৭৮৬. সামাজিক জীবনে প্রতিযোগিতা নয়; সহযোগিতাই সামাজিক মানুষ তৈরি করে।
৭৮৭. ওরা ডাক্তার হওয়ার জন্য পড়েনি; ডাকাত হওয়ার জন্য পড়েছে। যে সকল মহৎ ডাক্তারগণ পৃথিবীর এই ক্রান্তিলগ্নে আত্মমানবতার সেবাই কাজ করছেন; জীবনের ঝুকি নিয়ে। তাদেরকে জানাই বিনম্র শ্রদ্ধা।
৭৮৮. জন্ম অনিশ্চিত হলেও, মৃত্যু অনিবার্য। তাই মরনকে ভয় না পেয়ে সঠিকটা বলে ফেলুন; আপনার যা বলার আছে। ঠিক কাজটা করে ফেলুন; যা করতে মন চায়।
৭৮৯. দেশটা সুন্দর হলেও, বেশিরভাগ মানুষই ভালো না! করোনা মাস্ক পরিয়ে আচার-ব্যবহার, চরিত্রের মুখোশ উন্মোচন করে দিয়েছে।
৭৯০. আমলারা সরকারের অংশ। দলের নয়। যদিও তারা দলীয় পরিচয় গড়ে তুলে ফায়দা লোটার চেষ্টা করে। কিন্তু, দিনশেষ তারা আমলা বা সরকারী কর্মকর্তা-কর্মচারী বলে পরিচয় দিয়ে গর্ববোধ করে। এবং এটাই সত্য যে তারা, আমলা।
৭৯১. এত অসৎ, অসভ্য জাতি নিয়ে আসলে খুব বেশি দূর আগানো যায় না। ফায়ার সার্ভিস জনগণের কল্যানে কাজ করে। এদেরকে মারলো! আফ্সোস! নিজের জীবন বাজি রেখে ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা মুমূর্ষু মানুষদের রক্ষা করে। তাদের উপর বর্বররা হামলা চালিয়েছে! ছিহ্!
৭৯২. ফু-ফা, তন্ত্র-মন্ত্র পড়ে লাভ হবে না। সমস্যা মনে হলে হাসপাতালে চলে যান। আসুন, সচেতন হই! মিথ্যা-প্রশান্তি মহা-বিপদের কারণ হতে পারে।
৭৯৩. ফু-ফা, তন্ত্র-মন্ত্র পড়ে লাভ হবে না। সমস্যা মনে হলে হাসপাতালে চলে যান। আসুন, সচেতন হই! মিথ্যা-প্রশান্তি মহা-বিপদের কারণ হতে পারে।
৭৯৪. করোনা নিয়ে বাঙালির কাণ্ড দেখে নির্বাক হওয়ার পথে!
৭৯৫. সেলুকাস! করোনা একবার যদি গ্রামে ঢোকে, গাছের পাঁকা আমের মত টপাটপ পড়বে। কথায় আছে, বাঙালি না মরলে সোজা হয় না।
৭৯৬. কিছু মানুষের জন্মই হয়েছে বিরোধীতা আর সব কিছু তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করার জন্য। এরা কথা-কর্ম মুখে নেয়; মাথায় নেয় না। উহারা বুঝি আবাল।
৭৯৭. দেশ লকডাউন করার আগে নিজেই নিজেকে ঘরে লকডাউন করে রাখুন। এমনিতেই দেশ লকডাউন হয়ে যাবে।
৭৯৮. সেল্ফ লকডাউন করুন; নিরাপদ থাকুন।
৭৯৯. অযথা স্মার্ট হতে গিয়ে বাজার অস্থিতিশীল করার কোন কারণ নেই। যেটা বেশি কার্যকর সেটাই ব্যবহার করুন। কাপড় কাচা সাবান খুবই সহজপ্রাপ্য এবং এটার কৃত্রিম সংকটও নেই। সুতরাং, আতলামি করে আতেল হওয়ার কোন দরকার নেই। আবালিপনা ছেড়ে জাতিকে মুক্তির নিঃশ্বাস নিতে দিন।
