কতিপয় দুহিতা দেহকে অস্বীকৃত, কলুষিত বীর্যাসক্ত করে ফেলে। হস্তের হুংকারে বক্ষোজ লটকানো বেলুন।
রমণে মনে হয় যেন বর্ষাকালের ম্যানহোল। ছোট-বড় সব বস্তুই হড়কে যায়। অতপর নদী থেকে হয়ে যায় নদীকান্ত।
যৌবনকন্টকে অপরিমিত উৎপত্তিস্থানের অপব্যবহারে দিনান্তে অধীশ্বর যোনিবিমূখ।
কতিপয় লুতুপুতু যুবক যৌবন লহরিতে খুজে ফেরে নবকলিকা। কমলযোনি, উন্নত নব-পয়োধর-চুঁচিতে রতিক্রিয়া জমে বেশ।
কচিকালে অতিপক্বতায় দুৰ্মতি' কায়-ক্লেশ নিবারণে অস্বীকৃত সম্ভোগে সে যেন হয়ে ওঠে বীর-পুরুষ। শেষতক অতিমাত্রার বহুগামিতায় হয় বিবাগী।
উভয়ই বৃদ্ধকালে খ্যাংরা-পদাঘাত খেয়ে, ব্যামো-শোক ভোগে মরে। অল্পতেই নিজেকে বীর্যবান মনে করার কিছু নেই।
যৌবনবেগ নিয়ন্ত্রনে আনতে না পারলে, পঁচা খানায় পড়ে মৃত্যু হবে যৌবনের। দিনশেষে আল্লা-বিল্লা করেও আর নিস্তার পাওয়া যাবে না। পৃথিবীর সব সুন্দরই সুশৃংখল।