৈরি সিনেমাই দেখবে।
এটাই স্বাভাবিক।

আর আকাশ সংস্কৃতির কল্যানে মানুষের নিকট সব কিছুই সহজপ্রাপ্য হয়ে উঠেছে।
এজন্য মানুষ খুব সহজেই চোখ ধাঁধানো সিনেমা খুজে দেখে নিচ্ছে।
সেটা যাই হোক না কেন।

আপনি যদি এখানে নতুন প্রযুক্তির সিনেমা তৈরি না করেন তাতে দর্শকের খুব বেশি যাই আসে না।
কারন, সেটা তারা খুব সহজেই অন্য যায়গা থেকে পেয়ে যাচ্ছে।

আর আপনি ঘাপটি মেরে বসে, খরগোশের মত ভাববেন সব ঠিক আছে।
কেউ কিছু বলছেনা, সবাই চুপচাপ মেরে ৩৫ মিমির সিনেমা দেখে বিনোদিত।
তা কি হয়? সিনেমা তো দর্শকাশ্রয়ী পন্যমাত্র।
ভালো হলেও সমালোচনা তো আপনার পিছু ছাড়বে না।
আর খারাপ হলে তো কথাই নেই, কেউ ফিরেও তাকাবেনা।

আর পন্য মানেই তো ভোক্তার দিকে নজর রেখেই তৈরি করা।
তারা কি চায় না চায় সেটা পরখ করে তারপর পন্য তৈরি।
সেটার নিত্য স্টাইলে প্রচার করাটাও জরুরি।
তানাহলে, মানুষ পন্যটার সাথে পরিচিত হবে না।
পন্যটা বাজারেও কাঁটবে না।

আজ এ পর্যন্ত।
ধন্যবাদ!