খুব ছোট করে বলার চেষ্টা করছি। গত কয়েক বছর ধরে ভারতে যে সকল আইন পাশ হয়েছে; সেটা প্রতিবেশী দেশগুলো ভালোভাবে নেয়নি। তাছাড়া, অভ্যন্তরীণ উগ্র জাতীয়তাবাদী রাজনৈতিক শক্তির উত্থানও প্রতিবেশী দেশগুলোকে চিন্তিত করে তোলে। এক সময় ভারত জোট-নিরপেক্ষ আন্দোলন করেছে। বর্ণবৈষম্যের বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিল। এমন একটা দেশের কাছে প্রতিবেশীরা ঐ ধরনের উগ্র জাতীয়তাবাদী আইন আশা করে না। নেপাল ভারত বিরোধী আইন পাশ করছে; যে নেপালকে ভারতের নিকটতম বন্ধু বলা হতো। বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের নাগরিকত্ব দেয়া, এনআরসি, ক্যাব নিয়ে একধরণের মনস্তাত্ত্বিক বিরোধ শুরু হয়; যদিও বাংলাদেশ ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয় বলে বাইরে এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছে; বাংলাদেশও ভারতের নিকটতম বন্ধুরাষ্ট্র বলে স্বীকৃত। পাকিস্তানের সাথে তো আজীবনের বৈরি সম্পর্ক। শ্রীলঙ্কার আন্তরিকতা নিয়েই প্রশ্ন রয়েছে ভারতের কূটনৈতিক শিবিরে; চীন-পাকিস্তান কেন্দ্রিক সামরিক নীতির কারণে। এছাড়া, মালদ্বীপের সাথেও রাজনৈতিক কারণে সম্পর্কের অবনতি ঘটে; ২০১৮ সালের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে। আসলে সব কথার এক কথা, দক্ষিন এশিয়া ক্রমবর্ধমাণ হারে চীন নির্ভর হয়ে পড়েছে। অন্যতম একটি কারণ হিসেবে ধরা যায়, ভারতে ক্রমবর্ধমাণ উগ্র জাতীয়তাবাদী রাজনীতির বিকাশ এবং আইন পাশ। প্রচার সর্বস্ব উগ্র জাতীয়তাবাদী রাজনীতির বিকাশ ও পররাষ্ট্র নীতির ব্যাপারেও প্রচার সর্বস্ব দলীয় ভাবনার কারণে এমনটা ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। (দ্বিমত হলে সভ্যভাবে তুলে ধরুন।)
দ্বিমত থাকতেই পারে—অবশ্যই দ্বিমতকে শ্রদ্ধা করি। আমি শুধু—আমার মতটুকুই প্রকাশ করি মাত্র। দ্বিমত হলে—সহনশীলতা ও সহিষ্ণুতার পরিচয় দিন।