সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

উচ্চমার্গীয় তস্কর

দেশে আম-জনতার সম্পদ,

রাজ-তস্কর করছে লুটপাট,

নীতিহীন  রাজনীতির মাঠে,

তস্কর জন্মে জনতার ভোটে,

ওরা সব আত্ম-স্বীকৃত চোর,

আম-জনতা অক্ষিতে দেখে সব ঘোর,

জনতার  চোখে  পরায় রঙিন-উপাক্ষ,

 বুঝবে  কেমনে  সব  ঘটে তো পরোক্ষ,

পালাবে  কোথায়  বাটীতে  সব গবাক্ষ,

দিনান্তে  কেউ তোমায়  করবে না রক্ষ,

সম্মূখ সমরে সাজে রক্ষক,

পিছনে সব শালাই ভক্ষক,

যে সব বাদা-বনে বাঘ নাই,

শিয়াল সেখানে রাজা হয়,

হিংস্রতা  এখন নিত্য সত্য,

বলতে  বাধ্য  হচ্ছি অগত্য,

তিনের  সাথে চোর-বাটপার-ভন্ড,

কখনো  বিপরীতে  অবাক-কান্ড!

এসব  দেখে কবি হারা তার ছন্দ,

প্রতিবাদ  করাই  যেন এখন মন্দ,

প্রতিবাদে বাধে ঝামেলা  কু-দ্বন্দ্ব,

আর প্রতিবাদ করেছেন,

মানে আপনি ফেঁসেছেন,

যে বা যার জন্যই করবেন প্রতিবাদ,

দিনান্তে তারাই দিবে মিথ্যা অপবাদ,

ভাল-মন্দের  বিচার যখন করে ভণ্ড,

আর  কি উপায়  হওয়া ব্যতীত অন্ধ,

চোর-বাটপার-ভণ্ডেরও প্রচুর সমর্থক,

জনতার জীবন ওরা করছে নিরর্থক,

 নেতার  স্ব-নৈরাজ্যে  দুর্গন্ধ  নাগপাশ,

ফাঁকা  মাঠে জন্মেছে  আগাছা-ঘাঁস,

স্ব-নিরপেক্ষতার  বিদায় ষোলআনা,

অন্ধ সমর্থক  ন্যায়-অন্যায় দেখে না,

পুরাদস্তুর   সব   গোষ্ঠীকানা,

এই  সব  বলাও  এখন  মানা,

থাকুক  যতই  সব সত্য জানা,

বললে তুমি দেশদ্রোহী আত্মা,

আইন-প্যাঁচে ভ্রষ্ট নিজস্ব সত্বা,

কোটাল বিনা-দোষে,

 উপর-কর্তার নির্দেশে,

পিটাই  বানাবে  তোমায় আলু ভর্তা,

নতুবা  হবে তুমি  আস্ত চোলা-তক্তা,

রক্ষা করো হে মোর সৃষ্টিকর্তা!

সর্বত্র আমার আমার প্রবনতা,

কেউ দেখে না অন্যের দীনতা,

বুঝি না কেন আজ এ হীনতা!

সর্বত্র চাই  ন্যায়সঙ্গত একতা,

সত্য কিভাবে  পরিনত হয় মিথ্যায়,

জানতে  যেতে  হয় না পাঠশালায়,

দেখতে  চক্ষু পাতুন ঐ বিচারালয়,

নিরপেক্ষতা  শুধু নিজের বেলায়?

প্রাপ্য নিরপেক্ষতা অস্ত্রের খেলায়!

গোষ্ঠীকানা  শেখায় নিরপেক্ষতা,

লাভ কি গড়ে তার সাথে সখ্যতা,

সে বুঝবে  না নিরপেক্ষতার মর্ম,

কি দরকার  হয়ে গলদঘর্ম,

গোষ্ঠীবাজি তো ওদের কর্ম,

এতে পুরো হয়েছে তার চর্ম,

এর  বাইরে  না  বোঝা  তার  ধর্ম,

ভণ্ডামী - বাটপারীর  বাহার  কত,

এসবে   জনতার   প্রাণ  ওষ্ঠাগত,

এসবের শেষ  কোথায় পাঞ্জেরী?

শুনতে  কি  পাও  না  এ  আহাজারী,

বিচারের বাণী নীরবে নিভৃতে কাঁদে,

দেশমাতা  ও তার  সন্তানেরা পড়ছে,

নিরন্তর  অশুভ  শক্তির  মহা-ফাঁদে,

সবাই  মিলে  এসবের  করি উত্তরণ,

দিনশেষে  যদিও হয়  তোমার মরন,

নতুন প্রজন্ম  রাখবে  তোমায় স্বরণ,

ফেলে দিয়ে মূখের ফালতু-বাণী,

তুলি চলো নতুনত্বের জয়ধ্বনি।।