জগতে দু'ধরনের মিথ্যুক অনেক বেশি ভয়ঙ্কর। এক. প্যাথলজিক্যাল লাইয়ার। দুই. মিথলজিক্যাল লাইয়ার। প্যাথলজিক্যাল লাইয়ার তার চিন্তা-চেতনা থেকে শুরু করে অর্থাৎ আপাদমস্তক সে মিথ্যাবাদী। তবে, সে সাধারণত বৈষয়িক ব্যাপারগুলোতে মিথ্যায় রং-ঢং মাখিয়ে ত্যাঁনা-পেঁচিয়ে সত্যের রূপ দেয়। এমনভাবে সে এটা করে, বিশ্বাসী মানুষ খুব সহজে বিশ্বাস করে ফেলে। নিরীক্ষাধর্মী লোক এদের মিথ্যা খুব সহজেই ধরতে পারে। মিথলজিক্যাল লাইয়ার ফুলানো-ফাপানো কল্প-কাহিনীর মাধ্যমে লোভ ও ভয় দেখিয়ে নিজস্ব অথবা গোষ্ঠীর ভাবনাগুলো জোর করে অথবা কৌশলে প্রতিষ্ঠা করে ব্যক্তিস্বার্থ ও গোষ্ঠীস্বার্থ হাসিল করা এবং অপরপ্রান্তের লোকগুলোকে অযৌক্তিক প্রশান্তির বাণী দিয়ে ঠাণ্ডা করে রাখার অপচেষ্টাকারী। এদের ব্যাপারে কথা বলা মুশকিল। এরা সাধারণত নিম্নবর্গীয় অসভ্য ধরনের। অনেক বেশি ভয়ঙ্কর। বৃহৎ পরিসরে ক্ষতি করতে পারে। যা ভাবনার বাইরেও হতে পারে। এদেরকে বুঝতে ধূর্ত হওয়া লাগে না, তবে এদেরকে থামাতে পারবেন না সহজে; অনেক বড় প্লাটফর্ম না থাকলে নীরবে সহ্য করা লাগে। অনেক সময় জীবনহানিকর ঝড়, বন্যা, ভূমিকম্পের চেয়ে এরা ভয়ঙ্কর। এমনকি হিংস্র পশুর মত ক্ষেত্র বিশেষ। বেশিরভাগ সময় ভিন্নমতকে ছিড়ে ফেলে বা তা করতে জোর প্রচেষ্টা চালায়।
দ্বিমত থাকতেই পারে—অবশ্যই দ্বিমতকে শ্রদ্ধা করি। আমি শুধু—আমার মতটুকুই প্রকাশ করি মাত্র। দ্বিমত হলে—সহনশীলতা ও সহিষ্ণুতার পরিচয় দিন।