সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

একজন শায়খ সিরাজ ও বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা


তিনি শুধুই কৃষকের মুখপাত্র নন; একজন সুন্দর ও ভালো মানুষ। যিনি কৃষকের মত একটি অবহেলিত বৃহৎ জনগোষ্ঠির সার্বিক উন্নয়নের জন্য কাজ করেন; তিনি নিঃসন্দেহে সুন্দর ও ভালো মানুষ; এতে কোন সন্দেহ নেই। বাংলাদেশের কৃষি ক্ষেত্রে তিনি যে অবদান রেখেছেন, এককভাবে হোক বা যৌথ, আর কেউ পারেনি বলে মনে হয়। কৃষির আধুনিকীকরণ প্রক্রিয়ায় তার টিভি অনুষ্ঠানের অবদান অপরিসীম। তার অনুষ্ঠান দেখে অনুপ্রাণিত হয়ে অনেক শিক্ষিত যুবক এমনকি বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়ারাও কৃষিতে যুক্ত হচ্ছেন। প্রান্তিক পর্যায়ে কৃষিতে যুক্ত হওয়া এ সকল শিক্ষিত যুবকদের কারনে কৃষিতে একদিকে যেমন উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার বেড়েছে, অপরদিকে বিজ্ঞানভিত্তিক উৎপাদনের কারনে কৃষি পণ্যের উৎপাদনও বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। আর কিছু দিন গেলে, সরকারের নেক নজর পেলে, আমরা কৃষি পণ্যকে প্রক্রিয়াজাত করে আরো বেশি বেশি রপ্তানি করতে পারব বলে মনে করি। তিনি যে অবদান রাখতে সক্ষম হয়েছেন, তার তালে যদি বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো যুক্ত হতো এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলো থেকে এক শতাংশ গবেষণা কৃষিতে আনা যেতো; তাহলে বাংলাদেশের কৃষিতে বিপ্লব ঘটে যেতো। বঙ্গবন্ধু মাতৃভূমিকে সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয় নিয়ে দেশ স্বাধীন করেন। পরবর্তীতে তিনি সে অনুযায়ী পরিকল্পনাও গ্রহণ করেন; কিন্তু, ঘাতকের বুলেট সে পরিকল্পনাকে ভেস্তে দেয়। আপনি কি একবারও ভেবে দেখেছেন, কেন তিনি বাংলাদেশকে সোনার বাংলা বলেছেন? আমার জানামতে, এদেশের মাটিতে কোন বীজ বপন করলে তা মরে না; বরঞ্চ, তরতর করে তা বড় হতে থাকে। পৃথিবীতে এমন অনেক দেশ আছে যেখানে কোন গাছই জন্মে না। এটাই আমার সোনার বাংলা যেখানে কংক্রিটের ফাঁক-ফোকরেও তৃণ, লতা থেকে শুরু করে বটগাছ পর্যন্ত জন্মে। এ মাটিতে আপনি যাই দেন না কেন! সে জন্মাবেই! আমাদের শুধু একটু মাথা খাটিয়ে পরিচর্যার মাধ্যমে তাকে বড় করতে হবে। ব্যস! 
ভুল-ত্রুটি মার্জনার দৃষ্টিতে দেখবেন।