সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

ভাবনার সীমাবদ্ধতার দায় একান্তই ব্যক্তির


আপনার ভাবনার সীমাবদ্ধতার দায় একান্তই নিজের। কারণ, আপনার ভাবনার সীমাবদ্ধতা কাউকে ভোগাবে না; আপনাকেই ভোগাবে। সুতরাং, ভাবনার সীমাবদ্ধতা দূর করতে হবে। কাউকে কখনো নিজের ভাবনার সীমাবদ্ধতা দ্বারা আটকানোর চেষ্টা করবেন না। একটু মুশকিল হলেও সে এগিয়ে যাবেই। আর আপনি যেখানে ছিলেন, সেখানেই রয়ে যাবেন। দিনশেষে, ঠোট কামড়ে নমস্তে নমস্তে করতে হবে। যারা স্বাধীন সিদ্ধান্ত গ্রহণে সিদ্ধহস্ত, তারা জানে হিরার টুকরো পঁচা খানায় থাকলেও তা হিরা। নিজেকে প্রমান করার জন্য তার আবরণ পরা লাগে না। খানায় থাকতে নাকানিচুবানি খেলেও উঠে আসলেই হলো। উঠেই আপন সত্তায় উদ্ভাসিত হয়ে নিজেকে ও অপরকে আলোকিত করে তোলে। ঢোল পিটিয়ে খোল প্রমাণ হয়। নিখাদ প্রমাণ হয় নিঃশব্দে।

সীমাবদ্ধ চিন্তার লোক ভুলে ভরা অতীত ফিরে চায়; শুধরানোর জন্য! মানুষ কি কখনো তা পারে! পিছনে যাওয়া সম্ভব নয়! বোকারাই একমাত্র এটা চেষ্টা করতে পারে! পুরোনো স্মৃতিকে রোমন্থন করা যায়; ফেলে আসা সময়কে কখনোই ফিরে পাওয়া যায় না! একজন মানুষের ভাবনার সীমাবদ্ধতায় এ ধরনের আকাঙ্খাকে জাগ্রত করে। সু-ভাবনা ভাবতে পয়সা লাগে না, লাগে মূল্যবান সময়। অফুরন্ত সময়ে ঝেড়ে ফেলুন, ভাবনার সীমাবদ্ধতাকে।

ভাবনার সীমাবদ্ধতা ঝেড়ে, নিচে একটুখানি অতীত স্মৃতি রোমন্থন করলাম।
পুঠিয়া রাজবাড়ী, পুঠিয়া, রাজশাহী
বধ্যভূমি, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী