৫০০. মানুষ মরে যায়। মরে গেলে শ্বাস-প্রশ্বাস বন্ধ হয়ে যায়। রক্ত-মাংসের শরীরটা পড়ে থাকে। যার যার রীতি-নিয়ম বা ধর্ম ব্যবস্থানুযায়ী সৎকার করে। এরপর কি হয় কেউ খোজ রাখে না। পড়ে থাকে মৃত ব্যক্তির রেখে যাওয়া কর্ম আর কাটানো সময়ের কিছু স্মৃতি। যা জীবিত মানুষদেরকে স্মৃতিকাতর করে তোলে। সবাই দুঃখিত হয়। আবেগে আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব কাঁন্নাকাটি করে। এলাকাবাসী শোক প্রকাশ করে। মরার অল্প কয়েকদিন পরে মৃত ব্যক্তির পরিবার মৃতের স্বরণে তার আত্মার প্রতি শান্তি কামনা করে যার যার সিস্টেম বা ধর্মানুযায়ী আনুষ্ঠানিকতা করে থাকে। তারপর একটু একটু করে মৃত ব্যক্তির স্মৃতি হারিয়ে যেতে থাকে। বিখ্যাত আর কূখ্যাত লোকের কর্ম এলাকার মানুষের কাছে মৌখিকভাবে আরো কিছুদিন বেঁচে থাকে। আর ঐতিহাসিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ কোন বিখ্যাত বা কূখ্যাত লোকের ঠায় হয় ইতিহাসের পাতায়। তাকে নিয়ে চর্চা চলে দীর্ঘকাল। গুরুত্ব হারালে সেও বই আকারে আস্তাকূড়ে নিক্ষিপ্ত হয়। এই হলো জীবন নামের মরা নদীর আত্মকাহিনী। এটার উপর ভর করে কতই না ভাল-মন্দ কাজ করে আজব দুনিয়ার আজব সব মানুষ।
দ্বিমত থাকতেই পারে—অবশ্যই দ্বিমতকে শ্রদ্ধা করি। আমি শুধু—আমার মতটুকুই প্রকাশ করি মাত্র। দ্বিমত হলে—সহনশীলতা ও সহিষ্ণুতার পরিচয় দিন।