সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

যার ইগো যত, তার ব্যর্থ হওয়ার সম্ভাবনা তত


আগে ইগো দূর করতে হবে। আপনার ইগোকে কেউ কখনো গুরুত্ব দেয়নি; আর দেবেও না। করোনা পরবর্তী বিশ্বে, মানুষ অনেক দ্রুত যে কোন পরিবর্তনশীল পরিস্থিতি মোকাবেলার সক্ষমতা অর্জন করবে। নিজেকে দাড়িয়ে রেখে পিছিয়ে পড়া হবে চরম ভুল। তাছাড়া, শয়তানী; বড় ধরনের বোকামী; করলে, পরে পস্তাবেন। টিকে থাকতে গেলে, কিছু না কিছু করা লাগবে। তার জন্য আপনাকে বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর সঙ্গে মেলামেশা করতে হবে। সুতরাং, আচরণে সাবলীল না হলে, আপনি কখনোই নিজের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো বৈধ পন্থায় দেন-দরবার করে উদ্ধার করতে পারবেন না। অর্থাৎ, ব্যর্থ হবেন। ব্যর্থ মানুষের খোঁজ দুনিয়ার কেউ রাখে না। কাজেই, যোগাযোগ দক্ষতা বাড়ানোর জন্য সর্বদা হালনাগাদ জ্ঞানের সাথে সংযোগ বৃদ্ধি করতে হবে। একজন সার্টিফিকেটধারী লোক অর্ধশিক্ষিত। তার শিক্ষার পূর্ণতা আসে তখনই, যখন সে তার অর্জিত জ্ঞানকে নিজের ও দশের কল্যাণে ব্যয় করার সক্ষমতা অর্জন করে। আর এটা একমাত্র মানুষের সঙ্গে সাবলীল মেলামেশা ও হালনাগাদ জ্ঞানের মাধ্যমেই সম্ভব।

যে ব্যক্তি কমিউনিটির অন্যান্য মানুষের সঙ্গে সাবলীলভাবে মেলামেশা করতে পারে না বা ইগোয় ছোটবড় জ্ঞান করে অজুহাত দেখিয়ে মেশে না বা সমালোচনার ভয়ে অজুহাতে এড়িয়ে চলে, তাদেরকে কমিউনিটির অন্য লোকে অসামাজিক জীব বলে আখ্যা দেয়; কখনো সরাসরি বা কখনো গোপনে। তাছাড়া, বিজ্ঞানের পরিভাষায় ঐ ব্যক্তির মানসিক বিকাশ যথাযথ হয়নি বলে জানা যায়। এটা ঠিক যে চলার পথে হাজারো সমস্যা হবে। তবে, সেগুলো দক্ষতা ও জ্ঞান দ্বারা সমাধান করে এগিয়ে চলাই তো সভ্য মানুষের জীবনযাত্রার পরিচয় তুলে ধরে। দুটো দক্ষতা অর্জন করতে পারলে আপনি সব যায়গায় ফিট থাকবেন। মনোযোগ দিয়ে মানুষের কথা শোনা ও সব ধরনের কথা সাজিয়ে-গুছিয়ে বলা। কথার হাট-বাজারে শুনতে গেলে বলতে ইচ্ছা করবে। বলতে গেলে ভুল হবে। এটা স্বাভাবিক। তাই বলে থেমে থাকলে সেটা হবে মহাভুল। মানুষ মানেই সমস্যা; আবার মানুষ মানেই সমাধান।

(বুঝতে না পারলে, সরাসরি কমেন্ট বক্সে অথবা মেসেঞ্জারে প্রশ্ন করতে পারেন।)