এখানে সব চাইতে দ্রুত বাজার সম্প্রসারণ করা যায়। কারণ আবেগ নয়; অজ্ঞতা, মূর্খতা, অন্ধ অনুকরণ। পঁচা ফল একবার যদি কেউ ১০ জনকে কোনভাবে খাওয়াতে পারে, তাহলে নতুন করে কোন কৌশল আর অবলম্বন করা লাগবে না। এক টানে সব টেনে যাবে। শুধু বিশ্বাসের আওতায় এনে ছেড়ে দিলে ঢালাও প্রচার তারাই করে দেবে। অনুকরণীয় করে তুলতে পারলে এক পণ্যেই জীবন পার। জমজমাট ব্যবসা হবে।
খুব বেশি ভাব নিয়ে লাভ নেই। কারণ, দুনিয়ার সব কিছু ক্ষনস্থায়ী। আপনার বিকল্প দুনিয়া ইতোমধ্যে ঠিক করে রেখেছে। অনেককে দেখি, যৌক্তিক সমালোচনাও সহ্য করতে পারে না। বোকা মানুষ! ভালমন্দের বোধগম্যতা তৈরি করতে না পারলে সারাটা জীবন গাধার খাটুনি খাটতে হয়। কত বড় বড় হনু দেখলাম ইহ জীবনে; কেউ শয়তানি-বোকামী করে টিকে থাকতে পারেনি। দিনশেষে কোন না কোনভাবে ধরা তারা খেয়েছে। নিজেকে বিজ্ঞ পণ্ডিত ভাবার মধ্যে কোন সফলতা নেই। সৎকাজ করতে হবে, মানুষকে ভালোবাসতে হবে, মানুষকে সহযোগিতা করতে হবে। তাহলে এর মধ্যেই খুঁজে পাবেন সার্থকতা। আসুন, সফলতা নয়, সার্থকতা খুঁজি। আমি বুঝতে শিখেছি যে বাজে মানুষ সামনে প্রশংসা করলেও পেছনে কুৎসা রটায়। আর বিজ্ঞ লোকে যা বলার সামনে বলে, পিছে শুধুই প্রশংসা করে।
আমি দেখেছি, একজন অবিবাহিত পুরুষ সেক্স করলে সে হয় পুরুষ-খাঁটি। আর নারী হয় অসতী। শুধু দেখার পার্থক্য। মানসিকতার ব্যাপার। দেখেছি, পুরুষ নারী পিটালে খাঁটি পুরুষ হয়। আর নারী পুরুষ পেটালে বজ্জাত বলে। অদ্ভূত সমাজ ব্যবস্থা। এগুলো অসভ্যতা। নারী-পুরুষ মিলেই পরিবার পূর্ণতা লাভ করে। সেখানে কাউকে ছোট করে দেখার সুযোগ না থাকলেও মানুষ সমাজের নামে মনগড়া কানুনের দোহায় দিয়ে নারীকে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করে। এটা কিন্তু অন্যায় বটে।