সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

প্রণোদনার আরো বেশি সমন্বয় জরুরিঃ দেশ ও দশের জন্য



যারা ঘোষিত প্রণোদনার সুবিধা পাবেন তারা প্রায় সবাই একই ঘরানার লোক। সমাজের ধনিক-বনিক লোক এবং তারাই গার্মেন্টসসহ বিভিন্ন কল-কারখানর মালিক, ব্যাংকের মালিক, এমপি, মন্ত্রী, তারাই আবার সম্ভাব্য ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী। ফলে সাধারণ মানুষ এই প্রণোদনা প্যাকেজের সুফল পাবে না বলে বোধ করি। এমনকি শর্ত পূরণের অজুহাতে অধিকাংশ ক্ষুদ্র এবং আংশিক মাঝারি শিল্পগুলোরও প্রণোদনা থেকে বঞ্চিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।


এটা আমার একান্তই ব্যক্তিগত জানা-শোনা-উপলব্ধির অবস্থান থেকে বলছি। প্রণোদনার সার্বিক সমন্বয় জরুরি। যাতে করে দেশের আপামর জনতা তার সুফল ভোগ করতে পারে।


অচল অর্থনীতির চাকা সচল করতে হলে ব্যবসা-বানিজ্যের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের জীবন যাত্রার মানের সমন্বয় ছাড়া আগানো অসম্ভব। কারণ, মাঁকাল ফল দেখতে সুন্দর হলেও তা খাওয়া যায় না। সুতরাং, সব কিছুর সমন্বয় করে এগিয়ে নেয়া ছাড়া বিকল্প নেই।


সাধারণ মানুষের চাহিদা খুব বেশি না। তারা নিত্য জীবনে অভ্যস্ত। সুতরাং, প্রযুক্তির সহায়তায় তাদের হাতে নগদ প্রণোদনা পৌছানোর ব্যবস্থা করাটাই সমীচীন বলে মনে করি। এটাতে তৃণমূল পর্যায়ের দূর্নীতিও হ্রাস পাবে। এক ঢিলে দুই পাখি মারা হবে।


প্রণোদনার প্যাকেজ সমূহ এমনভাবে ঢেলে সাজানো দরকার যাতে করে সাধের লাউয়ের আগা-ডগা খেয়ে ডুগডুগি বানিয়ে, বাঁজিয়ে মন-মেজাজ ফুরফুরে করে সার্বিক উন্নয়নের অগ্রযাত্রায় সকলের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা যায়।