৭১৬. দেশটা সুন্দর হবে; যদি আমি, আপনি ও আমরা সুন্দর হই। আমরা খারাপ হলে দেশটা নিঃসন্দেহে ভালো হবে না। পৃথিবীটা সুন্দর; শুধু দেখার চোখটা সুন্দর করতে হবে।
৭১৭. যেমন বোধ, তেমন কথা-কাজ। বোধের কাছে হেরে যেতে না চাইলে বোধে শান দিন। নইলে ফেলনা হয়ে যাবেন।
৭১৮. কেউ কেউ পশু; আবার কেউ শুধু মানুষ; কেউই ভালো মানুষ না! ভালো কাজ অনেকে করে কিন্তু ভালো মানুষ হতে পারে না! ভালো মানুষের সংজ্ঞাটা দেখুন; কথাটা মিলে যাবে।
৭১৯. আমার অনুপ্রেরনা বাতিঘর, অন্তহীন ভালোবাসার সূতিকাগার, পৃথিবীর সব যায়গা থেকে ফিরিয়ে দিলেও যিনি ফেরান না, আমার সব আবদার সাধ্যমত রক্ষা করেন, একটু ভালো রাখার জন্য যিনি সব ধরনের কাজ (ইতিবাচক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড) করেন, যিনি আমার আদর্শের সর্বোচ্চ বিন্দু, হাত ধরে পথচলা শিখিয়েছেন যিনি; তিনি আমার আব্বা! আব্বার জন্য গর্বিত আমি! তিনি আমাকে নিতান্ত অসভ্যতা থেকে তুলে সভ্যতার আলোয় পথ দেখতে শিখিয়েছেন। ব্যক্তি, সমাজ ও অর্থনৈতিক জীবনের চড়ায় উৎরাই পেরিয়ে তিনি আমাকে পড়ালেখা শিখিয়েছেন। আব্বার সর্বোচ্চ বিনিয়োগ হচ্ছে আমাকে মানুষ করে গড়ে তোলা। আমি যেন আব্বার সর্বোচ্চ সম্মানে সম্মানিত করতে পারি; সে দোয়াই করবেন সবাই।
৭২০. পুরাতন চিন্তার মানুষ আর গরুর গাড়ি, ঘোড়ার গাড়ি সমান কথা। বিমান, বুলেট ট্রেন এদের মস্তিষ্কে যায়গা না পাওয়াটা স্বাভাবিক। আপনি যতই চেষ্টা করেন না কেন; পিছুটান ছাড়ে না এদের।
৭২১. আমি লিখি। এটা আমার প্যাশন। আমি বই কিনি। বই পড়ি। এটা আমার ফ্যাশন। জব খুজি। এটা এখন আমার প্রফেশন।
৭২২. I am not your competitors, I am a competitor of mine. If you will be competing with me, you can leave this sick competition. Because of no advantage for you here.
৭২৩. এমন একটা লাইব্রেরি যেখানে পৃথিবীর সব বই থাকবে। শত হাজার বছর আয়ুষ্কাল। পেটবিহীন তনু এবং আমি। এরকম কিছু হলে আমি সেখানে নির্দিধায় সারাটা জীবন কাটিয়ে দিতাম।
৭২৪. শুয়োরের রাখাল একদা আমাকে বলেছিলেন, বুনো শুয়োরকে দশ-দঁড়ি দিয়ে বেঁধেও পোষ মানানো যায় না। কিন্তু, গৃহপালিত শুয়োরকে বুমবাহ করলেই সে অনায়াসে সামনে অগ্রসর হয় খাবারের সন্ধানে।
৭২৫. কয়লার কালো সাবান বা ডিটারজেন্ট দিয়ে ধুলেও যায় না। সুতরাং, এটা করতে যাওয়ার মানে অপচয়। আর অপচয় একমাত্র নির্বোধরাই করে।
৭২৬. অন্ধকার রাতে ডােবা-নালার পঁচা জলাভূমিতে আলাে জ্বলতে দেখা যায়, এটাই আলেয়া। প্রকৃতপক্ষে পঁচা জৈব পদার্থ হতে নির্গত মিথেন গ্যাস অত্যন্ত দাহ্য বলে বাতাসের অক্সিজেনের সংস্পর্শে এসে জ্বলে ওঠে। আগের দিনে আলেয়াকে ভৌতিক ব্যাপার বলে মনে করা হতাে।
৭২৭. আপনি যদি আমাকে প্রতিটি কথার ভালো দিক বের করে দিতে বলেন, তাহলে ভেবে-চিন্তে দু'একটি বের করে দিতে পারি; প্রতিটা কথারই। আর যদি খারাপ দিক বের করে দিতে বলেন প্রতিটা কথার হাজারটা বের করে দিতে পারি; না ভেবেই। এজন্য, ভালো কথায় আস্থা রাখতে হলে আপনাকে ভাবতে হবে। আর খারাপ কথায় আস্থা রাখতে হলে না ভেবেই রাখতে পারেন। ভাবা কথায় ভাবতে হয়; না ভাবা কথায় ভাবনার কি বা থাকতে পারে!
