সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

তিল পরিমান মনের কথা ব্যক্ত করলাম


আমার মনে হয় কথা চেপে না রেখে বলায় শ্রেয়। অযথা মরার ভয় না করে বলাটাই উত্তম হবে বলে বোধ করি। অন্যথায়, মানুষ আপনাকে অনুভূতির দোহায় দিয়ে আধমরা করে ফেলবে। গত দু'মাস ধরে কিছু লেখা হয় না। পুরোনো লেখাগুলো দিয়ে চালিয়ে দিচ্ছিলাম কোন রকম। ঐ যা হয় আর কি! কারো অভাবে স্বভাব যায়, আর কারো স্বভাবে অভাব হয়! তবে, আমার এরকমটা কিছু হয়নি! আমার বিষয়টা হচ্ছে, অনেকটা গল্পের চিতা বাঘের মত। এক বনে এক চিতা বাঘ ছিল। খড় বাগানে সে বাচ্চা প্রসব করে। দিব্য ভালো যাচ্ছিল তার দিন। হঠাৎ করে একদিন পাঠা-ছাগল নামক আজব প্রাণীর হাত থেকে বন সমাজের মূখ রক্ষা করতে গিয়ে ঘোড়ার লেজে নিজেকে জড়িয়ে নাড়ি-ভুড়ি পশ্চাৎ দিয়ে তার বেরিয়ে যায়।

আমারও ঐ নেতিয়ে পড়া বাঘের মত অবস্থা। এই পরিবারের সম্মান রক্ষা করা, সমাজ রক্ষা করা, ধর্ম রক্ষা করা, দেশ ও দেশের আইন রক্ষা করতে গিয়ে অনেকটা ঐ ঘোড়ার পায়ের আঘাতে নেতড়িয়ে চলা চিতা বাঘের মত অবস্থা। সত্য বলা এখানে পাপ। তাই আপনাকে নতুন করে মিথ্যা বলা প্র্যাকটিস করতে হবে। ছোটবেলায় মিথ্যা বলার চেষ্টা করলে মা বুঝতে পারতেন। বলতেন, তুই মিথ্যা বললি কেন! তাই ওটা মনের ভুলেও করতাম না। কিন্তু, এখন দেখছি ওটা একটা সুন্দর সৃজনশীল কর্ম। আগে বলত,

সত্য বল,

সুপথে চল।

বাস্তবে দেখছি,

মিথ্যা বল,

কুপথে চল।

নইলে জীবন হবে বিকল।

সেই বাবা-মা এখন সত্য কথা সহ্য করতে পারে না। কোথায় যাবেন আপনি! যারা শেখালো তারাই যখন আপনার সত্য থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবে তখন আপনার বেঁচে থাকার সম্ভাবনা কতটুকু উজ্জীবিত থাকবে সেটা মূর্খতা দিয়ে মাপা মুশকিল। আমার এখনো এরকমটা ঘটেনি। তবে, অহরহ চোখের সামনে ঘটতে দেখছি। জ্ঞানের চোখ খোলা থাকলে বুঝতে অসুবিধা হওয়ার তো কথা না!

