সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

নর-সারমেয়


শুনেছি কার্তিকে সারমেয় হন্যে হয়।
তুমি কাপুরুষ হন্যে কি সব সময়?
বিমোহিত করে সঙ্গীকে সারমেয় ।
হন্যে হয়েও সে এটা করে প্রমেয়।
দোহায় দিয়ে কুযুক্তির রাসলীলায়,
তুমি নির্লজ্জের মত ঝাপিয়ে হামলায়,
অজ্ঞাতকে বানাও শিকার অবলীলায়।
কুত্তার চেয়ে মন্দ তুমি, ধীক্কার জানাই।
তোমার চেতনার দণ্ড কি এতটাই দূর্বল?
খাড়া হয় দেখলে নারী; ফলাও পশুবল।
কিসের মানব হে! তোমার আছে পশুত্ব।
পারো না রুখতে অশিষ্ট থেকে স্ব-দূরত্ব।
কখনো তুমি চক্ষু পীড়ক, কখনো ধর্ষক।
নারী দেহ ভক্ষক, না মা-বোনের রক্ষক।
এ সামাজিক ব্যাধি, অসুস্থ সমাজ দায়ী।
ধর্ষনের মর্মপীড়া বুঝে ভুক্তভোগী নারী।
ধর্ষণ রুখতে সবার মানুষ হওয়া জরুরী।
আফ্সোস, মানবের বজায় আছে পশুত্ব।
মানুষ হ! চর্চায় মানবিক গুণাবলি মনুষ্যত্ব।
মানবতা জাগা! দূর কর্ চিত্তের অধীনত্ব।
ধর্ষিত হলে তোমার মা-বোন বা আত্মীয়।
বাদ দিবে তবে খোঁজা ধর্ষণের কারণতত্ত্ব।
সেদিন বিচার চেয়ে জ্বলবে তব পরিবার।
ধর্ষিতা মা-বোন পাবে যবে সমাজ-ধীক্কার।
বুঝবে তখন! থাকবে না আর কিছু করার।
ধর্ষিতা নানা হেনস্থার শিকার, যাতনা-বরণ।
তার পরিবার ভোগে অন্যের কটুকথা-ত্বরণ।
ধর্ষক-পীড়কের হেসে-খেলে দিন-গুজরান।
বিচারের নামে ধর্ষিতা হয় অন্যদফা অপমান।
নিঠুর সমাজ ধর্ষিতাকে করে কোটিবার ধর্ষন।
অনেক ভুক্তভোগী শ্রেয় মনে করে মরন-বরণ।
ধর্ষক করে মহা অপরাধ; সমাজ গুণে প্রমাদ।
ধীক্কার ধীক্কার ধর্ষক-সমাজ নিপাত, মুর্দাবাদ!
সময় গেলে হবে অসাধন; চাপড়াবে পা-হাত।
কালে করো সবে মিলে এ অন্যায়ের প্রতিবাদ।