সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

কথা বলুন। তবে কার্যকর ও গঠনমূলক


পৃথিবীটা বড়ই বিচিত্র। আরো বিচিত্র পৃথিবীর মানুষগুলো। সবচেয়ে বেশি বিচিত্র মানুষের কথা। কথা হচ্ছে খাঁটি মানুষ নির্ণয়ের কষ্টি। আমি চাই মানুষ কথা বলুক। নিজের ভেতরকার অসভ্যতা বের করে লজ্জিত হয়ে সভ্যতার শীতল ছায়ায় আশ্রয় নিয়ে থাকুক। সভ্য আর অসভ্য মানুষের কথা আর কর্মের দ্বন্দ্বে সভ্যতার দ্বন্দ্ব তৈরি হয়। বলা হয়, মানুষ সৎ ও সরল। কিন্তু, মানুষ কত অসৎ ও কুটিল। তা মেলামেশা না করলে বোঝা মুশকিল। ঐ যে কবির ভাষায় বলতে হয়, 'কোথায় স্বর্গ কোথায় নরক, কে বলে তা বহুদূর! মানুষেরই মাঝে স্বর্গ নরক মানুষেতে সুরাসুর!' আপনি কথা না বললে কেউ আপনার সমালোচনা করবে না। তবে, আপনাকে কথা বলতেই হবে। সেটা আপনার প্রয়োজনে হোক বা সহযোগিতার মানসে হোক। মানুষ সামাজিক জীব এ কারনে যে সে একে-অন্যের সহযোগিতা ছাড়া বাঁচতে পারে না। অর্থাৎ, প্রয়োজনে-অপ্রয়োজনে আপনাকে কথা বলতেই হবে। তাই ভয় না পেয়ে, জড়তা কাটিয়ে ভেবে চিন্তে কথা বলুন। তারপরও, মানুষ সমালোচনা করবে। এটা নিয়ম। বলা হয় বোবার কোন শত্রু নেই। কিন্তু, তার কথার সমালোচনা না হলেও কর্মের সমালোচনা আলবৎ হয়। সমালোচক-মানুষ মানুষের কথা ও কাজের সমালোচনা করে। সমালোচনা আছে বলে আমরা এখনো সামাজিক জীব হয়ে বেঁচে আছি। তবে, সমালোচনাটা কার্যকর ও গঠনমূলক হতে হবে। আমি একটা কথা সব সময়ই বলি সেটা হচ্ছে সমালোচনা হয়, হবে; তাই বলে এটার কারণে যেন মানুষের অধিকার সংকুচিত না হয়ে পড়ে। সেটার প্রতি খেয়াল রেখে কথা বলা ও কাজ করা জরুরি! যখন কেউ কোন কথা বলে বা কাজ করে তখন তার স্ট্র্যাটেজি মানে কৌশলটা বোঝার চেষ্টা করতে হবে। না বুঝে কথা বললে বা কাজ করলে নিজেরই ক্ষতি হওয়ার সমূহ সম্ভাবনা থেকেই যায়। আবেগের বশবর্তী হয়ে কোন কাজ করলে তার ফলটা শুভ হয় না। এটা সব সময় মাথায় রাখা উচিৎ যে যেমন কর্ম তেমন ফল পাবেন আপনি!