সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

দারিদ্রতার সুযোগে উৎকোচ আদায় করা অন্যায়; অপরাধও বঁটে


শুনেছি, ইণ্ডিয়াতে একটা ফুসকাও কিনে খাওয়া যায়। এমনকি কাঠালের একটা কোয়াও কিনে খাওয়া যায়। একটুকরো মাছও কিনতে পাওয়া যায়। দামটাও কনফিগারেশন অনুযায়ী একই; ভাগ করে যেটা হয়, ওটাই। এটার কারণ, দরিদ্র জনগোষ্ঠী যেন সাধ্যানুযায়ী সব কিছুর নাগাল পায় এবং খেতে পারে।
কিন্তু, আমাদের এখানে ঘটনা ঠিক এর উল্টো। আপনি যখন অল্প কিছু কিনতে যাবেন, তখন পাওয়া মুশকিল। এমনকি অনেক ক্ষেত্রে আপনার সঙ্গে মোটেও ভালো ব্যবহার করবে না। কখনো-সখনো পেলেও শর্তের শেষ নেই; তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য ফ্রিতে মেলে। হিসাব অনুযায়ী দামও দেওয়া লাগে বেশি। আমাদের বিকিকিনিওয়ালারা বেশিরভাগই নৈতিকভাবে চির-অসৎ, অসভ্য।
ছোট্ট একটা উদাহরণ দিই। প্রতিবছর রোজার মাসে ৯০ শতাংশ মুসলমানের দেশে প্রতিটি খাদ্য পণ্যের দাম সিণ্ডিকেট করে বাড়িয়ে দেয়া হয়। যতটুকু জানি মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে রোজার মাসে ব্যবসায়ীগণ স্বপ্রণোদিত হয়ে খাদ্য পণ্যের দাম কমিয়ে দেয়। গরিবদের ফ্রিতে খাদ্য দেয়।
আমাদের দেশে আর্থিকভাবে অসচ্ছল লোকজন, যাদেরকে আমরা গরিব বলি; তারা সব সময়ই ধোকা খেয়ে বোকা বনে যায়। হয় বোঝে না, নয়তোবা বেশি বুঝে ধোকা খায় বারবার।