সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

উপরন্তু উপলব্ধির উপায়ন্তর হেতু


আপনার মূল স্পিরিটটা যখন ডাইভার্ট হয়ে ঘুরে যাবে, তখন আপনি ভেতর থেকে একদম ভিন্ন গতির সহজ পাচ্য মানুষ। তারপর যখন আপনি বুঝতে পারবেন, তখন আপনি কম্ফোর্ট জোনে বসবাস করা একজন পরিণত মানুষ। নিজেকে এমতাবস্থায় আবিষ্কার করার মানে আপনি আর অগ্রজ অবস্থানে কখনো আবর্তিত নন। নিজের ভেতরকার যত আবিষ্কারের আকাঙ্খা ছিলো, সব মরে ভুত। অদ্ভূত এ জীবন। জীবিত মানুষের মধ্যে মূলবোধ নামক দামী অনুভূতি নঞার্থে বেশি কাজ করে। কারণ, দার্শনিক টমাস হবসের বাণী, “মানুষ স্বভাবতই স্বার্থপর ও আত্মকেন্দ্রিক।” সময়খেকো, সময় হন্তারক কিছু বিষবাষ্প আপনাকে যখন গ্রাস করে তখন আপনার আসলে আবেগীয় ‍বুদ্ধিমত্তা অকেজো। তখন আপনি আবেগতাড়িত বস্তুজাগতিক কতিপয় জীবননাশক ধীর পয়জনিক হয়ে যান। জীবনের আবর্তে আমরা যা পায় তার প্রায় সবই আমাদের উপলব্ধি উপেক্ষিত। আজ হয়তো আপনি আসক্ত। কালকে তা নাও থাকতে পারে। মানব অনুভূতির বাস্তবতা বড়ই কঠিন। সে সরল পথে চলে না। তার চলাটা অনেকটাই সর্পরাজের বক্রতায়। হাজারো বিকল্পের ভিড়ে আপনি নগণ্য; হতেও বা কতক্ষণ। মাকড়াসার জীবনচক্রের মতই এ জীবন, অন্যের জন্য আপন আত্মার আত্মাহুতি। জীবন মানে সময়। সময় মানেই জীবন। আপনার সময় গত মানেই আপনি পরপারের পথে স্তরিত পর্যায়ে। আমাদের অনুভুতিগুলোর মূল্য অন্যের দ্বারে একেবারেই শূন্য। আপনার অনুভুতি আপনিই মূল্যায়িত হওয়াটাই বাঞ্চনীয়। কখনোই প্রত্যাশার পারদ উচ্চমার্গীয়তায় ঢেলে সাজানো অনুচিত। প্রত্যাশা আর প্রাপ্তির মাঝেই মূলত হতাশা। উপরন্তু উপলব্ধির উপায়ন্তর হেতু মানব মস্তিষ্ক মোহাবিষ্ট। তথাপি আমরা একই ভুলের পুনরাবৃত্তি ঘটায়। আসলেই মানব মনোজগৎ বড়ই অদ্ভূত। ক্ষণিকের তাড়নায় তাড়িত হয়ে আপন আত্মার বিনাশের আজীবনের আয়োজন। মানব আত্মার মৃত্যুতে ভোজের আনুষ্ঠানিক সমাবেশ; অদ্ভূত রীতির ন্যায়। শোকালাপ তথায় দূরালাপ। আমি বাউণ্ডেল, আমার আর বিলাপ। ডিলিট, ফিল ইট। নিসঙ্গতায় যার নিত্য ভায়। বাউণ্ডেল জীবনে অপূর্ণতা চিরন্তন সত্য। বাস্তবতা যাচাইকরণ অতীব বিলাসিত। অনুভুতিনাশক হরমোন তথায় আপন গতিতে প্রস্রবিত। অদ্ভূত! তাই না!