এই দেশে আর সবাই আইন অমান্য করতে পারে। আপনি শুধু তাকে বলতে পারেন না যে ভাই এটা আপনি করতে পারেন না। বললে, আপনি খারাপ লোক। এখানে মানুষগুলো এতই অসভ্য যে তাদেরকে বলে দিতে হয় কোথায় কতটুকু থামতে পারবে। তবুও, তারা ৩ মিনিটের যায়গায় ১০ মিনিট দিব্যি অসভ্যের মত দাড়িয়ে থাকে। নিজেদের বিবেচনাবোধ কাজে লাগিয়ে তারা চলার মত সক্ষমতা গড়ে তুলতে পারে নাই। আইন সভ্য মানুষের জন্য। অসভ্য, বর্বরদের কোন আইন লাগে না। তারা অসভ্যতা, মূর্খতা আর বর্বরতাকে শ্রেষ্ঠ মনে করে চলাফেরা করে। আমার মনে হয় কি জানেন, এই দেশের মানুষের মত এত আইন অমান্যকারী আর কোথাও নেই। প্রমাণ চাইলে কোন এক শহরের ব্যস্ততম রাস্তায় চলে যান। দেখতে পাবেন শিক্ষা-দীক্ষায় উন্নতমানের সার্টিফিকেটধারী থেকে শুরু করে অনুন্নত মস্তিষ্কের লোকজন পর্যন্ত কত রকম ভাবে আইন অমান্য করে। আইন মানা যেন এদের ধাতে সয় না। আইন না মানাটাই যেন এরা নিয়ম বানিয়ে ফেলেছে। কে কত আগে কত আইন অমান্য করতে পারে তার প্রতিযোগিতা হয়। আইন মানাটা যেন এরা মানতে পারে না। পারবে কি করে! যে জাতির ইতিহাসে লেপ্টে আছে পরাধীনতার দীর্ঘ শৃংখল। ইতিহাস ঘাটলে আপনি দেখতে পাবেন নিজেদেরকে কখনোই এরা নিজেদের শাসন করতে পারেনি বা নিজেদেরকে নিজেরা পরিচালনা করতে পারেনি। এটি একটি বাস্তবতা।

এখানে সবচেয়ে ভালো থাকে তেলবাজ, পল্টিবাজ লোকেরা। এখানকার যত রকম প্রতিষ্ঠান আর তার নেতা-নেতৃবৃন্দ আছে তারা সবাই ওটাই পছন্দ করে। তাই এখানকার সবাই নিজেদেরকে ওরকমভাবেই অভিযোজন করে নিয়েছে। সবচেয়ে দুঃখজনক ঘটনা হচ্ছে সেটাই, যখন কোন শিক্ষক আত্মসম্মান আর পেশাগত মর্যাদা শিকেয় তুলে সাময়িক বিলাসিতা লাভের জন্য কোন নেতার পিছে নেড়ি কুত্তার মত ঘেউ ঘেউ করে ছুটতে ছুটতে তোষামোদ করতে থাকে। তবে, বিশিষ্ট শিক্ষকগন সর্বদা নমস্তে। আমার মতে রাজনীতিতে ভাল-মন্দ সব ধরনের লোক থাকতেই পারে। কিন্তু, শিক্ষা জাতির মেরুদন্ড। এখানে এরকমটা হওয়া একটা জাতির জন্য ধ্বংসের দার-প্রান্ত। এরাও দিব্যি ভালো থাকে। কিন্তু সবচেয়ে শোচনীয় অবস্থায় আপনি তখন পড়বেন যখন আপনি এটা মুখে শুধু একটু বলবেন। বলা মানে মহাপাপ। যেন ওটা করা নিয়ম, বলাটা পাপ।

এখানে কেউ কোন কাজ করতে চাইলে সে অনায়াসে দুটো জিনিস পাবে। আর দুটো জিনিস পাবে না। এক. ফালতু সমালোচনা পাবে। কিন্তু, কার্যকর কোন আলোচনা আশা করাটা এখানে নৈরাশ্যের প্রতীক। দুই. যখন আপনি কিছু করতে চাইবেন তখন মানুষ আপনার জন্য উপদেশের হাড়ি খুলে বসবে। কিন্তু আপনি কাজ করার লোক পাবেন না। যখন আপনি বলবেন, ভাই এই কাজটা করে যদি একটু হেল্প করতেন। তখন সে নিজের অলসতাটাকে উপভোগ করা থেকে নিজেকে কখনো বঞ্চিত করতে চাইবে না মনের ভুলে হলেও। নব নব এক্সকিউজ দেখে আপনি নির্বাক হতে বাধ্য হবেন।

