সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

হুজুরদের মারামারি, ক্ষমতা ও মতের দ্বন্দ্বে সাধারনের নাজেহাল অবস্থা ও বাস্তবতা


হুজুররা নিজেরা নিজেরাই মারামারি করে। নিজেরা পরস্পর হিংসাত্মক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত। এ পরিস্থিতিতে এরা দেশ পরিচালনা করবে, এটা আকাশ-কুসুম কল্পনা ছাড়া কিছুই নয়। এদেশের অধিকাংশ মানুষ এখনো সিভিলিয়ান রাজনীতিতে বিশ্বাস করে। কারণ সবাই জানে ইউরোপ-আমেরিকা এক সময় উগ্র-ধর্মীয় রাজনীতির (উগ্র-ধর্মীয় রাজনীতির সাথে অনুসারীকেন্দ্রিক সামরিকায়ন প্রত্যক্ষ-পরোক্ষভাবে জড়িত) খপ্পরে পড়ে ধ্বংসের দারপ্রান্তে উপনীত হয়েছিল। সবচেয়ে বড় কথা, সকল ক্ষমতার মালিক আল্লাহ। তিনি যাকে ভালোবাসেন তাকে ক্ষমতা দিয়েছেন। সুতরাং, বাংলাদেশে নারী নেতৃত্বের গজব পড়ে নাই। গজব পড়েছে আপনাদের ওপর। আপনারা মারামারি করে ধর্মীয় অনুভূতির বারোটা বাজিয়ে দিচ্ছেন। আর দোষ দেন অন্যের ঘাড়ে। মানুষকে বোকা বানাতে পারেন। কিন্তু, মহান আল্লাহ সর্বজ্ঞ। তিনি ঠিকই সঠিকটা নিরূপণ করবেন; নিঃসন্দেহে। আর আপনাদের মারামারি দেখে সবাই বিনোদন নেয়; এজন্য বুঝি মানুষ এফডিসির সিনেমা বাদ দিয়ে আপনাদের মারামারি দেখতে স্যোশাল মিডিয়া ও ইউটিউবে হুমড়ি খেয়ে পড়ে। নিজেরা তো অন্যের কাছে হাসির পাত্র হচ্ছেনই; সবচেয়ে দুঃখজনক ঘটনা হচ্ছে, আমাদের প্রিয় ধর্মকেও মানুষের সামনে হাসির খোরাকে পরিণত করছেন। শুনেন, এসব বাদ দিয়ে নিজে ধর্মের সঠিকটা জানার চেষ্টা করুন; পাশের মানুষকে জানানোর চেষ্টা করুন। এটাই এনাফ। ডিজিটাল যুগে জানার উৎসের অভাব নেই। দাওয়াতের নামে মাহফিলের মাইকে গলা ফাটিয়ে একে-অন্যের গীবতে লিপ্ত না হয়ে সে সময়টুকু ধর্মীয় ও অন্যান্য জ্ঞান চর্চায় ব্যয় করুন। দেখবেন, নিজের ভেতরকার সকল হিংসা, অহংকার, গীবতের চর্চা আপন মনে বিদায় নেবে। ইনশাল্লাহ! আর যদি মাহফিলে ওয়াজ করতেই হয় তবে সরলীকৃত বক্তব্য দেন। আলোচনার একমাত্র বিষয় হোক ইসলাম। অসঙ্গতি তুলে ধরার জন্য স্যোশাল মিডিয়ার বাইরেও এদেশে হাজারো মিডিয়া রয়েছে। কথাগুলো বাস্তবতার নিরিখে বলা। অনেকেরই বিপক্ষে চলে যাবে। তাই, আহ্বান রইলো ভাই, কথাগুলো মুখে না নিয়ে মাথায় নিবেন। তাতে করে ইনশাল্লাহ ধর্মরক্ষা হবে! কথাগুলো শেয়ার দিয়ে অন্যকে জানার সুযোগ করে দিন। সবাই নিজের অবস্থান থেকে সতর্ক হোক! আমিন!