সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

দেশের পেঁয়াজ, দেশি পেঁয়াজ


দেশি পেঁয়াজ

নিজেই রান্না করে খাই; গত ৭ বছর যাবৎ। আমি সাধারণত বাজারে গেলে দেশি পেঁয়াজটাই কিনি। কারণ, সাইজে ছোট। প্রয়োজনানুপাতে অল্প অল্প করে ব্যবহার করা যায়। লাগেও কম, তরকারির আলাদা একটা স্বাদ তৈরি হয়। আমাদের দেশের কৃষকগণ এক সময় প্রচুর দেশি পেঁয়াজ উৎপাদন করতেন। নানার বাড়ি যখন যেতাম তখন প্যাকেটে করে পেঁয়াজ, রসুন, আদাসহ খেতে লাগানো অন্যান্য মসলা জাতীয় পণ্য নিয়ে আসতাম বাড়ি। এখন আর দেশের কৃষকগণ এ ধরনের পণ্য উৎপাদনে খুব একটা উৎসাহিত হয় না।

বিদেশি (ইণ্ডিয়ান) পেঁয়াজ

কারণ, দেশের কৃষকের পেঁয়াজ যখন খেত থেকে ওঠে, তখন শুল্ক দিয়ে ভারত থেকে প্রচুর কম দামী পেঁয়াজ আমদানী করা হয়। আর যখন দেশের কৃষকের পেঁয়াজ ফুরিয়ে যায়, ভারত তখন পেঁয়াজের দাম বাড়িয়ে দেয়। ইদানিং, রপ্তানি বন্ধ করে দিচ্ছে। আসলে তখনই তো আমদানী করার কথা যখন দেশের পণ্যে সংকট দেখা দেয়। কিন্তু, এখানে বিষয়টা একটু উল্টো ঘটে। জানি না, এখানে কোন কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক ব্যাপার আছে কিনা! তবে এটা জানি, বহু বছর ধরে এটা ঘটে আসছে। সুতরাং, এটার একটা সহজ সমাধান দরকার। দেশে স্থিতিশীল ভালো মানের পেঁয়াজ উৎপাদনের প্রচুর সুযোগ রয়েছে। অশুল্ক পেঁয়াজ দেশে হলে, দেশের ভোক্তা সমাজ ও কৃষক উভয়ই লাভবান হবেন। মাঝখান দিয়ে দেশের টাকা দেশেই থেকে যাবে।