এখানে কিছু হাস্যকর বিষয় রয়েছে। কিছু মানুষের সঙ্গে কথা বললে মনে হবে, মস্তিষ্কের মধ্যে বিশাল একটা পতিতালয় নিয়ে ঘুরে বেড়ায় তারা। সারাদিন সেক্স আর নারী দেহের উপর বিকৃত চিন্তা প্রকাশ করা ছাড়া এরা আর কিছু পারে না। উঠতে, বসতে, শুতে ওটাই তাদের ভাবনার মধ্যে জেকে বসে আছে। আপনি তাদের সামনে নারীর অন্যান্য সৌন্দর্য নিয়ে কথা বললে তারা ক্ষেপে যাবে। আপনি শুধু বলতে পারবেন না যে ভাই এগুলো তো নেতিবাচক কথা। আপনি এভাবে বলতে পারেন না। বললে, আপনি খারাপ লোক। আপনি নারীবাদ নামক কোন এক বিশেষ ভাইরাসে আক্রান্ত। কেউ কেউ আপনার মত পরিচ্ছন্ন চিন্তা-ভাবনার সভ্য লোকের উপর বর্বর ও অসভ্য আচরন প্রদর্শন করে বসবে।

এখানে যে কেউ চাইলে সাধারন মানুষের অনুভূতি নিয়ে ব্যবসা করতে পারবে, রাজনীতি করতে পারবে। শুধু আপনি বলতে পারবেন না যে এটা অন্যায়। বললে, আপনি বিভিন্ন রকমের আঘাত থেকে শুরু করে ব্যক্তি জীবনে শারিরীক ও মানসিক হেনস্থার শিকার হবেন। হবেই বা না কেন! এদেশের মানুষের নিজের গোত্রের বাইরে কেউ মারা গেলে বিকৃত মজা নিতেও কসূর করে না, সেখানে অন্যের ন্যায়-অন্যায়বোধ ছাড় পাবেই বা কেন!

প্রযুক্তি নামক অবধারনটা উন্নত বিশ্বের লোকজন নিজেদের প্রয়োজনে আবিষ্কার করে ব্যবহার করে। আবিষ্কারের পিছনে তারা প্রচুর অর্থ, মেধা আর শ্রম ব্যয় করে। আর আমরা তাদের সে অবধারনটাকে না বুঝে অপ্রয়োজনে সময় নষ্ট করে ব্যবহার করতে করতে ক্লান্ত হয়ে বলি সব ইহুদি-খ্রিষ্টানদের ষড়যন্ত্র। এতে কিন্তু ইহুদি-খ্রিষ্টানদের বিশেষ কিছু যায় আসে না। বরঞ্চ তারা আরো বড় বড় ব্যবসায়িক ফর্দ খুলে বসার সুযোগ পেয়ে নিজেদেরকে উন্নত থেকে উন্নততর করার সুযোগ পায়। আমরা নিজেরা ভালো কিছু তো করতে পারি না উপরন্তু অন্যের উপর ব্যর্থ খড়গহস্ত হয়ে অকার্যকর মানসিক প্রশান্তি নেয়ার চেষ্টা করি। ফলে মাত্র জিরো। আর একটা কাজ করে এখানকার মানুষগুলো অকার্যকর মানসিক প্রশান্তি নেয়ার চেষ্টা। সেটা হচ্ছে, অতীত-ঐতিহ্য নামক ব্যর্থ ভাবনা। এখানকার মানুষ যেটা সমস্যা না সেটাকে সমস্যা বানিয়ে ফেলে। আর সমস্যার গিয়ার জড়িয়ে এমন অবস্থা করে যে বিশেষজ্ঞ লোক দিয়েও ছাড়ানো মুশকিল হয়ে পড়ে। প্রযুক্তি মানুষের কল্যানে, মানুষের কর্মকে সহজ, সরল ও সুন্দর করার তাগিদে আবিষ্কৃত হয় মানুষের দ্বারা। আপনি যদি মূর্খ, অমানুষ হোন তাহলে প্রযুক্তিকে আপনি মানুষের ও নিজের অকল্যানে ব্যবহার করবেন। যেটা জীবনকে করে তুলবে দুর্বিষহ।

