সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

শিখে যাবেন; চুপ হয়ে যাবেন


একদিন কথা না বলা শিখে যাবেন! বেঁচে থাকতে, টিকে থাকতে করণীয় নির্ধারণ করে ফেলবেন! সমন্বয়ের মত কঠিন বিষয় অভ্যাসিত হবে!

পৃথিবীতে বেঁচে থাকতে গেলে কত কিছুরই না সম্মূখীন হতে হয়! কিছু ভালো লাগা, না লাগা থাকবে! অসম্মতিচ কর্মেও অভ্যাসিত হবেন!

খারাপ লাগা নিয়ে কখনো-সখনো প্রতিবাদ করবেন! প্রাণ হরণের ভয়ে আবার কখনো-সখনো গুটি-সুটি হয়ে চুপ হয়ে যাবেন।

এক সময় গিয়ে অন্যায় দেখতে দেখতে অভ্যস্ত হয়ে যাবেন! তখন বলদের মত নিষ্কাম হয়ে ভিন্নতা দেখেও জাগবে না কাম! পড়ে থাকবেন এক ধামে! খাম্বার মত দাড়িয়ে হাম্বা ডাক ভুলে যাবেন! অর্থাৎ, অন্যায় দেখেও অভ্যস্ত হয়ে যাবেন; কিছু না বলতে! মানব সত্ত্বা হারিয়েও মানব রূপে থাকবেন!

রোবটের মত ইনস্টল করা কিছু প্রোগ্রামই হবে চর্চিত জীবনের আচরিত ব্যবস্থাপত্র! অগত্যা রক্ত-মাংসের মানব-রোবট হয়ে থাকবেন ভূবন মাঝারে!

এ জগতে চাইলেও অনেক মহৎ কর্ম নিষ্ক্রিয় হয়ে যায়! সুস্থ বিকাশের পথ রূদ্ধ হয়ে যায়; হৃদপিণ্ডের রক্ত সঞ্চালনের তাগিদে!

যেখানে সবাই ভোগ-উপভোগ করে সুযোগে, সেখানে নিজেকে বঞ্চিত করা বোকামী বঁটে! একদিন এটাও শিখে যাবেন! এখানে মানব-কল্যাণ ভাবনা তিরোহিত!

নিজের চরকায় তেল দেয়ায় শ্রেয় ভাবনা হয়ে ওঠে! না থাকলে ধাম, জাগে না কাম! অন্যায় এখানে চরাচর!

ডিঙিয়ে চলার অভ্যাস দৈনন্দিন চর্চার ব্যাপার! চিন্তারাজ্যে জুগুপ্সার চর্চা চলে নিত্য! তাল-বাগানে খেজুর গাছ ধর্তব্যে আসে না! সুতরাং, এতশত সুচিন্তা, সৎ-ভাবনা দিয়ে কি হবে!

সুচিন্তা, সৎ-ভাবনা ছাড়া বিকল্প না থাকলে পাগল হয়ে যান; তবে বোকা নয়! পাগল কখনো বোকা হয় না। আর বোকা কখনো পাগল হয় না! পরিজ্ঞাত ব্যাপার! পাগল ছাড়া দুনিয়া চলে না! বোকারা ধর্তব্যে আসে না!

সহযোগ ভাবনা আকাশ-কুসুম ব্যাপার, উপযাচিত বিষয়! থাকলে তা অপ্রকাশিতব্য! নইলে হরণ, বরণ অনেক কিছুই হবে! হয়ে যাবেন পর্ণমোচী!