সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

জীবনের যুদ্ধটা জারি থাক বন্ধু; নিজের ও অন্যের জন্য


বরাবরই পড়ালেখার প্রতি অন্যরকম এক আগ্রহ ছিল আমার। গ্রামের লোকজন টিটকারি করে বলতেন, 'অত লেখাপড়া করে কি হবে? চাকরি পেতে ঘুষ লাগে! বাপের ঘুষের টাকা দেওয়ার যোগ্যতা কোথায়? তারচেয়ে বাপের সঙ্গে কাজ কর। সংসারে দু'টাকার যোগান হবে!' এসব কথায় একটুও দমে যায়নি। অনেক কষ্ট করে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ইতিহাস বিভাগে যায়গা করে নিয়েছিলাম। টাকা-পয়সার সংকট তো সব সময় আছে। কিন্তু, স্বপ্নগুলোকে কখনো হত্যা করিনি। সাহস নিয়ে এগিয়ে গিয়েছি, যাচ্ছি; প্রতিনিয়ত। আব্বা, যতটুকু পারেন সহযোগিতা করেছেন, করছেন। এখন সময় এসেছে তাকে সহযোগিতা করার, তার সম্মান ফিরিয়ে দেয়ার। তাই, জীবনযুদ্ধের কৌশলটাকে আরো বেশি ডিপ্লোমেটিক/ কৌশলী ও ইতিবাচক করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।