৮০০. এ এক নীরব যুদ্ধ, বিশ্বের কোটি মানুষকে বাঁচানোর ছলনায় যা বিশ্ব শাসনের এক লড়াই বলা যায়।
৮০১. সবাই সেলিব্রিটিদের ভক্ত। কিন্তু, যাদের গালি দিই, দালাল বলি; বিপদের মূহুর্তে তারাই সরেজমিনে বিপদের বন্ধু হয়ে কাজ করছে।
৮০২. যে যার বিশ্বাসের আবরনে করোনা-১৯ কে দেখছে। দেখতে হবে মৌলিক গবেষণা কি বলছে। বাকি সব ফেলনা।
৮০৩. বাড়ছে। বাড়বে। না বাড়ুক। এক সময় আমরা বলেছিলাম, চীনের লোকজন এটা খায়, ওটা খায়। আমরা হালাল বস্তু ভক্ষন করি। 'নগর পুড়িলে দেবালয় এড়ায় না।' সুতরাং, সময় থাকতে সচেতন হই; সচেতন করি।
৮০৪. একজন ব্যক্তির হাতে কোয়ারেন্টিন সিল মারা। ছবিটা দেখে শিহরিত হলাম! মানুষ কত বেহায়া হতে পারে। অসভ্য হতে পারে। কোয়ারেন্টিনে থাকার কথা; দিব্যি টিকিট কেটে বাড়ি যাচ্ছে। স্বজাতির মধ্যে এমন ক্ষতিকারক কীটপতঙ্গ! কতজনকে যে ছড়িয়েছে তার ইয়াত্তা করতে পারবেন? অনেকে বলে পড়ালেখা শিখে কি হবে, দেশে চাকরি নাই। তাদেরকে বলছি, অশিক্ষিত জনগোষ্ঠীর পরিস্থিতি কেমন হতে পারে সময় বলে দেয়। শিক্ষা শুধু জীবিকার বাহন নয়। প্রকৃত শিক্ষা মানুষকে আলোকিত করে, সভ্য করে।
৮০৫. সবাইকে বলা হচ্ছে বাড়ি থাকার জন্য। এর মধ্যে কিছু মানুষ সচেতনতার নামে হাল্কা ধরনের গণজমায়েত সৃষ্টি করছে। প্রশাসন বাদে সবাই ঘরে থাকুন।
৮০৬. "নগর পুড়িলে দেবালয় এড়ায় না।" সুতরাং, নিজে সাবধান হোন। অপরকে সচেতন করুন। ঘরে থাকুন, নিরাপদ থাকুন। ঘরে থাকুন, সুস্থ থাকুন।
৮০৭. গুজব ছড়াবেন না, গুজব ছড়াতে সহায়তা করবেন না। এটি জঘন্য অপরাধ। গুজব আপনার, আমার, সবার জন্যই ক্ষতিকর। গুজব প্রতিরোধে সচেতন হই।
৮০৮. উন্নত বিশ্বের লোকদেরও সমস্যা হয়; আমাদেরও হয়। পার্থক্য শুধু তাদের দেশের জনতা ফালতু সমালোচনা করে সময় নষ্ট না করে সমাধান খোঁজে। আর আমরা বসে বসে অযথা সমালোচনা করি। নিজের কাজ না করে, দায় চাপিয়ে দিই অন্যের ঘাড়ে। আসুন কাজ করি; অযথা সমালোচনা না করি। জাতির ক্রান্তিলগ্নে নিজেরা সচেতন না হলে চরম মূল্য দিতে হতে পারে।
৮০৯. ফুটানি মারার সময় ফুরিয়ে আসছে! অপেক্ষা করুন আর দেখুন কি হয়! ইরানের চেয়ে খারাপ হতে পারে অবস্থা! কারণ, বাঙালি মুখের উপর চলে! সব ভালোবাসা উবে যাবে খুব দ্রুত।
৮১০. আমাদের চিকিৎসার উপর নির্ভর না করে, যাতে আক্রান্ত না হই, সেদিকে বেশি জোর দিতে হবে। ঘনবসতি দেশ, সামান্য ভুলে সব লণ্ডভণ্ড হয়ে যাবে।
৮১১. করোনা ধর্ম-বর্ণ, দেশ-কাল, জাত-পাত কিছুই দেখে না। সুযোগ পেলে সবাইকে সংক্রমিত করে। সুতরাং, ঘরে থাকুন; সুস্থ থাকুন; সুস্থ রাখুন।
