সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

নতুন বছর নতুন পরিকল্পনা সাজাই


নতুন বছরে আসুন নিজেকে একটু নতুন করে সাজাই। প্রোডাকটিভিটি বাড়ানোর জন্য, নতুন একটি বাৎসরিক পরিকল্পনা তৈরি করে ফেলুন। নিজের হাতে থাকা স্মার্টফোনের নোটসে অথবা ওয়ার্ডে। পরিকল্পনা সব সময় কাজ করে এমনটা নয়। তবে, পরিকল্পনা মানুষের কর্মস্পৃহায় এক ধরণের ফোর্স ক্রিয়েট করে।
সম্ভবত আমি তখন ক্লাস ফোরে পড়ি। সে সময় আমার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ডিগ্রি লেভেলের একজন শিক্ষক (পরে জানতে পারি তিনি আমার ইউনিভার্সিটির সিনিয়র) বাংলা ক্লাসের শিক্ষকের অনুপস্থিতিতে বাংলা ক্লাস নেওয়ার জন্য এসেছিলেন। এমনকি তিনি বাংলারই ছাত্র ছিলেন। যাহোক, তিনি বলেছিলেন, তুমি যদি ১০০ পাওয়ার ইচ্ছা করো; তাহলে ৯৫ পেতে পারো। যদি ৯৫ পাওয়ার ইচ্ছা করো; তাহলে ৯০ পেতে পারো। এভাবেই মানুষের প্রত্যাশা আর প্রাপ্তির মাঝে যোগসুত্র হিসেবে কাজ করে পরিকল্পনা। সুতরাং, করেই দেখুন না। ক্ষতি তো নেই।
এখন তো মানুষ ভাবতেই ভুলে গেছে। সারাদিন স্মার্টফোনে মুখ গুজে শুয়ে-বসে দিন পার করে দেয়।
স্মার্টফোন তথ্য ও যোগাযোগের ক্ষেত্রে বিপ্লব ঘটিয়ে দিলেও, এটা বহু রকমের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া তৈরি করেছে। ফলশ্রুতিতে, মানুষের মধ্যে সবচেয়ে খারাপ যে বিষয় চলে এসেছে সেটা হচ্ছে, সামাজিকীকরণ প্রক্রিয়া ব্যাহত হচ্ছে। মানবিক মিথস্ক্রিয়া বন্ধের উপক্রম হয়েছে। আসুন প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার নিশ্চিতে সচেতন হই।