৭২৮. আপনি আপনার জীবনের গল্প অনায়াসে আমাকে বলতে পারেন। কল্পনার সাঁচে ফেলে মানুষকে শুনিয়ে দেবো। হয়তো কেউ কেউ বাস্তবতার গন্ধ পাবে। বাকিরা গল্প পড়ে স্বাদ-আস্বাদন করবে গোগ্রাসে। অন্যরা নিছক গল্প ভেবে এড়িয়ে যাবে। এই তো জীবন আর তার গল্প। আপনিও না পড়ে এড়িয়ে যেতে পারেন। গল্প পড়লে জীবনবোধ গড়ে ওঠে; টাকা মেলে না। কি দরকার অযথা সময় নষ্ট করার!
৭২৮. ছোটলেখা গুলো সময়ের বেখেয়ালীপনায় একদিন বড় হতে হতে হাজারো পৃষ্ঠা দখল করে নেবে।
৭২৯. দেখুন, প্রতিটা বিপ্লবের প্রতি-বিপ্লব হয়। আবার প্রতিটা কাজের দু'ধরনের প্রতিক্রিয়া হয়। সমান এবং উল্টো। যাই করি না কেন, এ দু'টো কথা মাথায় রাখলে প্রতিটা সমস্যা সমাধান করা সহজ হবে!
৭৩০. সবাই সবার জগতে সেরা। কাউকে ছোট করে দেখার সুযোগ নেই। সেটা করলে আপনার ভাবনার জগৎটা ছোট; সামাঝদার লোকমাত্র বুঝে ফেলবেন।
৭৩১. আপনি শুধু আপনার দায়িত্বটুকু সঠিক, সুন্দর ও ন্যায়সঙ্গতভাবে পালন করুন; দেখবেন পৃথিবীটা সুন্দর হয়ে গেছে।
৭৩২. দাস (কর্মী) যখন মনিবকে (মালিক) শোষন করে তখন পৃথিবী ধ্বংসের দারপ্রান্তে এসে গেছে বলে ধরা যায়।
৭৩৩. মানুষ অনেক বড় বড় গল্প করতে পারে! কিন্তু, ব্যক্তির ক্ষমতা ও এখতিয়ারই বড় বিষয়! বড় বড় গল্প নয়!
৭৩৪. ছাগল দিয়ে হালচাষ, মূর্খ দিয়ে জ্ঞানের মূল্যায়ন কখনোই সম্ভব নয়।
৭৩৫. জ্ঞানচর্চা + বুদ্ধিচর্চা = পরিপূর্ণ মানুষ। তবে, সেটা অবশ্যই ইতিবাচক উদ্দেশ্যে হতে হবে।
৭৩৬. সাদার ময়লা ঘষলে উঠে যায়! আবার, চকচক করে! কিন্তু, কয়লার কালি আজীবন সাবান ঘষলেও যায় না!
৭৩৭. নাদান, নালায়েক, অজ্ঞ, মূর্খরাই মানুষের সম্ভাবনাকে নাকচ করে দেয়!
৭৩৮. ভালো এবং সুন্দর কিছু করতে গেলে আপনার সাপোর্ট এবং ফ্যাসিলিটিজ দরকার। থাকলে ভালো; না থাকলে এ দুটোর সন্ধানে বেরিয়ে পড়ুন আগে।
৭৩৯. ভুলগুলো, ফিল করো, ধরে ধরে, শুধরাও!