ঋত্বিক ঘটক একটা কথা বলেছিলেন, 'ভাবো! ভাবা প্র্যাকটিস করো!' প্রত্যেকটা মানুষের জন্য বেঁচে থাকার সর্বশেষ প্রত্যাশা জাগানিয়া অব্যর্থ বাণী। তবে, আমি একটা কথা বলি, ভাবতে হবে। তবে নিজের মত করে। তানাহলে, ঐ ভাবনা মূল্যহীন। ভাবনার স্বাধীনতা না থাকলে সেটা বিকলঙ্গ-ভাবনা হয়ে যায়। কোন একটা অঙ্গ না থাকলে অন্যের সাহায্য নিয়ে চলতে হয়। আর পূর্ণাঙ্গ মানুষ নিজের মত করে চলতে পারে। বাকিটা বুঝে নিন কি বলতে চেয়েছি। এখানে বই পড়তে চাওয়াটা পাপ, সত্য বলা পাপ, স্বাধীন ভাবনা পাপ। অন্যরা দিব্যি চলতে পারে। শুধু এই তিনটা যারা করতে চাই তাদের জন্য পাপ নামক খড়গহস্তের কোন শেষ নেই। আমি দেখেছি, পাগলকে পাগল বললে সে ক্ষেপে যায়। যদিও বাস্তবে সে একজন পাগল। এরাও কি তাই। সত্য সহ্য করতে পারে না কারা সেটা তো ভালো মতই জানেন! এটা আর ব্যাখ্যা করে লেখা বড় করতে চাচ্ছি না।

আমি লেখালেখি করি। আমার একটা ব্যক্তিগত ব্লগও রয়েছে। সেখানে লেখাগুলো পাবলিশ করি। এটা নিয়েও কয়েকধরনের অস্বাভাবিক উপদেশ পেয়েছি। যেটা বলাটাও আমার জন্য মুশকিল ও হাস্যকর বঁটে। আমি কেন বই লিখি না বা পত্রিকায় কেন লিখি না ইত্যাদি প্রশ্নের কোন শেষ নেই। বুঝালেও বোঝে না। আমি হলাম চরম স্বাধীনচেতা মানুষ। নিজের স্বাধীনতা যেমন দাবী করি। ঠিক তেমনি অন্যের স্বাধীনতায়ও নোংরা হস্তক্ষেপের চরম বিরোধী। বই লেখা বা পত্রিকায় লেখাটা এই নীতির সাথে সরাসরি সাংঘর্ষিক। কারন, পাবলিশার বা সম্পাদকের কলমের এলোমেলো আঘাতে আমার মনের কথাগুলোর বর্ণমালা ক্ষতবিক্ষত হোক সেটা আমি চাই না। কিন্তু, সমস্যা হচ্ছে আমি চাইলেই স্বাধীনভাবে চলতে পারি না। কারন, অন্যরা এর বিপরীত বর্বর নীতিতে বিশ্বাসী। এখানকার মানুষগুলো কথা না বুঝেই কষ্ট পায়। না বুঝেই অপর জনকে আঘাত করে বসে। আমার লেখা পৃথিবীর সব মানুষ পড়বে এমনটা আমি প্রত্যাশা কখনো করি না। যারা করে তারা নিঃসন্দেহে বোকা। আমার লেখা সর্বপ্রথম আমিই বেশিবার পড়ি। পড়ে শান্তি লাগে। যে আমি কিছু একটা লিখেছি। ব্লগে হুবহু সেটা প্রকাশ করতে পেরে আরো বেশি ভালো লাগে। তারপর কেউ সেটা পড়ে ইতিবাচক মন্তব্য করলে ভালো লাগাটা বেড়ে অন্য মাত্রা পায়। পাঠক সংখ্যা বাড়লে সবারই ভালো লাগে নিঃসন্দেহে। কিন্তু, পৃথিবীর সব মানুষের মনোযোগ আকর্ষণ করতে চাওয়াটা হবে ঐতিহাসিক ফ্লপ। সস্তা খ্যাতি লাভের জন্য স্যোশাল মিডিয়াসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে নিজের তনুমনের বিকৃত সৌন্দর্য উপস্থাপন করার চেয়ে ইন্টারনেটে পত্রিকা পড়লে অন্তত মস্তিষ্কের সৌন্দর্যের শ্রীবৃদ্ধি ঘটে।

