যতই আমরা চেষ্টা করি না কেন; ব্যক্তিগত ভাবে মহামারি মোকাবেলা করার একক কোন উপায় নেই। এটা সার্বিক অবস্থায় সর্বজনীন রূপ পরিগ্রহ করে। সর্বজনীন উপায়েই একে নির্মূল করতে হয়!
মানুষ মরে সাফ হয়ে যাবে! তবুও, সব আগের মতই চলবে! বিকল্পের দুনিয়ায় কারো জন্য কোন কিছু থেমে থাকে না! জীবিত মানুষগুলো আপনার বিকল্প খুব দ্রুত খুঁজে বের করে নেয়! এমনকি গর্ভধারীনি মা, তিনিও আবেগের বশবর্তী হয়ে কান্নাকাঁটি করলেও তারও বিকল্প খুঁজে নিতে হয়; বেঁচে থাকার তাগিদে!
আমাদের ইমোশনাল ও স্পিরিচুয়াল ডায়েটের প্রয়োজন! তানাহলে, দুনিয়াতে যতদিন বেঁচে থাকবো ততদিন নিজেকে উপলব্ধি করা সম্ভবপর হবে না।
একজন স্ব-চেতন মানুষ জীবিকার তাগিদের বাইরে নিজেকে সবচেয়ে বেশি সময় দেয়।
তিনটি কারণে মানুষ আপনাকে খুঁজে নেবে। এক. অর্থনৈতিক। দুই. মানসিক। তিন. শারীরিক। প্রত্যেকটা কারণের মধ্যে রয়েছে সুক্ষ্মাতিসুক্ষ্ম স্বার্থপরতা। বিনামূল্যে কিছুই পাওয়া যায় না। মানুষ যা পায় তার নূন্যতম মূল্য নির্ধারণ করে হলেও সেটা তুলে নেওয়ার চেষ্টা করে। আপনাকে স্বার্থপর হতে হবে দুটো কারণে। এক. কেউ যেন আপনাকে ক্ষতি করতে না পারে। দুই. আপনার দ্বারা কেউ যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সেটা বোঝার জন্য।