৭৪০. Of property damage easily does anyone. But, it's built is very tough jobs.
৭৪১. শুধু ভালো মানুষ সাজলে হবে না! বাস্তবের ভালো মানুষ হতে হবে। ভণ্ডামী তো সবাই করে! ভালো মানুষ ক'জনই বা হতে পারে!
৭৪২. মানুষ হিসেবে আমি আপনাকে অসম্মান করি না। তবে, সম্মান দেয়ার সময় অবশ্যই আপনার মাথা মেপে সম্মান দেবো। কারণ, কচুর পাতায় পানি দাড়ায় না!
৭৪৩. জীবনের একসেস কাউকে দিবেন না। মোবাইলের মত যাচ্ছেতাইভাবে ব্যবহার করে ফেলে দিবে।
৭৪৪. বেশি বোঝা পাপ; কম বোঝা খারাপ; পরিমান মত বোধে জমে আলাপ।
৭৪৫. বুঝতে সমস্যা হলে, আপনার বোধে শান দিন! বোধে ধার কমে গেলে বুঝতে সমস্যা হয়!
৭৪৬. উন্নত দেশের সাথে তুলনা করে নিজ দেশকে যখন তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করবেন; তখন নিজেকে প্রশ্ন করবেন, আপনি ঐ দেশের নাগরিকের মত উন্নত কিনা!
৭৪৭. বিজ্ঞান-প্রযুক্তি বিরোধী লোকগুলোও বিজ্ঞান-প্রযুক্তি ছাড়া এক-পাও চলতে পারে না।
৭৪৮. বাস্তবতা খুব একপেশে এবং নির্মম।
৭৪৯. প্রথম স্বপ্ন ছিল, ছোট থেকে বড় মানুষ হবো। তারপর, হতে চেয়েছিলাম আর্মি অফিসার। পরিচিত এক অদৃশ্য কারণে সেটা হতে পারিনি। চেষ্টাও করেছিলাম। তারপর হতে চেয়েছিলাম গবেষক। সেটাও পারলাম না। তারপর হতে চেয়েছিলাম সিনেমার কারিগর। সেটাও হলো না। লেখালেখিটা ভালো লাগতো। চেষ্টাও করছি। কিন্তু, এখানেও রয়েছে অনেক হিসাব-নিকাশ। সর্বশেষ যেটা হয়েছি, সেটা হচ্ছে বেকার। ভেবে-চিন্তে দেখলাম, স্বপ্নগুলো হারিয়ে নির্বিকার হয়ে গেছি।
৭৫০. টাকা দিয়ে আপনি অনেক কিছু পাবেন। কিন্তু, খারাপ লাগাকে ভালো লাগায় পরিনত করতে পারবেন না। ওটা একান্তই ব্যক্তিগত হিস্যা।
৭৫১. ইনসানের ধর্ম একটাই "ইনসানিয়াত"। আপনি অনেক কিছুই হতে পারেন। কিন্তু, মানুষ হতে পারবেন না; যদি মনুষ্যত্ববোধ না জন্মাতে পারেন নিজের ভেতরে।
৭৫২.প্রশ্ন: ভাই, মনে হয় প্রযুক্তি আসার কারনে মানুষ আরো বেশি অসভ্য হয়ে গেছে? মানুষ নীতি-নৈতিকতা হারিয়ে ফেলছে?
উত্তর: না ভাই, এখানে প্রযুক্তি আসার ফলে জানার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। আগে বিষয়গুলো খুব সহজে ঢাকা পড়ে যেত। এখন যেকোন বিষয় চাইলে খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে। আসল কথা হচ্ছে, আগে এগুলো অনেক বেশিমাত্রায় ছিল। এখন ছড়িয়ে পড়ার ভয়ে কমে গেছে। আর যেটুকু আছে তা এমনভাবে ভাইরাল হয় যে মনে হয় দুনিয়াতে ভালো বলে কিছু নেই। তবে, এটার ভালো দিক হচ্ছে মানুষ সংযত হতে শিখছে। এবং সেটা র্যাপডলি। অবশ্য মানুষ আগে না ভেবে কাজ করত। আর এখন ভেবে-চিন্তে অগ্রসর হচ্ছে। না ভেবে উপায় আছে!