টাকা থাকলে হয় টাকাওয়ালা। ধনী হতে গেলে আগে জ্ঞানী হওয়া লাগে। জ্ঞানী মানুষের টাকার অভাব হয় না। জ্ঞান, টাকা, সম্মান তিনটার সংমিশ্রনে ধনী মানুষের রূপ পরিগ্রহ করে। তবে, তারা নিঃসন্দেহে মানবতাবাদী বঁটে। যেমন, বিল গেটস, জেফ বেজোস, ওয়ারেন বাফেট্, মার্ক কিউবেন, জ্যাক মা থেকে শুরু করে বিশ্বের যত শ্রেষ্ঠ ধনী লোক সবাই তাদের সম্পদ মানব কল্যানে ব্যয় করেন এবং মানব কল্যানে ব্যয়ের জন্য উইল করে যান। এখানে সবচেয়ে মজার বিষয় হচ্ছে, তাদের টাকার অভাব নাই। এককথায় কোন কিছুর অভাব নেই। তবুও তারা লাইফটাইম বই পাঠক। ওয়ারেন বাফেট্ এখনো দৈনিক সর্বনিম্ন ৫ ঘন্টা বই পড়েন। সর্বোচ্চ ১২ ঘন্টা বই পড়েন। বিল গেটস প্রতি সপ্তাহে একটা করে বই পড়েন। অপরাহ্ উইনফ্রে বইয়ের মধ্যে বুদ হয়ে থাকেন। মার্ক কিউবেন দৈনিক ৩ ঘন্টা করে বই পড়েন। আর এখানে দু'খান বই পড়ে কেউ কেউ নিজেকে জ্ঞানী নয় বিখ্যাত মনে করা শুরু করে। হাস্যকর বঁটে! এখানে মানুষ অন্যকে নিয়ে বিকৃত-ভাবনা ভাবতে ভাবতে নিজেকে নিয়ে ভাবতে ভুলে যায়। বই পড়বে কখন। আমার জীবনের ছোট একটা ঘটনা। আমি প্রচুর বই কিনে পড়ি। এটা নিয়ে অনেকে বিকৃত সমালোচনা করতে করতে বলে ফেলে যে এত ফাউ বই কিনে বাপের টাকা নষ্ট করে বাপকে কষ্ট দিচ্ছো কেন। প্রথমে কষ্ট পেয়েছিলাম। পরে বুঝলাম, ছাগল দিয়ে হাল চাষ হয় না। এদের দিয়ে বইয়ের মর্ম উপলব্ধি করানোটা মুশকিলই বঁটে।

লেখার প্রয়োজনে বহু শ্রেণী-পেশার মানুষের সঙ্গে নির্দিধায় মেলামেশা করি। বহু সস্তা-অনুর্বর যায়গায়ও গিয়েছি। তবে, আমি তাদের মত হয়ে যায়নি। বরং তাদের আমি অভিযোজন করে নিয়েছি আমার পক্ষে। কিন্তু, দুঃখের বিষয় এমন কিছু লেখা জমা পড়ে আছে যেগুলো প্রকাশ করাটা পাপ হবে। মানুষগুলো এত নোংরা চিন্তা-ভাবনা নিয়ে চলে কি করে। যাহোক, সেখান থেকে দু'একটা কথা বলি, খারাপ মানুষ কখনো খারাপ মানুষ হয়ে জন্মায় না। সে পিতামাতার অবহেলা বা পরিবেশের চাপে খারাপ হয়ে যায়। এখানে সবচেয়ে দায়ী যে বিষয়টি সেটা হচ্ছে 'গুড প্যারেনটিংয়ের অভাব'! এটা উন্নত ভাবনার ফসল। অস্বাভাবিক মস্তিষ্ক দিয়ে এটা বোঝা মুশকিল হবে। সময় থাকলে গুগল করে 'গুড প্যারেন্টিংয়ের বিষয়টা দেখে নিয়েন। আপনার বাবা-মা না পারলেও আপনি যেন আপনার সন্তানের গুড প্যারেন্টস হতে পারেন। সন্তান আপনার দয়ায় নয়, দায়িত্ববোধের যায়গা থেকে উন্নত জীবন লাভ করুক।