সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

কিতাবী কথার খোলনলচে


কিতাবী কথা-বার্তা দিয়ে যেমন জীবন চলে না তেমন বাস্তব জগতকেও কিতাবী কথা দিয়ে প্রমান করা যায় না। কিতাবের কথা কিতাবে থাকে, জীবন চলে তার আপন গতিতে। কিতাবী কথার সাথে যদি বাস্তবতার মিল না থাকে তাহলে ঐ কথা অকেজো-বাঁজে কথা, ফাউ কথা। কোন ভিত্তি থাকে না তার। মানুষ যতই কিতাবী কথাকে ভালো বলুক না কেনো! যদি সেটা সময়োপযোগী না হয় তাহলে তার কোন মূল্য নেই। সেটা অতীত ইতিহাস পাঠের মত অর্থাৎ জানার জন্য পড়া হয়ে যায়। যদিও ইতিহাস পঠন-পাঠনের প্রয়োজনীয়তা অনেক। তবে, এক্ষেত্রে পঠন হয়; প্রয়োজনীয়তার কোন উপাদান থাকে না। পৃথিবীতে অসংখ্য কিতাব রয়েছে যেগুলো নির্দিষ্ট সময় পর কার্যকারিতা হারিয়ে ফেলে। কারন, সেগুলোতে যে নির্দেশনা থাকে তা আর সময়োপযোগী থাকে না। সময়ের সাথে, মানুষের বর্তমান কর্ম ও চিন্তা-চেতনার সাথে সাংঘর্ষিক হয়ে দাড়ায়। তাই, ঐ কিতাবগুলো ব্যবহারের অনুপোযুগী হয়ে তার অবস্থান হয় যাদুঘর বা আর্কাইভে বা লাইব্রেরির পুরাতন বইয়ের তাঁকে। বহুদিন পর মানুষ সেটাকে ইতিহাসের উপাদান হিসেবে কাজে লাগায়। এটা নিত্য ঘটনা। আজকের একটি গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থ আগামী দিনের ইতিহাসের অন্যতম নিদর্শন।

মানুষ ইতিহাস পাঠ করে তার জানার পরিধি বাড়াতে পারে; এটা সত্য। কিন্তু, পঠন উপযোগী, কার্যকর ইতিহাস পাঠই বাঞ্ছনীয়।