সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

অদ্ভূত শিক্ষায় শিক্ষিত হলাম


একটা বিষয় ভাবতে অবাক লাগে যে, এখন আর শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষা আর শিক্ষার্থী বলে কিছু নেই। এখন সব পরিক্ষা আর পরিক্ষার্থী হয়ে গেছে। আর শিক্ষক তো নাইই, সবাই পরিক্ষক ও নিরীক্ষকের দায়িত্ব পালন করেন। ফলাফলের ভিত্তিতেই আবার শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানের র্যাংকিংও করা হয়। এর ফলে মাঁকাল-ফল সদৃশ (অন্তশারশূন্য) জাতি গড়ে উঠছে। যারা না হচ্ছে কর্মে দক্ষ, না হচ্ছে আইন ও নীতি সচেতন। উল্টো দেশের বোঝা হয়ে যাচ্ছে। নীতি-নির্ধারনী মঞ্চে যারা আছেন, তারা সিস্টেম ডেভেলপের নামে দিব্যি রাষ্ট্রীয় কোষাগার ফাঁকা করছেন। দুঃখ লাগে! আফসোস হয়! যে এইটা বোঝার মত মানুষও নাই! যে দেশের কতিপয় তথাকথিত শিক্ষক দূর্নীতি করে, ভালো ফলাফলের লোভ দেখিয়ে নির্বোধ ছাত্র-ছাত্রীদের ধর্ষন করে। সে জাতির ভবিষ্যৎ যে সংকটময় হতে চলেছে; তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। এখনও অনেক সময় আছে ক্রান্তিকালের ত্রাতা হওয়ার। যুব সমাজকে এগিয়ে আসতে হবে ইতিবাচক ভাবনা নিয়ে। তাহলেই সভ্য জাতি গঠন সম্ভব হবে।