ফালতু ক্যাঁচাল বাদ দিয়ে সম্পর্কের যত্ম নিন; সম্পর্কগুলো দীর্ঘজীবী হবে। নাহলে, আগাছা ভেবে সবাই আপনাকে উপড়ে ফেলে দিয়ে চলে যাবে।
সম্পর্কের যত্ন নিতে না জানলে, মন সতেজের পরিবর্তে বেশিরভাগ সময়ই বিষন্নতা গ্রাস করে। সুতরাং, ক্ষতিকর বিষন্ন সম্পর্কের চেয়ে তা না থাকাই শ্রেয় বলে মনে করি। তবে, স্বাভাবিক সম্পর্কে ভাটা শুরু হলে, তার কার্যকারণ খুঁজে প্রতিষেধক দিলে হয়। কিন্তু, সবার বোধের পারদ সমান না। কেউ বোঝে, কেউ বোঝে না। কাজেই, এসব ফালতু ক্যাঁচাল বাদ দেওয়াই ভালো।
তাছাড়া, বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে বিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করে। বিশ্বাসের ঘাটতি বন্ধুত্ব নষ্ট করে দেয়। সাধারণ সৌজন্যমূলক সম্পর্ক আর বন্ধুত্বের সম্পর্কের পার্থক্য এখানেই। একজন বন্ধু, অপর বন্ধুর সুখ-দুঃখের পরিজন। সৌজন্যের সম্পর্কে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য, তামাশা মিশে যায়। সুতরাং, কি দরকার গলা বাড়িয়ে দিয়ে সিধুর চাওয়ার, গলাটা কাঁটাও তো পড়তে পারে। বিশ্বাসহীন জীবন হানিকর সম্পর্ক থেকে ১০০ গজ দূরে থাকি।