মানুষ কতটা নিকৃষ্ট হতে পারে ভাবতেই অবাক লাগছে! আরো বেশি অবাক লাগছে, ধর্ষকের পক্ষ নিয়ে বহু মানুষ মিছিল করছে, তাও ধর্মকেন্দ্রীক এবং ধর্মমূখী একটি রাজনৈতিক দলের লোকজন প্রকাশ্যে ধর্ষকের পক্ষে বিবৃতি দিচ্ছে! যেই মিছিলে দেশের জাতীয় পতাকার ব্যবহার লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এর আগে মসজিদে শিশু ধর্ষনের ঘটনা অনেক জেনেছি, পত্র-পত্রিকার মারফতে। তবে, এবার প্রথম মন্দিরে শিশু ধর্ষনের ঘটনা সম্পর্কে বিশ্ববাসী অবহিত হলো। তাও, ভিন্নধর্মের একটি শিশু গণধর্ষনের শিকার হলো। ঘৃনা, ভয়ভীতি ছড়ানোর লক্ষ্যে অতীতে বহু ধর্মীয় উন্মাদনা ছড়ানো, হত্যা, ধর্ষন, লুট-পাটের ইতিহাস রয়েছে। তবে, এবারই প্রথম ধর্মীয় মন্দিরে শিশু গণধর্ষনের ঘটনাটা সম্পর্কে অবহিত হলাম। যেটা আসলে, সবকিছুকে ছাপিয়ে গেছে। মাঝে মাঝে মনে হয়, অসভ্যতা মানুষকে গ্রাস করে ফেলেছে। তা যদি না হবে, তাহলে একজন ধর্ষকের (অপরাধী) পক্ষ নিয়ে মানুষ কথা বলে কিভাবে, কোন বিবেচনায়?
মানুষ কতটা নিচে নামলে ধর্মের নামে শিশু ধর্ষনের মত জঘন্য কাজ করতে পারে! আবার ধর্ষকদের বাঁচাতে ধর্মীয় উন্মাদনা ছড়িয়ে মিছিল-মিটিং করতে পারে! ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানকে পবিত্র স্থান হিসেবে বিবেচনা করা হয়। কিন্তু, সেখানে যারা ধর্ষনের ন্যায় ক্ষমার অযোগ্য নিকৃষ্ট অপরাধ সংঘটন করে তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে কেনো এত বাঁধা আসে?
একটি শিশু, যে এখনো নিজের শরীর সম্পর্কে ভালো মত জানতেই পারেনি, তার শরীরে অ-মানুষের দল কি খুঁজে পায় বুঝি না!
(বিঃদ্রঃ লেখাটাকে কেউ ধর্মীয় বিদ্বেষ হিসেবে নিবেন না। এটা ঐ সকল পশুদের বিরুদ্ধে যারা ধর্ষক এবং ধর্ষকের পক্ষ নিয়ে কথা বলে এবং যারা ধর্মের নামে ধর্ষনের বৈধতা জারি করে।)