সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রবেশ করলে, একটা বিষয় খুবই অবাক লাগে। সেটা হচ্ছে, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস, স্বাধীনতা দিবস এবং বিজয় দিবসসহ জাতির ঐতিহাসিক গৌরবময় মহান দিবসগুলোতে সবাই শুভেচ্ছা বার্তা ও স্মৃতিচারণার নামে যাচ্ছে-তাইভাবে নিজের মনগড়া চেতনায় বাংলা ভাষার ব্যবহার করে। এটা তো অত্যন্ত দুঃখজনক ঘটনা। তাছাড়া আরো দুঃখের ব্যাপার হচ্ছে, বাংলা ভাষার ব্যবহারে শুধু এই দিনগুলো তাদের কাছে প্রধান হয়ে ওঠে। অন্য দিনগুলোতে তারা বাংলা ভাষার ব্যবহার এমন বিকৃতভাবে করে, যেটা দেখলে মর্মাহত হওয়া ছাড়া কিছুই করার থাকে না। নতুন প্রজন্ম মাঁকাল ফলের মত বেড়ে উঠছে। দিবসগুলো তাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ হলেও, দিবসের প্রতিপাদ্য ও চেতনাগত বিষয়গুলো তিরোহিত। বার্তা আদান-প্রদানের মাধ্যমগুলোতে তারা বাংলা ভাষার চরম বিকৃতি ঘটিয়ে ব্যবহার করছে। এটার আবার নাম দিয়েছে বাংলিশ। ছিহ্, লজ্জা থাকা উচিত! যে ভাষার দাবি নিয়ে বীর শহিদেরা প্রাণ দিয়েছিল, সেই ভাষার এমন বিকৃতি মেনে নেয়া যায় না। আসুন, আমরা দৈনন্দিন জীবনের সর্বত্র বাংলা ভাষার সঠিক ব্যবহারে তৎপর হই। জাতি হিসেবে নিজেদের আত্মমর্যাদাকে সমুন্নত রাখতে সচেষ্ট হই।
দ্বিমত থাকতেই পারে—অবশ্যই দ্বিমতকে শ্রদ্ধা করি। আমি শুধু—আমার মতটুকুই প্রকাশ করি মাত্র। দ্বিমত হলে—সহনশীলতা ও সহিষ্ণুতার পরিচয় দিন।