সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

খোলো সুচিন্তার দুয়ার


জুতা মার, ঝাঁটা মার, মূর্খের ঐ আস্তানায়;

আগুন জ্বালা, লাঠি মার, মূর্খের ঐ দস্তখানায়।

মূর্খ করে মারামারি, কাঁটাকাঁটি; সে অসভ্য, অভব্য;

তার আছে বিশ্বাস আর কুসংস্কার; চিন্তায় সে অনব্য।

বিশ্বাসে সে মারে আর মরে, ফিরে না আস্থায়;

অসুস্থ-কাল্পনিক চিন্তায়, জীবন বেঁচে সস্তায়।

স্বার্থ আর লোভে জীবন করে নষ্ট;

দিনান্তে ভোগ করে ডমেষ্টিক কষ্ট।

ভাল না লাগা রোগে, কিছুতে সে হতে পারে না সন্তুষ্ট;

তার নেই কোন জীবনদর্শন, সর্বদা সে লক্ষ্যভ্রষ্ট।

মূর্খের কথায় থাকে না যুক্তির কোন ঝাঁজ;

পুরো জীবনটাই কাটিয়ে দেয়, করে অকাজ।

জানে না কিভাবে করতে হয় অন্যকে সম্মান;

করবে কিভাবে! তারই তো নেই আত্মসম্মান।

আগের দিনে গুনিরা বলত, খারাপ ওর বাপ-মা;

প্রমান মিলেছে বিজ্ঞানে; তাই খারাপ হয়েছে প্রজন্মের ছাঁ।