আপনি কি বলছেন এটা বিষয় না। বিষয়টা হচ্ছে, আপনার কথা, কর্মকাণ্ড, চিন্তা-ভাবনা, আচার-ব্যবহার কেমন সেটা! মানুষ মরে গেলে, তার ব্যক্তিসত্ত্বা না থাকলেও এ ধরনের কিছু অবস্তুগত উপাদান তাকে ইহজগতে বাঁচিয়ে রাখে।
দ্বিমত থাকতেই পারে—অবশ্যই দ্বিমতকে শ্রদ্ধা করি। আমি শুধু—আমার মতটুকুই প্রকাশ করি মাত্র। দ্বিমত হলে—সহনশীলতা ও সহিষ্ণুতার পরিচয় দিন।