৮১২. এই সুযোগে কেউ কেউ নিজের সস্তা জনপ্রিয়তা ঝালিয়ে নিচ্ছে! সেলুকাস বাঙালির কুম্ভীলকবৃত্তীয় উলঙ্গ-ভাবনার বিনোদন নিতে নিতে ক্লান্ত পথিক। রসিক বাঙালির রসের ভাড় উপুড় হয়ে যায় ইস্যু পেলে।
৮১৩. আমরা গন্ধ মধুর কর্দম।
তাম্বূলের পরশে রাতুল।
মোরা না পদ্ম, না তাম্বূল।
৮১৪. আসুন কথা না বলি।
৮১৫. করোনা; সুযোগ পেলে, কাউকে ছাড়বে না। সুতরাং, বোধের পারদে শান দিন।
৮১৬. কেউ ত্রান চুরি করে। আইন-শৃংখলা বাহিনী তাদের ধরে। কিছু মানুষ ত্রানের নামে সেলফিবাজি আর ফটোশূট করে। মূর্খতার কোন শেষ নেই এদেশে।
৮১৭. সবাই ঘরে বসে থাকলেও বিজ্ঞান বসে নেই। বিজ্ঞানাগার গুলোও ব্যস্ত। মানবজাতির ক্রান্তিলগ্নে বিজ্ঞান দ্রুত গতিতে সবচেয়ে সেরা প্রতিষেধকটি তৈরির কাজ করে যাচ্ছে। আশা করি, বিজ্ঞানের কল্যাণে দ্রুতই আমরা এই মহামারির কবল থেকে মুক্ত হতে পারবো।
৮১৮. বাঁচতে ও বাঁচাতে চাইলে প্রশাসনিক বাধ্যবাধকতা না থাকলে স্ব-উদ্যোগে এলাকার গণ্যমান্য লোক নিয়ে নিজ এলাকা লকডাউন করে দিন।
৮১৯. মহামারি নিয়ে আতঙ্কিত না হয়ে করণীয় নির্ধারণ করাটাই মূখ্য কাজ।
৮২০. বিশ্বব্যাপী মহামারির রূপ নেওয়া করোনাভাইরাস ঠেকানোর এখন পর্যন্ত কার্যকর উপায় ব্যক্তিগত সতর্কতা ও পরিচ্ছন্নতা।
৮২১. বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি নিত্য গণজমায়েত হয় বাজার এবং ধর্মীয় উপাসনালয় গুলোতে। আরো আগে এগুলো বন্ধ করা উচিত ছিল। কিছু বোকা মানুষ এটা বোঝে না যে পরিস্থিতি শান্ত হলে আবারও তারা এসব যায়গাগুলোতে জমায়েত হতে পারবেন। তাছাড়া অভ্যন্তরীণ চলাচলের নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত না করতে পারলে পরিস্থিতির ভয়াবহতা অপেক্ষা করছে। কথায় আছে, চোরা না শুনে ধর্মের কাহিনী। করোনাও তাই। সুযোগ পেলে সবাইকে সে সংক্রমিত করে। যেকোন বিষয় নিয়ে অতি বাড়াবাড়ি ঠিক নয়। যথার্থ করণীয় নির্ধারণ করে এগিয়ে যাওয়াটাই সভ্য মানুষের কাজ। আসুন, নিজে সচেতন হই। অপরকে সচেতন করি। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার নিয়ম মেনে চলি। করোনা মুক্ত জীবন গড়ি।
৮২২. করোনা ভাইরাস দুনিয়ার কিছু মানুষ ভাইরাসের মুখোশ খুলে দিয়েছে। এখানে কেউ কুশিক্ষিত মূর্খ-বাঁচাল-ভণ্ড; কেউ কুশিক্ষিত চোর-বাটপার-চিটার!
৮২৩. ইদানিং দেশে ছাগলের উৎপাত বেড়ে গেছে! জ্যৈষ্ঠের খররৌদ্রে মাঠে বাধা ছাগলের মত শুধু বিরক্তিকর ব্যা ব্যা ছাড়া কিছুই করতে পারে না তারা!
