সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

ন্যাবা ও তনুমন

অনিয়ন্ত্রিত বিশৃংখল জীবন,

দিনান্তে নিঃশেষ হয় তনুমন,

সৃষ্টি করে দূবল চিত্তের দেহ,

দেহ-মনে চালায় বিকৃত কর্ম,

জীবন হয়ে পড়ে শৃংঙ্খলিত,

শয়নে মন হয়ে পড়ে বিচলিত,

মাঝে মনে হয় জীবনাস্তমিত,

সৃষ্টিশীলতাকে করে বাঁধাগ্রস্ত,

অস্বস্তি আর যন্ত্রনা অফুরন্ত,

আমি ছিলাম একান্তই দূরন্ত,

পান্ডুতে করেছে মন অশান্ত,

সব কিছু হয়ে যায় হলুদাভ,

অরুচিতে হয় উদর নীলাভ,

মিশেছে কিছু অসচেতনতা,

বাড়াতে হবে দৃঢ়-সচেতনতা,

বিশ্রাম এখন মহাবিরক্তিকর,

 কবে হবে কর্মযোগ আহার,

আশায় আশায় প্রহর গুনি,

কবে যাবে কষ্টদায়ক হানি!