সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

ভূস্বর্গের ক্রান্তি


শত বছর ধরে চলা ইতিবাচক রীতিনীতি, ঐতিহ্যের মাথায় বাড়ি দিয়ে আজ তোমরা যে রক্তের খেলায় মেতেছো!
তা একদিন তোমাদের ধ্বংসের কারন হবে বলে বোধ করি।
আজ তোমরা খণ্ডিত দেহে বিকৃত স্বার্থ চরিতার্থ করে যে বিকারগ্রস্ত শান্তি পাচ্ছো!
তাই একদিন তোমাদেরকেই খণ্ডিত করবে বলে মনে করি।
সৌন্দর্যের লীলাভূমিতে লাল রক্তের হলিখেলায় মেতেছো তোমরা।
রক্ত কখনো বেঈমানি করে না; রক্ত তার ঋণ শোধ করবে; ইতিহাস তাইই বলে।
রক্তের দাগ মুছে গেলেও রক্তের ঋণ শোধরানোর তরে তথায় সে গোপনে কাজ করে।
আজকে হয়তোবা কিছুই টের পাচ্ছো না। বেঈমানির ফুল ফল হলে বুঝবে; তার স্বাদ কতটা তিক্ত।
নিপীড়িত জনতার রোষ ডুকরে কাঁদে। কিছু অসুস্থ চিন্তার মানুষ বিকৃত মজা লুটে।
পাকিস্তান বাংলাদেশকে কার্যত সামরিকায়িত করে রেখেছিল। জনমতের তোয়াক্কা না করে পাকিস্তানি শোষকগোষ্ঠী বলেছিলো, 'মাটি চাই, মানুষ নয়।' যার ফল ভালো হয়নি। ভুলের মাশুল দিয়েছিল তারা চরমভাবে। জনমত, জনরোষে রুপান্তরিত হতে সময় লাগেনি। একদিন ঠিকই বাংলাদেশ তার নিজস্ব রূপ পায়।
হায়রে রাজা হরি সিং! হায়রে কাশ্মির! হায়রে কাশ্মিরের মুসলমান! হায়রে স্বায়ত্ত্বশাসন! ধীরে ধীরে সব নিঃশেষ করলো, মূর্খ শোষক প্রশাসন!
আগে মাথা-মোটা পাকিস্তান শুরু করতো, আর ভারত জয় উদযাপন করতো! এমনকি সেটা ভারত খুব বিচক্ষনভাবে করতো! আর এবার ভারত আগে ভাগেই শুরু করে দিছে এবং পাকিস্তান সেটা খুব ভেবে-চিন্তে সিদ্ধান্ত দেয়া শুরু করেছে।
এখন দেখার পালা কাদের জয় হয়। কাশ্মিরী জনগণের নাকি ভারতের নাকি পাকিস্তানের। আমি নিপীড়িত জনতার পক্ষে সব সময়।
তবে, সব যায়গায় ভারত, পাকিস্তান নিয়ে আলোচনার ডামাডোলে কাশ্মিরের জনগণের বর্তমান দূর্দশা যেন লুকিয়ে লুকিয়ে কাঁদছে। বিশ্বের সবচেয়ে সামরিকায়িত অঞ্চল বর্তমানের জম্মু-কাশ্মির। সেখানে নূন্যতম স্বাধীনতা, নাগরিক অধিকার বলতে অবশিষ্ট নেই কিছুই। পথে-ঘাটে-মাঠে সশস্ত্র হানাদারের থাবা।
হায়রে অসভ্যের দল; কবে তোরা মানুষ হবি! কবির ভাষায় বলতে হয়, "আবার তোরা মানুষ হ!"