ছাত্রলীগের অর্জনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার অপচেষ্টা করলে পরিণতি হবে ভয়াবহ; ছাত্রলীগ রক্ত দিতে জানে; ভয় করি না মরণে
অন্যরা অপরাধ করলে ফেসবুকে এসে মিনমিন করে শাস্তির দাবি পেশ করে কেটে পড়েন। আর ছাত্রলীগ যখন রাজনৈতিক প্রতিবাদ করতে গিয়ে দু'একটা দুর্ঘটনার শিকার হয়, তখন স্টেজ বানিয়ে ছাত্রলীগকে নিষিদ্ধ করার অপরাজনীতি শুরু করে দেন। বুঝলাম না! মাথায় সমস্যা নাকি মাথা গোবরে ভরা! নাড়া দিলেই গোবর পঁচা গন্ধ বের হয়! নাকি ওয়াশকৃত মাথায় প্রযুক্তির ছোয়ায় সৃজনশীল দালালীর ছাপ। দালালী কম করেন; মিয়া। বাইরে বলেন আমরা আওয়ামী পরিবারের লোক। আবার কথায় কথায় আওয়ামী লীগের বিরোধীতা করেন। সমস্যায় পড়লে সবাই আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ হয়ে যায়। ফাজলামি করেন! আওয়ামী লীগের আদর্শ মানেন না, আবার আওয়ামী লীগের নীতি ও কর্মকাণ্ডের ভুল ধরেন; মিয়া। আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগের গঠনতন্ত্রের পাঠ নিয়েছেন কখনো? কথা তো পঁচা নর্দামার চেয়েও বাজে। সেখান থেকে সঠিক তথ্য বের হওয়া কল্পনা বিলাসিতা ছাড়া কিছু না জানি। তবুও, বলছি, আপনার মতো চ্যাটের বালকে ছাত্রলীগ ধর্তব্য মনে করে না। ছাত্রলীগের যা অর্জন তা ভুলেও মুছে ফেলার অপচেষ্টায় লিপ্ত হলে অপশক্তির হাত ভেঙ্গে গুড়িয়ে দেওয়া হবে। স্বাধীনতা বিরোধীরা নানান কৌশলে ছাত্রলীগের অর্জনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার পাঁয়তারা চালাচ্ছে। অনেক সময় তারা অপরিশোধিত তেলের ব্যবহারে তেলেসমাতি কাণ্ড ঘটিয়ে ফেলছে। আফ্সোস, হয়! কাদের জন্য স্বাধীনতা যুদ্ধে ছাত্রলীগ তার অগনিত নেতাকর্মী হারিয়েছিল। আজকে চিল-শকুনের দল ছাত্রলীগের অর্জনকে কৌশলে হস্তগত করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। স্বাধীন বাংলাদেশে প্রতিনিয়তই পাকি-আত্মা অপশক্তির হাতে নৃশংস হত্যাযজ্ঞের শিকার হচ্ছে ছাত্রলীগের নেতাকর্মী। ছাত্রলীগের আদর্শকে খুবলে তুলে ফেলার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। ছাত্রলীগ কোন সম্পত্তি/ জড় বস্তু না; যার যেভাবে ইচ্ছা ব্যবহার করতে পারবে, সময়মত প্রতিরোধের সুর বাজবে। ছাত্রলীগ একটি আদর্শের নাম, একটি প্রেরণার নাম; যে আদর্শের প্রণেতা স্বাধীনতার রূপকার, যাকে ছাড়া বাংলাদেশ কল্পনা করা আর বাংলাদেশের ইতিহাস অস্বীকার করা এক; তিনি মহান নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ছাত্রলীগের আদর্শিক সন্তানদের সচেতন হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি!