সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

শিক্ষার্থী নির্যাতন গর্হিত কাজ


হাট-বাজার, রাস্তা-ঘাটে কেউ কাউকে মারলে, সেটা হয়ে যায় মারামারি, অসভ্যতা, অন্যায় আঘাত; অপরাধও বঁটে। আর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থী মারলে সেটা হয়ে যায় শিক্ষা সহায়ক। যেকোন ধরনের মারামারিই অসভ্যতা, অন্যায় আঘাত; এমনকি অপরাধও। মনোবিজ্ঞানের একটি পরিভাষা হচ্ছে, যোগাযোগ বৈকল্য। শিক্ষার্থীর সাথে শিক্ষকের এটা হতে পারে। শুধরে নেয়ার দায়িত্ব শিক্ষকের। অবুঝ শিশুর বুঝ্ দানের দায়িত্ব নিয়েছেন; দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করুন। নিজ ব্যর্থতার দায় শিক্ষার্থীর উপর চাপাবেন না। দিন বদলেছে। মূর্খতা, মূঢ়তা দিয়ে পৃথিবী দেখার দিন শেষ। জানেন তো দায়িত্বজ্ঞানহীন লোক পশুর সমান। চোর-বাটপারও কিন্তু স্বপক্ষে আদলতে বা প্রকাশ্যে শক্তিশালী যুক্তি দেয়। তাই বলে কি তারা যা করে সেটা ভালো কাজ; নিঃসন্দেহে গর্হিত কাজ। সব যুক্তিই যুক্তি নয়। কিছু যুক্তি খেলনা গাড়ির মত। কিছু তার কুযুক্তি/ কুতর্ক। কুযুক্তি/ কুতর্ক থেকে দূরে থাকুন। পৃথিবীকে দেখুন নতুন আলোয়।