এটাই সত্য যে অতিরিক্ত কার্বন নিঃসরণের ফলে দুনিয়াটা বিষাক্ত হয়ে গেছে। যার ফলে প্রকৃতিতে নানান ধরনের প্রাকৃতিক বিপর্যয় দেখা যাচ্ছে। যাহোক, করোনা ভাইরাস মানুষকে ঘরবন্দি করার ফলে প্রকৃতি তার আপন সত্তাকে নতুন করে ফিরে পাওয়ার একটা সুযোগ পেয়েছে। তাই সে নতুন করে নতুনভাবে সাজতে শুরু করেছে। আশার কথা হচ্ছে, করোনায় অনেক মানুষ মারা গেলেও পৃথিবীটা নতুন করে বাঁচার নতুন নতুন অভিজ্ঞতা ও সম্ভাবনা নিয়ে হাজির হচ্ছে। এ নতুন অভিজ্ঞতা ও সম্ভাবনাগুলো ধরে রাখতে পারলে মানুষ আরো বহু বছর টিকে থাকার ম্যান্ডেট পেতে পারে প্রকৃতির কাছ থেকে।
মানুষ যদি সামষ্টিকভাবে করোনা ভাইরাসের সংক্রমন থেকে শিক্ষা গ্রহণ করতে ব্যর্থ হয়, তবে এর চেয়েও বড় ধরনের সমস্যার সম্মূখীন হতে হবে মানব জাতিকে। সেগুলো মোকাবেলা করা আরো কঠিন হতে পারে। এখন থেকে সব কিছুতে গুণগত পরির্তন আনার চেষ্টা করতে হবে। যতদূর সম্ভব কার্বন নিঃসরণ রোধ করতে হবে। প্রতিটি অফিসকে বিকেন্দ্রীকরণের চিন্তা-ভাবনা মাথায় রেখে কর্ম-পরিকল্পনা সাজাতে হবে। এক্ষেত্রে প্রযুক্তির উৎকর্ষতাই আমাদের মুক্তির পথ দেখাবে। এখন প্রযুক্তি ব্যবহারের চেয়ে প্রযুক্তিগত নিরাপত্তা নিয়েই বেশি ভাবতে হবে আমাদের। কারণ, প্রযুক্তি যতটুকু সহযোগী হতে পারে, একটু ভুলে অনেক বেশি ক্ষতিও হয়ে যেতে পারে।