৭৫৩. এই দেশে বিয়ের জন্য ঋণ দেয়। ঘর বানানোর ঋণ দেয়। কিন্তু, মানুষ গড়ার ঋণ পাবেন না। যেটা আছে নামে মাত্র লোক দেখানো কারসাজি মাত্র!
৭৫৪. একদিন আত্মজীবনী লিখবো। যেদিন নিজের জীবন নিয়ে বলার মত অন্তত ৫০০ পাতা কথা জমা হবে।
৭৫৫. একটা বিষয় খেয়াল করে দেখবেন, আপনি যখন সমস্যার মধ্য দিয়ে জীবন অতিবাহিত করবেন তখন সবাই অযাচিত পরামর্শকের ভূমিকা পালন করবে! কিন্তু, কেউই হেল্পিং হ্যান্ড হবে না! আপনার সমস্যায় আলাদিনের চেরাগের মত হঠাৎ উপযাচিত পরামর্শের চেরাগ নিয়ে হাজির হবে যে কেউ! আপনি তখন নির্বিকার! আলাদিনের চেরাগে বের হতো আশ্চর্য দৈত্য! আর এখানে আশ্চর্য পরামর্শ!
৭৫৬. পোশাক নিয়ে অনেকে অনেক কথা বলেন। কিন্তু, এটা ধর্ষনের একমাত্র এবং অন্যতম কারন না। কারন, ধর্ষক সব সময় অসভ্য, অশিক্ষিত/ স্বল্প শিক্ষিত (জ্ঞানপাপী), কাণ্ডজ্ঞানহীন, মূল্যবোধহীন লোক হয়। তাদের মধ্যে পোশাক-বোধ (শালীনতাবোধ) থাকে না। আপনি পোশাক নিয়ে ভাবলেও ধর্ষক ভাবে না। কারন, তার টার্গেট থাকে ধর্ষন করা। পোশাক নিয়ে না ভাবলেও তার চলে। যেহেতু সে অসভ্য সেহেতু তার কাছ থেকে পোশাকের কারন খোজাটা বোকামীর শামিল।
৭৫৭. কিছু সমস্যা আছে যেগুলো শুধু সমাধানে কাজ দেয় না। মোকাবিলাও করা লাগে।
৭৫৮. অন্যকে নিয়ে ভেবে নিজের মূল্যবান সময় নষ্ট করা নিতান্তই বোকামীর শামিল। অন্যকে নিয়ে ততটুকুই ভাবুন যতটুকু সামাজিক বা পেশাগত কারণে আপনি তার প্রতি দায়বদ্ধ। খেয়াল করে দেখবেন, এর বেশি কেউ ভাবে না। এটি একটি নির্মম বাস্তবতা। একদিন, দু'দিন, তিন দিনের মাথায় বুঝতে পারবেন সব ভালোবাসা নিতান্তই সামাজিকতার বা পেশাগত কুটিলতার ফল। ব্যক্তি জীবন আর সামাজিক বা পেশাগত জীবন গুলিয়ে ফেলবেন না। মহামূল্যবান সময় হারাবেন। শেষ জীবনে নিজেই নিজেকে পাগল সাব্যস্ত করতে হবে। উপায় থাকবে না।
৭৫৯. এসেছি নতুনের ডাকে। পুরাতনের ডাকে ফিরতে নয়। বন্ধুত্বের বহর বড়ই বিচিত্র! আমার কথা শুনে আপনি বা আপনারা হাসাহাসি, ঠাট্টা-বিদ্রুপ, তামাশাও করতে পারেন। তাতে আমার বিশেষ কিছু যায় আসে না। চেয়েছিলাম টাকা ধার। আপনি দিলেন পরামর্শ অক্ষুরধার। আপনার অকার্যকর কথায় আমার পেটে ভাত যাবে না। থাকার যায়গা হবে না। বই কেনার টাকা হবে না। চাকরির আবেদনের টাকা হবে না। যাতায়াত খরচটাও পাবো না। সুতরাং, আপনার কথায় কচু ছিড়বে না আমার।
৭৬০. বহু বিচিত্র মানুষের মধ্যে কমন কিছু ব্যাপার থাকে। সেটা সামাজিক ও কর্মক্ষেত্রে। এর বাইরে মানুষ নিজের মত।