সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

অফিসিয়াল শিষ্টাচার


নানান কারণে অফিসিয়াল কাজ-কর্মের জন্য অনেককে ফোন দিতে হয়। সেটা ব্যক্তিগত কারণেও অনেক অফিসিয়ালসকেও ফোন দেয়া লাগে বা সাক্ষাতের প্রয়োজন হয়। আমি যেটা বলতে চাচ্ছি, অনেকে ব্যক্তিগত সময়ে অফিসিয়াল ফোন রিসিভ করতে পছন্দ করেন না। ফোন করলে রাগারাগি করেন। এমনকি অসভ্য আচরণের পর্যায়েও চলে যান। বিষয়টা কিন্তু সিম্পল। বলে দিতে হয় যে ভাই আপনি আপনার যে কোন প্রয়োজনে আমার অফিসিয়াল টাইমে ফোন দিয়েন। ব্যক্তিগত সময়ে বিরক্ত করবেন না।

বিকল্পের দুনিয়ায় একটু বেশি সময় ও সার্ভিস দিতে না জানলে কর্মহীন হতে খুব বেশি সময় লাগে না। আরো যদি সেল্ফ এমপ্লয়ি হয়ে থাকেন, তাহলে তো কোন কথায় নেই। সর্ব সময় সেবাদানের মানসিকতা না থাকলে কেউই আপনাকে বা আপনার দক্ষতাকে ইয়ে দিয়েও গুণবে না। যতই তা থাকুক। অনেকে বলতে পারেন, ইমার্জেন্সি হলে আলাদা কথা। ভাই, ইমার্জেন্সি জিনিসটা অনেকের কাছে নিছক বিরক্তিকর ডিউটি ছাড়া কিছুই না। সেক্ষেত্রে তো ইমার্জেন্সি কথাটা ক্ষেত্র বিশেষ বেমানান হয়ে দাড়ায়। অধিকাংশ ক্ষেত্রে ইমার্জেন্সির নামে ভোগান্তি আর বিড়ম্বনার শেষ বলে কিছু থাকে না। স্বল্প সময়ে অর্থনৈতিক ও শারীরিকভাবে নাকানি-চুবানি খেতে খেতে আরো বেশি খারাপের দিকে চলে যায় বিষয়টা।

তাবৎ দুনিয়ার সেবা (শুধু স্বাস্থ্য নয়, সকল সেবামূলক) সেক্টরে মানবিক মিথস্ক্রিয়ায় যে যত বেশি পারদর্শী, সে তত বেশি কাজ পায়।

মানবিক মিথস্ক্রিয়ার মধ্যে পড়েঃ ধৈর্য্য, যে কোন কথা শোনার দক্ষতা; যতই তা আনাড়ি হোক। মানুষের স্ব স্ব অবস্থানকে সম্মান করার দক্ষতাসহ বোঝানোর দক্ষতা, কৌশলে নিজের স্যোশাল ব্রাণ্ডিং করা।

সুস্থ ও শিষ্ট হোক সকল বিকারগ্রস্ত ও অশিষ্টগণ।