সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

ছাত্র-রাজনীতি ও বাংলাদেশ


অনেককে বলতে দেখছি ও শুনছি যে ছাত্রলীগের রাজনীতি ব্যান করে দেওয়ার কথা। আসলে কিছু মানুষ আছে যারা সব কিছুতে নেতিবাচকতা ছাড়া খুঁজে পায় না। ছাত্রলীগের যারা আদর্শিক অংশ তারা কখনো অন্যায়ের সাথে জড়িত হয়নি কখনো। আর অনুপ্রবেশকারীরা সব সময়ই ছাত্রলীগ বা যেকোন দলের দূর্নাম ছড়িয়েছে সব সময়। একটু জানাশোনা থাকলে বুঝতে অক্ষম হবেন না। তাছাড়া, মুক্তিযুদ্ধে ছাত্রলীগের যে অবদান তা বাংলাদেশের আর কোন ছাত্র সংগঠনের সে কৃতিত্ব নেই। আবার অনেকে পুরো ছাত্র-রাজনীতি ব্যান করার কথা বলছেন ও বলেছেন। এক্ষেত্রে তারা মধ্য-প্রাচ্যের দু'একটি দেশ ও তুরষ্কের উদাহরন দিচ্ছেন। আরে ভাই, বাংলাদেশের জন্ম ছাত্র-রাজনীতির হাত ধরে। এটা ভুলে গেলে তো দেশটাকে অস্বীকার করা হবে। দেশের বড় বড় আন্দোলন সব ছাত্রদের হাত ধরে এগিয়ে গেছে। আর যারা সৌদি আরব বা মধ্য-প্রাচ্যের কথা বলছেন, তাদের বলব যে ঐ সব দেশ সম্পর্কে একটু জানার চেষ্টা করুন। সৌদি আরব ইয়েমেনে হাজার হাজার নারী-পুরুষ ও শিশু হত্যা করেছে। তুরুষ্ক কুর্দিদের নির্বিচারে হত্যা করেছে; এখনো করছে। বিপরীতে আমরা লক্ষ লক্ষ রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়েছি। পার্থক্যটা নিরূপন করুন তো! সব কিছুকে একচোখা দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে দেখতে নেই। অনেকে ভাবতে পারেন আমি ছাত্রলীগ বা আওয়ামীলীগকে প্রমোট করছি। কিন্তু, না। আমি শুধু ছাত্র রাজনীতি ব্যান করার যে প্রচারনা শুরু হয়েছে সেটার বিপক্ষে মত প্রকাশ করছি। তবে, সর্বাগ্রে ছাত্র-রাজনীতি থেকে শুরু করে সব ধরনের রাজনীতিতে যে দূর্বৃত্তায়ন শুরু হয়েছে সেটা বন্ধের যে প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে সেটাকে সাধুবাদ জানাই এবং এই প্রক্রিয়াটা যাতে অব্যাহত থাকে তার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে আহ্বান জানাচ্ছি। আর যারা পক্ষপাতদুষ্ট ও একচোখা দৃষ্টিভঙ্গি সম্পন্ন মানসিকতা পোষন করেন তাদেরকে আহ্বান জানাচ্ছি খুপড়ি ছেড়ে বেরিয়ে আসুন; সুন্দর পৃথিবীটাকে উপভোগ করতে পারবেন। ইনশাল্লাহ!