সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

কথার কথা


→ ফাজিল পোলাপান। দু'দিনের ছেলে-মেয়ে। গ্রামের রাস্তার পাশে বসে প্রেম করে। কি করা উচিত এদের? বলো তো খোকা। তুমি তো অনেক পড়ালেখা শিখেছো। এদের কি করা উচিত তুমিই বলো। সমাজের মাথা খেয়ে এরা বাপ-দাদার আমলের রীতি-নীতি সব ধ্বংস করার জন্য উঠে পড়ে লেগেছে। সব অমানুষ। এখনকার ছেলে-মেয়েগুলো খুব খারাপ।

এলাকার বিখ্যাত ইদরিস চাচা আমাদের গ্রামের তিন রাস্তার মোড়ে বসে এসব বয়ান করছিলেন। তাকে খুব হতাশ দেখাচ্ছিলো। মনে হয় কোন একটা সমস্যা আছে। চাচাকে জিজ্ঞাসা করলাম,

> কি সমস্যা চাচা? কি হইছে?

→ আর বলো না। রাস্তা দিয়ে আসার সময় দেখলাম আমার ছেলে আর ঐ পাড়ার রহমতের মেয়ে দাড়িয়ে প্রেমালাপ করে। বলো তো দেখি এসব সহ্য করা যায়।

> চাচা, এসব তো এখন অহরহ চলে। তাছাড়া, এগুলোতে এখন আর খুব বেশি লোকে বিস্মিতও হয় না। আপনাকে এত বিচলিত দেখাচ্ছে কেনো, চাচা?

→ আপন ছেলে তো তাই কেমন কেমন লাগছে। বোঝো তো এখনো আমরা পুরাতনকে ছাড়তে পারেনি। তাই বুঝি এমন লাগে। তোমরা তো ডিজিটাল হয়ে গেছো সব। হাতের মুঠোয় সব পাওয়া যায়।

> জ্বি, চাচা। এখন সবই হাতের মুঠোয়। সবই জানেন বোঝেন তাহলে আপনি ওসব বলছিলেন কেন?

→ না, কথার কথা বললাম আর কি!