একজন মানুষকে হত্যা করে যদি তার লাশকে বলা হয় 'স্যরি'! তাহলে, বিষয়টা কেমন হয়ে গেল না! কারণ, লাশের তো আর চেতনা থাকে না! ক্ষমার মহত্ব বোঝার ক্ষমতা তার নিঃশেষিত! ঠিক তেমনি অনুভূতি হত্যা করে কাউকে যদি ভালোবাসতে বলা হয়; বিষয়টা অদ্ভূত শোনায়! কারণ, অনুভূতিহীন লোকের ভালোবাসার চেতনা কাজ করে না! সুতরাং, বিরক্তি উৎপাদন করার কোন মানেই হয় না! বিকল্পের দুনিয়ায় বিকল্প খুঁজে নেওয়াটাই শ্রেয় বলে বোধ করি! ভালো থাকুক অতীতের ভালোবাসার মানুষগুলো! ভুল পদক্ষেপগুলো শিক্ষা হয়ে থাকুক স্বচেতনায়!
যখন ব্যর্থ হন তখন কি সমাজ এসে আপনাকে কোনো সান্ত্বনার বাণী কখনো শুনিয়েছে? আর্থিক অনটনের সময় কি সমাজ এসে একমুঠো চাল দিয়েও সাহায্য করেছে? এর উত্তর সবার জানা। সুতরাং, নিজের চরকায় তেল দিন। আপনার কর্মের হিসাব আপনাকেই দিতে হবে। অন্যকে নিয়ে বেশি ভাবতে গেলে আপনার বরাদ্ধকৃত সময়ের হিসাব আপনি কখনোই দিতে পারবেন না।
বন্ধুত্ব এমন একটি বিষয়, যে কথাগুলো বাবা-মাকে বলা যায় না তা বন্ধুকে অনায়াসে বলা যায়। কিন্তু, বন্ধুত্বের সবচেয়ে বড় শত্রু হচ্ছে সংকীর্ণ স্বার্থপর মানসিকতা ও অবিশ্বাস! একপাক্ষিকতা বন্ধুত্বকে খাদের কিনারে নিয়ে ঠেলে দেয় ঝুঁকিতে। এজন্য বন্ধুত্ব গড়ার পূর্বে আপনাকে শতবার ভাবতে হবে। গড়ে গেলে আর ভাবার সময় পাওয়া যায় না। জীবনটা একান্তই নিজের। সুতরাং, প্রতিটা পদক্ষেপ হতে হবে বোঝাপড়ার ভিত্তিতে। তানাহলে, এদেশে মীরজাফর, জগৎশেঠ, রায়দূর্লভ, ঘষেটি বেগম, ঊমিচাঁদ, খন্দকার মোশতাকের মত লোকের অভাব নেই। ইতিহাসে প্রাসাদ ষড়যন্ত্রগুলো কিন্তু প্রাসাদের লোকজনই করেছিল। কাছের মানুষগুলো যেমন ভালোবাসার অফুরন্ত উৎস হতে পারে; ঠিক তেমনি তারাই যুগশ্রেষ্ঠ প্রতারক, বেইমানও হতে পারে। ভাবুন, ভাবুন এবং ভাবুন! আবারো ভাবুন!