অর্থনৈতিক জীবন যার ভালো না, সে কখনো সুখ-শান্তি পায় না। অর্থনৈতিক জীবন মানে শুধু টাকা থাকা নয়।
অর্থনৈতিক জীবনে সুখ-শান্তি পেতে হলে আপনার নিন্মোক্ত কয়েকটি বিষয়ে যথাযথ জ্ঞানার্জন করতে হবে।
১. লেনদেনঃ ধন-সম্পদশালী লোকের লেনদেন দেখবেন অনেক সময় খুবই বাজে হয়। সামাজিকভাবে মানুষ তাকে হেয় জ্ঞান করে, তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করে। সৃষ্টিকর্তা সম্পদ গড়ার সুযোগ দেয় এধরনের লোকের, কিন্তু তাদের অর্থনৈতিক সম্মান দেন না। লেনদেনের স্বচ্ছতা দরকার।
২. ব্যাংকিংঃ ব্যাংকিং বিষয়টার সাথে অনেক কিছুই জড়িত। এ সম্পর্কে ইন্টারনেট দুনিয়া একটু ঘাটাঘাটি করলে সবই জানতে পারবেন। নতুন করে বলার কিছু নেই। বর্তমানে দেশে তফসিলভুক্ত ৬১টি ব্যাংক রয়েছে। এবং অতফসিলভুক্ত ব্যাংকের সংখ্যা ৬টি। আপনার এলাকায়ই দেখুন দু'চারটে ব্যাংকের শাখা রয়েছে। তাছাড়া, এজেন্ট ব্যাংকিং ও মোবাইল ব্যাংকিং আর্থিক অন্তর্ভুক্তিকে আরো সহজ করে দিয়েছে। জানুন, বুঝুন; অর্থনৈতিক জীবনে সমৃদ্ধি আনুন।
৩. অর্থনৈতিক নিরাপত্তাঃ আগে ঘরে টাকা রাখার কারণে চুরি-ডাকাতির ভয় ছিল। পরবর্তীতে ব্যাংকে প্রচুর চেক চালিয়াতি হতে থাকে। এখন শুরু হয়েছে ডিজিটাল প্রতারণা। সাবধানতা অবলম্বনের কোন শেষ নেই। আর্থিক নিরাপত্তার স্বার্থে আপনাকে জানাশোনার পরিধি প্রচুর বাড়াতে হবে।
৪. বিনিয়োগ ভাবনায় স্বচ্ছতাঃ অনেকে আছে টাকা বাড়ানোর জন্য কষ্টার্জিত টাকাকে হায়-হায় কোম্পানির হাতে তুলে দিয়ে দু'দিন পরে নিজেই মাথায় হাত দিয়ে বসে চোখের জল মুখে নেয়। মাত্রাতিরিক্ত লোভ থাকা ভালো নয়। বিনিয়োগেরও অনেক নিয়ম-কানুন আছে। পড়ুন; কষ্ট বিফলে যাবে না।
৫. ট্রাঞ্জেকশনাল প্রসেস জানাঃ আগে লেনদেন হতো হাতে হাতে। এখন ডিজিটাল লেনদেন করার অনেক সুবিধা যেমন রয়েছে; তেমনি অল্প সংখ্যক অসুবিধাও রয়েছে। আপনি যদি প্রসেসগুলো জানেন তাহলে অসুবিধাগুলো আপনার সুযোগে পরিণত হবে। অনেক সার্ভিস কোম্পানি অনেক বিষয়ে ছাড় দেয়, ক্যাশ-ব্যাক অফার দেয়। সেগুলো গ্রহণ করতে পারবেন, শুধু জানতে হবে, বুঝতে হবে।