মানুষ তখনই ভালোবাসাকে আঁকড়ে ধরার চেষ্টা করে, যখন সেটা নিঃশেষ করতে করতে তলানিতে নামিয়ে ফেলে। আবার, মানুষ তখনই ভালোবাসা খোঁজে, যখন সে পাওয়ার পরে ইচ্ছা করে হারিয়ে ফেলে। আকুতিটা ভালোবাসা থাকতে থাকতে জাগালে ভালোবাসাকে ফর্মে রাখা যায়। এককথায়, পরিচর্যা না করলে কোন জিনিসই টেকসই সার্ভিস দিতে চায় না। উভয়েরই খেয়াল রাখতে হয়, কোন ঘাটতি আছে কিনা সেদিকে। দ্বিপক্ষীয় ব্যাপারে কখনো একপক্ষের, কখনো উভয়পক্ষের কারণে ঘাটতি তৈরি হতে পারে। তবে, ঘটমান একপক্ষের সৃষ্ট ঘাটতিটা বেশি চোখে পড়ে এবং সেটাই বেশি হৃদয়বিদারক।
অনেক সময় অবহেলা অনাদরে ভালোবাসাগুলো শুকিয়ে যেতে শুরু করে। একপক্ষের একটু পরিচর্যার অভাবে তা বিলিনও হয়ে যায়। কারণ, অপরপক্ষের মানুষটা দিতে দিতে নিঃস্ব হওয়ার উপক্রম হয়ে যায়। সাধারনত সম্পর্কগুলোর বাস্তবতা হচ্ছে, উভয়ের স্বার্থ রক্ষা করার জন্য তা গড়ে ওঠে। যখনই তা একপক্ষীয় স্বার্থ হাসিলের হাতিয়ার হয়, তখনই ভাঙন শুরু হয়। একটা সময় গিয়ে সেটা নরম কাঁচের তন্তুর মত ভেঙে যায়। হাজার চেষ্টার পরও আর কোন আঠাতেই জোড়া লাগানো সম্ভব হয় না। সম্পর্কটা শুধুই ফেলনা হয়ে যায়। পশ্চাতে একঘেয়েমি উৎপাদন করে। এমনকি ক্ষেত্র বিশেষ অস্বাভাবিকও হয়ে যায়।
ভালো থাকুক স্বার্থবাদী বন্ধুরা, ভালো থাকুক দুনিয়া।
বিকল্পের দুনিয়ায় ভালো মানুষ পাওয়া কি খুব..............কাজ বলে মনে হয়?
(শূন্যস্থান পূরণের দায়িত্ব পাঠকের।)