৮২৪. এই পৃথিবীতে একজনের সাথে আরেকজন মানুষের পার্থক্য হয় তার কর্মের মাধ্যমে । আর যেকোনো কাজের প্রতি কারও আবেগ আর কর্মোদ্যম থাকবে তখনই যখন তার প্রয়োজনীয়তা ও শূন্যতাবোধ থাকবে ।
৮২৫. প্রশ্ন করতে শিখুন; সঠিক যায়গায়, সঠিক পরিমাপে। তাহলে দেখবেন, প্রয়োজনীয় ব্যাপারগুলো ছাড়া সব নাই হয়ে গেছে।
৮২৬. সুচিন্তায় মানুষ হ!
৮২৭. হিপোক্রেট লোকজন থেকে দূরে থাকুন। তাদের একটাই কাজ, নিজেরা ভালো হোক বা না হোক অন্যদেরকে প্রতিনিয়তই শোধন বাণী দিয়ে যায়। এরা অসভ্য! এরা ভোগবাদী; স্বার্থপর! যথার্থ কথা-কাজ এদের থেকে আপনি কখনোই প্রত্যাশা করতে পারেন না! সেটা আপনার ভুল হবে। এদের দ্বারা সময় নষ্ট ছাড়া কিছুই হয় না। তাই এদের থেকে বেশি বেশি সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখুন।
৮২৮. মানুষ তার চিন্তার সমান বড়। আপনার চিন্তার জগৎ যত বড়, আপনার পৃথিবীটাও ঠিক তত বড়। আপনার চিন্তার জগৎ পড়ালেখা, জানা-বোঝা-উপলব্ধির সমান বড়।
৮২৯. ডান আর বাম, খেয়ে-দেয়ে নেই কোন কাম। আপদকালে চেনা যায় তাদের ধাম! চিনে রাখুন, চিটার-বাটপার-ভণ্ড-উল্লুক প্রাণীগুলোকে! পরে কাজে দিবে। সময় গেলে সাধন হবে না!
৮৩০. ধর্মান্ধরা নিজে মরে, আরো শত মানুষের মৃত্যুর ব্যবস্থা করে যায়! অশিক্ষার চেয়ে কুশিক্ষা ভয়ঙ্কর!
৮৩১. চুদুরবুদুর করবা না! যুক্তি-তথ্য দে কতা কবা। ত্যাঁনা প্যাঁচাবা না!🤔 অসভ্যতা বাড়ি রেখে আসবা।
৮৩২. পুরোনো কথা,
পুরোনো গীত।
যুগের বহরে হয়ে
যায় সব মিথ।
৮৩৩. মর! জ্ঞাতি-গোষ্ঠী নিয়েই মর! মরে সাফ হয়ে যা! তবুও, আইন মানা শিখিস না! অসভ্যই থেকে যা!
৮৩৪. আগামীর গান গেয়ে যারা দেয় প্রাণ,
তারা পায় সেরা সম্মান।
আর যারা দেয় পিছুটান,
তারা হারিয়ে যায় সাগর সম-অসমান।
৮৩৫. যা করবেন, সেটা নতুন কিছু। যদি সেটা ইতিবাচক হয়।
৮৩৬. যদি সম্মান দাবি করেন; তবে, সম্মান করুন বা করতে শিখুন। আমরা বলি মানুষ সামাজিক জীব। কিন্তু মানুষকে সামাজিক জীব হিসেবে টিকিয়ে রেখেছে বিনিময় প্রথা। পদ্ধতিগত পরিবর্তন ঘটলেও বিনিময় প্রথা টিকে আছে স্বমহিমায়। এ জগতে কেউই অযথা ভালোবাসে না। তার মধ্যে কোন না কোনভাবে বিনিময় শব্দটা লুকিয়ে থাকে। প্রকাশ্য বা অপ্রকাশ্য।
৮৩৭. একই জিনিসে বারবার আঘাত করলে শক্ত পাথরও ভাঙে।
৮৩৮. যদি কারো প্রতি রূঢ় আচরণ প্রদর্শন করেন। তবে, ইট মেরে পাটকেল খাওয়ার জন্যও প্রস্তুত থাকবেন।
৮৩৯. চিন্তা ও কর্মে প্যারাসাইট বা পারগাছা হয়ে বেঁচে থাকার চেয়ে না জন্মানোই ভালো।
৮৪০. পরজীবী লোক কখনোই সভ্য হয় না।