ডান পায়ে এবং ডান হাতে প্রচণ্ড ব্যাথা। ফুটবল খেলতাম এক সময়। ৭/৮ বছর পর আবারও একটু সাধ জেগেছিলো। তাই খালি হাত পা আর হাফ-প্যান্ট পরে বাড়ির পাশের খোলা মাঠে নেমে গেলাম। যা হওয়ার হাত পায়ে আঘাত পেলাম। বল ঘুরিয়ে পাস করতে পারেনি ঢপাস করে পড়ে গেলাম বলের উপর। লাগলো হাতে ব্যাথা। পরে একজন এসে দিলো পায়ে লাথি। পাও শেষ। এখন যন্ত্রনায় কাতরাচ্ছি। অবশ্য কারো দোষ ছিলো না বলে আর ফাউল হয়নি। সিস্টেমের মার-প্যাঁচ। হাটতে তো পারতেছি না। লেখালেখিরও উপায় নেই। ডান হাতের তর্জনী দিয়ে মোবাইলের কি-বোর্ডে ঝড় তুলতাম আর আজকে হাতই তুলতে পারতেছি না। অগত্যা বা-হাতের তর্জনী দিয়ে শুরু করলাম দেখি ব্যাথা আমাকে কিভাবে আটকায়। পারলো না। অবশেষে এই লেখাটা লিখছি।
হঠাৎ মনে পড়ে গেলো আমাদের এলাকার টাকা দিয়ে হুজুর এনে মাহফিল করার কথা। তেমনি এক বক্তার ওয়াজ শুনতে গেলাম পাশের গ্রামে। ময়দানে লোক খুবই কম। পাশের চায়ের দোকান, খাবারের আর মনোহরির দোকানে লোক সমাগম বেশি।
যাহোক, আমি ময়দানে বসে ওয়াজ শুনছি। হুজুর অনেকবার লোক ডেকে ময়দানে বসাতে পারেনি। তখন তিনি বিভিন্ন সুরে স্যাটায়ার করতে লাগলেন।
এসময় একটা গল্প করেছিলেন। বললেন,
এক লোক আরেক লোকের কাছে ২০০০০ টাকা পাবে। লোকটি পাওনাদারের কাছে গিয়ে বললো,
→ কিরে আমার টাকাটা দে।
তখন ঋণী ব্যক্তিটি বলল,
: হাশরের ময়দানে নিস।
→ তখন নিয়ে আমার কি হবে। আমার টাকা দে! তখনকার বিষয় তখন, এখন আমার টাকাটা দে। হাশরের ময়দানে আমার টাকা লাগবে না। লাগবে এখন। এখন দে।
গল্পটা নিয়ে ভেবে মজা পাচ্ছিলাম। তাই সবার সাথে শেয়ার দিলাম। ডিজিটাল জামানা বলে কথা!