সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

ডমেস্টিক ও কমার্শিয়াল থট


আমি চিন্তার দুটো ধরন খুজে পেয়েছি। এক. ডমেস্টিক চিন্তা। দুই. কমার্শিয়াল চিন্তা। যারা নিতান্তই সাধারন জীবন-জীবিকা নির্বাহ করেন। তারাই ডমেস্টিক চিন্তা-ভাবনার অধিকারী। এদের মধ্যে কপটতা, হিংসা-বিদ্বেষ, মানুষকে অবমূল্যায়নের মত বিভিন্ন নেতিবাচক দিক দেখতে পাবেন। এরা চলমান ধারা বলতে কিছু বোঝে না। পিছন ভাবনাটা এদের বেশি। তবে, রীতি-নীতির ব্যাপারে এরা খুব উচ্চকিত হলেও রীতি-নীতি ভঙ্গের ব্যাপারে এরা আবার সিদ্ধহস্ত। আর কমার্শিয়াল ভাবনাটা নিতান্তই অধুনা শহরকেন্দ্রিক ভাবনা। কমার্শিয়াল ভাবনার ভেতরে একটা বিষয় গ্রোথিত থাকে। নিজেকে সমৃদ্ধ করা। এটার একটাই খারাপ দিক। আমিত্ব। তবে, ডমেস্টিক ভাবনার ভেতরে আমিত্ব নেই। আছে কিছু গোড়ামী আর অসভ্যতা। কিন্তু, অনেক ক্ষেত্রে ঐ ভাবনাটা অসভ্যতাকে আগ্রাসীভাবে উপস্থাপন করে। আর কমার্শিয়ল ভাবনার ভেতরে যেহেতু নিজেকে সমৃদ্ধ করার যায়গাটা প্রবল, সেহেতু অসভ্যতার ছাপ নেই। এখানে কেউ যদি কাউকে হেল্পও করে, সেখানেও কমার্শিয়াল ভাবনার বিকাশ লক্ষ্য করা যায়।