জুতা মার, ঝাঁটা মার, মূর্খের ঐ আস্তানায়;
আগুন জ্বালা, লাঠি মার, মূর্খের ঐ দস্তখানায়।
মূর্খ করে মারামারি, কাঁটাকাঁটি; সে অসভ্য, অভব্য;
তার আছে বিশ্বাস আর কুসংস্কার; চিন্তায় সে অনব্য।
বিশ্বাসে সে মারে আর মরে, ফিরে না আস্থায়;
অসুস্থ-কাল্পনিক চিন্তায়, জীবন বেঁচে সস্তায়।
স্বার্থ আর লোভে জীবন করে নষ্ট;
দিনান্তে ভোগ করে ডমেষ্টিক কষ্ট।
ভাল না লাগা রোগে, কিছুতে সে হতে পারে না সন্তুষ্ট;
তার নেই কোন জীবনদর্শন, সর্বদা সে লক্ষ্যভ্রষ্ট।
মূর্খের কথায় থাকে না যুক্তির কোন ঝাঁজ;
পুরো জীবনটাই কাটিয়ে দেয়, করে অকাজ।
জানে না কিভাবে করতে হয় অন্যকে সম্মান;
করবে কিভাবে! তারই তো নেই আত্মসম্মান।
আগের দিনে গুনিরা বলত, খারাপ ওর বাপ-মা;
প্রমান মিলেছে বিজ্ঞানে; তাই খারাপ হয়েছে প্রজন্মের ছাঁ।