সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

প্রসঙ্গ লেডি বাইকার


ভাই, এই পশ্চিমা সংস্কৃতি আর নিজেদের সংস্কৃতি বলে যে বুলি আওড়াচ্ছেন; বলতে পারেন, নিজে কতটুকু এর থেকে দূরে আছেন? উত্তরটা, স্যার পড়েছি মনে আসছে না টাইপের! স্যার বলা শুরু করলে তখন স্যারের সাথে সাথে আওড়ানোর মত! এরপর স্যার যখন মিথ্যা বলার অপরাধে বকা দেন, তখন মুখটা মলিন হয়ে ওঠে! আর অপরাধবোধে না ভুগে, মলিন মুখে মনে মনে স্যারকে গালি দেয়া ছাড়া আর কি বা করতে পারেন।

যাহোক, আধুনিক দুনিয়ার যত উল্লেখযোগ্য নিত্য নতুন আবিষ্কার তা সবই ঐ পশ্চিমা সংস্কৃতির প্রেষণেই হয়েছে। বাদ দিতে গেলে এগুলো বাদ দিয়ে এসে তারপর নিজের পাণ্ডিত্য ফলাতে হবে! না হলে স্টেজ কাপানো বক্তাদের মত হবে। ঝড় উঠবে, কিন্তু মানুষ পূর্বের চেয়ে আরো খারাপ হতে থাকবে। কাজের কাজ কিছুই হবে না। মাঝে শুনেছিলাম, সরকার তাদের নেওয়া টাকার ওপর নাকি কর বসাবে। অর্থনীতি এমনই, যেখানে টাকা গতি পায়, সেখানেই ছুটে বেড়ায়। আল্লাহ মানুষকে বেশি বেশি সংযম অনুশীলন করতে বলেছেন! আর আমরা প্রতিনিয়তই মূর্খতার পরিচয় দিচ্ছি।

মেয়েটি ভালো করেছে না খারাপ করেছে, সেটা বলা আমার উদ্দেশ্য নয়; ভালমন্দ বিষয়টি আপেক্ষিক ব্যাপার। আমি শুধু ঘটমান একটা সার্বিক নেতিবাচক মানসপটকে তুলে ধরার চেষ্টা করবো।

এখানে বড় ধরনের একটা সমস্যা হচ্ছে, নারী ঘটিত কোন ঘটনা পেলে তথাকথিত সমাজবাদী, সংস্কৃতিবাদীরা হামলে পড়ে মেয়েটির চরিত্রের চূলচেরা বিশ্লেষণে। এরা নারীবাদের ধো তুলে বরঞ্চ নারীবিদ্বেষ ছড়ায়। ধর্মের দোহায় দিয়ে অন্য সংস্কৃতিমনা লোকদের গালি দেয়। ধর্ম যে তাদের গালি দিতে নিষেধ করেছে, তা তারা জানে না বলে মনে হয়!

অনেকটা এ রকম মার্ক জুকার্বার্গের তৈরি করা ফেসবুকে তাকেই গালি দিয়ে বিশাল স্বস্তির নিঃশ্বাস ছাড়ার মত। দিনশেষে কিন্তু জুকার্বার্গ সাহেবেরই লাভ হয় তাতে; তা মনে হয় উক্ত ব্যক্তির না জানারই কথা। নারীবিদ্বেষ ছড়িয়ে নারীবাদের ব্রাণ্ডিংই হয় আর কি! কতিপয় লুতুপুতু টাইপের লোকজন সস্তা জনপ্রিয়তা লাভের আশায় বৃহত্তর একটা ক্ষতির কারণ হয়ে দাড়াচ্ছে! আশা করি, আল্লাহ তাদের সুবুদ্ধি ও হেদায়েত দান করবেন। আমিন!

(ব্যক্তিগত পাঠ ও অভিজ্ঞতার আলোকে একান্তই ব্যক্তিগত অভিমত। দ্বিমত থাকতে পারে এবং দ্বিমতের প্রতি অবশ্যই শ্রদ্ধাশীল।)