সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

বিদায় বার্তাঃ প্রিয় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়


কত-শত পদ তোমার বক্ষে বিচরণ করেছে। আরো কত-শত করবে। শত-সহস্রের ইতিহাস হয়ে রবে তুমি নীরবে অম্লান। ভাবতেই ভালো লাগে আমিও তন্মধ্যে একজন হয়ে গেলাম। বিদায় বার্তায় তাই লিখে দিলাম, হৃদয়ের আবেগ জড়ানো বাস্তবানুভূতি মিশ্রিত কিছু কথা।


হয়তোবা তোমার বক্ষে আর বিচরণ করতে পারবো না। বাস্তবতা আমাকে ঘিরে ধরেছে। তাই তোমার কোল ছাড়তে হবে। বিদায় ক্ষনে আর মায়া-জালে জড়াতে বাধ্য করো না আমায়। শুধু মঙ্গলাকাঙ্ক্ষী।


৩৩৩, ৩০৯ নম্বর দুটো গেঁথে থাকবে হৃদয়ে। শাহ মখ্দুম হল স্মৃতির মানসপটে গেঁথে রবে আমৃত্যু। শহিদুল্লাহ ভবনের ৩০২, ২০৩; সিরাজী ভবনের ১২১ অনুভূতিতে মিশে থাকবে চিরকাল।


ইতিহাস বিভাগের গুরুগণ সর্বদা নমস্তে। ক্যাম্পাসের স্বপ্নমাখা প্রিয় মূখগুলোর জন্য শুভ কামনা থাকবে সর্বদা। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় তুমি আমাকে সম্মানিত করেছো। তুমি আমার পরিচয়। মায়ের কোলের শিশুর মত আগলে রেখেছিলে। একদিন মায়ের কোল ছেড়ে অশ্রুসজল চোখে তোমার সন্তান হয়ে তোমার কোলে এসেছিলাম। আজ আবার তোমার এ সন্তানকে জীবনের বাস্তবতায় অশ্রুসজল চোখে তোমার কোল ছেড়ে চলে যেতে হবে।


বুকভরা একগুচ্ছ স্বপ্ন নিয়ে এসেছিলাম; একরাশ স্মৃতি নিয়ে চলে যাচ্ছি। চির ঋণী হয়ে থাকলাম তোমার কাছে। ধন্যবাদ! প্রিয় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়। জানি না, তোমার দেয়া এ সম্মান কতটুকু ধরে রাখতে পারবো; আরো অগ্রসর করতে পারবো বা উপস্থাপন করতে পারবো। তবুও তোমার এ সন্তান বলবে, 'চির উন্নত মম শির।'


ভুল-চুকের মার্জনা-প্রার্থী। গুরু, অগ্রজ-অনুজ, বন্ধু-সহযোগী সকলের মঙ্গল কামনা করে; নিজে মঙ্গলাকাঙ্ক্ষী।